৩য় সংখ্যা] | বিবিধ প্রসঙ্গ—ভারতে সিবিল সার্বিস প্রতিযোগিতা 8సిసి উদ্দেপ্ত। তাহা হইলে এই ব্যাঙের ছাতার উদ্ভব বর্ষাকালে হওয়া সময়োচিতই হইয়াছে। কাটি লীগের সভ্যেরা নাকি বলিতেছেন, তাহারা ষ্ট্রেকূহোলডার বা মালদার আদমী। তাদের সম্পত্তি আছে, তাহা স্বীকার্য্য। কিন্তু তাছা চিন্তাশক্তির একটা প্রমাণ নহে। যে-সব পার্থীর ল্যাজ লম্বা, তারা বেশী উড়িতে পারে না । মালদার আদমীরাও চিত্ত: ও আদর্শের মুক্ত আকাশে বিচরণ করিতে অসমর্থ। পরিবর্জন ভিন্ন উন্নতি হয় না। যাদের সম্পত্তি বেশী, তারা পরিবর্তনকে ভয় করে। ষ্টেকের একটা মানে গোজ । যারা সম্পত্তির ও খেতাবের গোজে বাধা, তাদের স্বাধীনতা কোথায় যে সাহসের সহিত দেশহিত করিবেন ? আগ্রা-অযোধ্যার হিন্দু মন্ত্রিদ্বয় আগ্ৰা-অযোধ্যার হিন্দু মন্ত্রী রায় রাজেশ্বর বলী এবং কোয়ার রাজেন্দ্র সিং সাইমন কমিশনের সহিত সহযোগিতা করিতে পরিবেন না বলিয়া মন্বিত্ব ত্যাগ করিয়াছেন, বা করিতে বাধ্য হইয়াছেন। তাহীদের স্বাধীনচিত্ততা প্রশংসনীয়। বৈরাজ্যের দ্বারা নাকি দায়িত্বপূর্ণ শাসনপ্রণালীর স্বত্রপাত করা হইয়াছে ? কিন্তু মন্ত্রীদের দায়িত্বটকাহার নিকট ? জনসাধারণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিকট, না লাটসাহেব ও তাহার পারিষদদের নিকট ? আগ্রী-অযোধ্যার দুই মন্ত্রী মনে করেন, যে, তাহার নিৰ্ব্বাচিত প্রতিনিধিদের নিকট দায়ী। সুতরাং আগ্রাঅযোধ্যার ব্যবস্থাপক সভার অধিকাংশ সভ্য সাইমন কমিশনের উপর অনাস্থা প্রকাশ করায় তাহারা মনে করেন, যে, তাহারা উহার সহিত সহযোগিতা করিতে পারেন না। অবশু তাছাদের নিজেরও ঐ কমিশনের উপর আস্থা নাই। বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা ও সাইমন কমিশন কয়েক মাস পূৰ্ব্বে তারিখ ফেলিয়াও বাংলা গবন্মেণ্ট বেগতিক বুঝিয়া সাইমন কমিশনের সহিত সহযোগিতা করিযায় জক্স বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার কমিটি নিয়োগের প্রস্তাব স্থগিত রাখিয়াছিলেন। এখন আবার তাহ ব্যবস্থাপক সভার আগামী অধিবেশনে উপস্থিত করা হইবে, শুনা যাইতেছে। ইতিপূৰ্ব্বে ভারতীয় ব্যবস্থাপক সভা ও কয়েকটি প্রাদেশিক ব্যবস্থাপক সভায় এরূপ প্রস্তাব অগ্রাহ হইয়াছে। বাঙালী সভেরা কি করেন দেখা যাক । পঞ্জাব ও সাইমন কমিশন পঞ্জাবে সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে লোকমত খুব প্রবল । তথাপি তথাকার ব্যবস্থাপক সভায় তাহার সহিত সহযোগিতা করিবার নিমিত্ত কমিটি নিযুক্ত হইয়া যায়। কিন্তু সহযোগিতা করিতে প্রস্তুত এহেন কমিটির সভ্যেরাও বঁাকিয়া বসিয়াছেন। তাহারা বলিতেছেন, সকল বিষয়ে সাইমন কমিশনের বিলাতী সভ্যদের সমান ক্ষমতা ও সুযোগ তাহাদের থাকা চাই। পঞ্জাবে যত সাঙ্গীর সাক্ষ্য লওয়া হইবে, সকলেরই সাক্ষ্য র্তাহীদের সমক্ষে লইতে হইবে এবং তাহাদিগকে জেরা করিবার অধিকার দিতে হইবে, এবং সাইমন কমিশনের সভ্যেরা যেমন গোপনীয় কাগজপত্র তলব করিতে পারিবেন, পঞ্জাবী কমিটির সভ্যদিগকেও তাহা তলব করিবার ক্ষমতা দিতে হইবে। এইরূপ র্তাহারা বলিতেছেন। পঞ্জাবী ভায়াদের এ চালটার তারিফ করা যায় না কি ? ভারতে সিবিল সার্বিস প্রতিযোগিতা কয়েক বৎসর হইতে বিলাতের স্তায় ভারতবর্ষেও সিবিল সাধিস্ প্রতিযোগিতা গৃহীত হইতেছে। কিন্তু ইহাকে ঠিক প্রক্তিযোগিতা বল চলে না। পরীক্ষায় যে-সব যুবক উচ্চতম কয়েকটি স্থান অধিকার করে, তাহাদিগকে কয়েকটি চাকরী দেওয়া হয়। অন্ত কতকগুলি চাকরী প্রতিযোগিতায় অকৃতকাৰ্য্য কিন্তু পাসের নম্বর পাওয়া সংখ্যানুন সম্প্রদায়ের যুবকদিগকে দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতার ফল অনুসারে যদি ছয় জনকে কাজ দেওয়া হয়, তাহা হইলে, ধরুন, ষষ্ঠস্থানীয় যুবক হাজারে ৬০০ নম্বর পাইয়াছে। তাহার পর তিন চারি জন হিন্দু যুবক যদি ৫৮•, ৫৫০, ৫২৫, ৫১৬ পায়, তাহারা চাকরী পাইবে না ; কিন্তু কোন মুসলমান বা ব্ৰহ্মদেশীয় বৌদ্ধ যুবক যদি ৩৯৯ পান, তিনি চাকরী পাইবেন। এই নীতির সরকারী নাম *redressing communal inequalities,” “stoff," writojo প্রতীকারসাধন।” যাহায়া কিন্তু মুসলমানদের চেয়েও লেখাপড়ায় অনগ্রসর ও সংখ্যায় কম, সেই আদিমজাতীয় কোলভাল সাওতাল বাউরীরা এই নীতির ফলভোগ করে না। মহারাণী ভিক্টোরিয়ার ঘোষণা-পত্রে এবং তাহার পূৰ্ব্বে ও পরে বহুবার বলা হইয়াছে যে, সাম্রাজের সকল-ধৰ্ম্মাবলম্বী ८बांकरमब्र cथंछि नमांन दjदशंद्र कब्र इऐएव । किरु এস্থলে ত হিন্দু যুবককে তাহার ধর্মের জন্ত অসুবিধার ফেলা হইতেছে, এবং অন্ত ধৰ্ম্মাবলম্বীকে সুবিধা দেওয়া
পাতা:প্রবাসী (অষ্টবিংশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).djvu/৫৩৮
অবয়ব