বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:পুনর্জন্ম - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়.pdf/৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

-ద్దాం, স্থান—যাদব চক্ৰবৰ্ত্তীর বহিঃকক্ষ । কাল-রাি ফরাস, টেবিল ও চেয়ার ঘরটিতে ছড়ানো। পাশ্বে একখানি থাটিয়া। দেওয়ালে ঘড়িতে সাতটা বাজিয়া সতেরো মিনিট । যাদবের বিপত্নীক ভগ্নীপতি অশ্বিনী এবং যাদবের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সৌদামিনী দণ্ডায়মান । অশ্বিনী। আজ সেই দোসর বৈশাখ। আমি সব বুঝিয়ে পড়িয়ে রেখেছি। . সৌদামিনী। কিন্তু—আমি এখন ভাবছি, যে এতে ফল কি হবে ? অশ্বিনী। ফল ! বেশী কিছু নয়, ওর প্রাণরক্ষা হবে। খাতকের তোমার স্বামীকে একদিন উত্তম মধ্যম দেবে ব’লেছে জানো ? সৌদামিনী। তা ওঁর অপরাধ কি ? মুদে টাকা ধার দিয়েছেন— মুদ নেবেন না ? যথন মহাজনি কৰ্ত্তে বসেছেন— অশ্বিনী। অভাগাদের ভিটে মাটি উচ্ছন্ন করে’ ! এর নাম মহাজনি ! না রাহাজানি ! সকালে উঠে কেউ ওর নাম করে না— পাছে ভাতের হাড়ি ফেটে যায় ; ওর মুখ দেখে না—অযাত্রা । অনেকে সকালে বিকালে ওর মৃত্যু কামনা করে। এ কি বড় মুখের অবস্থা ! সৌদামিনী। তবে আহার ঔষধ দুই হবে!—কিন্তু বিধ লে হয়! অশ্বিনী। তা ঠিক বিধ বে। শালার জ্যোতিষ শাস্ত্রে ভারি বিশ্বাস ।