বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:পাহাড়ে মেয়ে - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/৪২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৪২
দারোগার দপ্তর, ১৪৬ সংখ্যা।

তাহা হইলে আমি কি আমার সেই ক্ষণস্থায়ী সুখকে অবিনশ্বর সুখ জ্ঞান করিরা আত্মাকে এরূপ কলুষিত করিতাম? না, ধর্ম্মের মস্তকে জলাঞ্জলি দিয়া সেই মহাপাতকী তারাদিদির কুহক-মন্ত্রে ভুলিতাম? না, পাপকে ক্রমে ক্রমে এতদূর প্রশ্রয় দিয়া অসহ্য নরক-যন্ত্রণায় আত্মাকে বিপর্য্যস্ত করিতে অগ্রসর হইতাম? হায়! আমি কি মূর্খ!—কি পাপিষ্ঠা!!

 “যাহা হউক, আমাদিগের যখন এই উপায় বন্ধ হইল, যখন সকলেই আমাদিগের চাতুরী বুঝিতে পারিলেন, তখন কালীবাবু আমার পরামর্শ মত অন্য আর একটী উপায় বাহির করিলেন। সেই উপায় অবলম্বন করাতে প্রথম প্রথম আমাদের অবস্থার একটু পরিবর্ত্তন হইল; সমস্ত খরচপত্র বিনা-ক্লেশে নির্ব্বাহ করিতে লাগিলাম। সে উপায় যে কি, তাহার কতক, বোধ হয়, এখন প্রকাশ করা মন্দ নহে।”

নবম পরিচ্ছেদ।


বিবাহ সম্বন্ধে।

 “একদিবস সন্ধ্যার পর একটী বাবুকে সঙ্গে করিয়া কালীবাবু আমাদিগের বাড়ীতে আসিলেন। তাঁহাকে আমি পূর্ব্ব হইতেই জানিতাম, তিনি কালীবাবুর একজন প্রধান পারিষদ। তাঁহার নাম গণেশ। আজ গণেশ আসিয়া আমার ঘরে