গ্রন্থপরিচয়
রবীন্দ্রনাথের পারস্যযাত্রা এবং ইরান ও ইরাক-ভ্রমণের বৃত্তান্ত গ্রন্থাকারে প্রকাশের পূর্বে সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হইয়াছিল—বর্তমান গ্রন্থের প্রথম পরিচ্ছেদ ১৩৩৯ আষাঢ়-সংখ্যা প্রবাসীতে ‘পারস্যযাত্রা’ নামে, অবশিষ্ট অংশ (পরিচ্ছেদ ২-১১) বিচিত্রা মাসিকপত্রের ১৩৩৯ শ্রাবণ-১৩৪০ বৈশাখ-সংখ্যায় ‘পারস্যভ্রমণ’ নামে।
জাপান-যাত্রী গ্রন্থের নূতন মুদ্রণের সহিত যুক্ত হইয়া এই বৃত্তান্তই অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত আকারে জাপানে-পারস্যে গ্রন্থের অঙ্গীভূত হয় ১৩৪৩ শ্রাবণে।
রবীন্দ্রশতবর্ষপূর্তির উদ্যাপন উপলক্ষে ‘বিশ্বযাত্রী রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থমালার অন্যতম গ্রন্থরূপে যেমন জাপান-যাত্রী পুনর্বার স্বতন্ত্রভাবে প্রচারিত, পারস্যভ্রমণের বিবরণও তেমনি একই আকার-প্রকারে ও একই রীতিতে পারস্য-যাত্রী নামে বর্তমানে প্রকাশ করা হইল।
বিচিত্রায় মুদ্রিত যে-যে অংশ জাপানে-পারস্যে গ্রন্থে সংকলিত হয় নাই সেগুলি, উপরন্তু মূল পাণ্ডুলিপিরও কোনো কোনো বর্জিত অংশ, দ্বাবিংশখণ্ড রবীন্দ্র-রচনাবলীর গ্রন্থপরিচয়ে সংকলন করা হয়। বর্তমান গ্রন্থে পরিশিষ্টের প্রথমাংশে (পৃ ১০৯-১১৮) সে সমস্তই পুনর্মুদ্রিত হইল।
ইরান ও ইরাক-ভ্রমণকালে রবীন্দ্রনাথ যে-সমস্ত অভিনন্দন লাভ করেন ও তাহার উত্তরে যখন যাহা বলেন, তাহার কোনো-কোনোটির রবীন্দ্র-অনুমোদিত অনুবাদ ১৩৩৯ ভাদ্র ও চৈত্র-সংখ্যা বিচিত্রায় প্রথম প্রকাশিত ও দ্বাবিংশখণ্ড রবীন্দ্র-রচনাবলীতে পুনর্মুদ্রিত; বর্তমান গ্রন্থে (পৃ ১১৯-১২৯) সেগুলি সংকলন করা হইল।
ইরান ও ইরাক-ভ্রমণকালীন যে-সকল ভাষণ ও প্রতিভাষণের মূল ইংরেজি পাওয়া যায় (সকল ক্ষেত্রে অনুমোদিত ও অনূদিত বাংলা পাওয়া যায় না), রবীন্দ্র-বক্তব্যের সামগ্রিক ধারণার অনুকূল হইবে বলিয়া সে-সবই এই পরিশিষ্টের পরবর্তী অংশে (পৃ ১৩০-১৫২) গ্রহণ করা হইল।
১৭৯