বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রবাসী (অষ্টবিংশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).djvu/৫৫৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

DSeMSeSAS AeASMSMSAAAAAAS ( ఫి পথ সহজ । ভক্তি-পথাবলম্বিগণেয় লক্ষ্য সগুণ ব্ৰহ্ম এবং জ্ঞান-পথাবলম্বিগণের লক্ষ্য অক্ষর ব্রহ্ম। ভক্তিপথ সহজ হইতে পারে, কিন্তু এই স্থলে এমন কোন কথা নাই যাহাতে প্রমাণিত হয় যে, নিগুৰ্ণ ব্ৰহ্ম অপেক্ষ সগুণ ব্ৰহ্ম শ্রেষ্ঠ। বরং এন্থলে উভয়ের একত্বই স্থাপন করা হইয়াছে। কৃষ্ণরূপী ভগবান বলিলেন—“যে অক্ষরকে উপাসনা করে সে আমাকেই প্রাপ্ত হয়।” অক্ষরকে উপাসনা করিলে ভগবানকে লাভ করা যায়, ইহাতে প্রমাণিত হয় যে, অক্ষর ও ভগবান একই। আর গীতার একটি বিশেষ মত এই যে, যে যাহার উপাসনা করে সে র্তাহাকেই প্রাপ্ত হয়। একস্থলে ভগবান এইরূপ বলিয়াছেন—“দেবযাজিগণ দেবগণকে প্রাপ্ত হয়, আমার ভক্তগণ আমাকেই প্রাপ্ত হয়” ৭২৩। অন্যত্র বলিয়াছেন—“দেবব্রতগণ দেবগণকে প্রাপ্ত হয়, পিতৃব্ৰতগণ পিতৃগণকে প্রাপ্ত হয়, ভূতপূজকগণ ভূতগণকে প্রাপ্ত হয়, এবং আমার পূজকগণ আমাকে প্রাপ্ত হয়” ৯২৫ । সুতরাং যখন বলা হইল অক্ষরের উপাসকগণ ভগবানকে প্রাপ্ত হয় (১২৩,৪), তখন বুঝিতে হইবে অক্ষর এবং ভগবান একই। অক্ষর বিষয়ক বিভিন্ন স্থল আলোচনা করিয়া আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইলাম যে, যিনি অক্ষর তিনিই পরমাত্মা বা পরব্রহ্ম । অক্ষরের নিম্নস্থান কিন্তু পঞ্চদশ অধ্যায়ের তিনটি শ্লোকে অক্ষরকে নিম্নতর স্থান দেওয়া হইয়াছে। শ্লোক তিনটি এই – সংসারে ক্ষর এবং অক্ষর এই দুইটি পুরুষ । সৰ্ব্বভুতকে ক্ষর এবং কুটস্থকে অক্ষর বলা হয়। ১৫১৬ অন্য একজন উত্তম পুরুষ আছেন—যাহাকে পরমাত্মা বলিয়া নির্দেশ করা হয়, যিনি অব্যয় ও ঈশ্বর ; এবং যিনি অস্তুরে প্রবিষ্ট হইয়া লোকত্রয়কে ধারণ করেন । ১৫১৭ যেহেতু আমি ক্ষরের অতীত এবং অক্ষর অপেক্ষাও উত্তম—এইজন্ত লোকে এবং বেদে আমি পুরুষোত্তম বলিয়া প্রথিত হই।১৫।১৮ এই অংশ অবৈদাস্তিক ; অথচ ইহা গীতার অঙ্গীভূত। बाषाकर्तुग१ ऐशंद्र देवनांखिक बांथा कब्रिtठ बाहेब्र প্রবাসী-শ্রাবণ, ১৩৩৫ [ ২৮শ ভাগ, ১ম খণ্ড ইহাকে আরও দুৰ্ব্বোধ্য করিয়া তুলিয়াছেন । এই তিনটি শ্লোকের অর্থ বিষয়ে আমাদিগের মন্তব্য এই ঃ ( ১ ) যাহ বিনাশশীল, বা পরিবর্তনশীল, তাহাই ‘ক্ষর’ । জড় প্রকৃতিকে ক্ষর বলা যাইতে পারে এবং এখানে জড় প্রকৃতিকেই ক্ষর বলা হইয়াছে। বেদান্তে, সাংখ্যে এবং গীতার অপরাপর স্থলে পুরুষ অক্ষয় (অর্থাৎ অবিনাশী, অবিকারী ) । অথচ এষ্ট স্থলে 'ক্ষর’-কেও পুরুষ বলা হইয়াছে। . (২) কুটস্থকে অক্ষর বলা হইয়াছে। কূট শব্দের বহু অর্থ। (क) স্ত প। মুতরাং কুটস্থ শব্দের অর্থ পৰ্ব্বতশৃঙ্গের ন্তায় অচল, স্ত পের স্তায় স্থির। গীতার আরও দুইটা স্থলে কুটস্থ শদ্ধের প্রয়োগ দেখা যায়। একস্থলে ( ৬৮) যুক্তযোগীকে জ্ঞানবিজ্ঞানতৃপ্তাত্মা, বিজিতেন্দ্রিয়, সমলোষ্ট্রাশ্মকাঞ্চন, ও কুটস্থ বলা इझेब्रां८छ् । -- আর একস্থলে ( ১২৩ ) অক্ষরকে অনির্দেশু, অব্যক্ত সৰ্ব্বত্রগ, অচিন্তা, অচল ধ্রুব এবং কুটস্থ বলা হইয়াছে। উভয় স্থলেই কুটস্থ অর্থ “অচল”। পালিগ্রন্থে অচল, নিৰ্ব্বিকার ও স্থির বস্তুকে কুটস্থ (কুটটঠ ) বলিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে (দীর্ঘ ১১৪, ১৫৬ ; মজ ঝিম ১৫১৭ ; সংযুক্ত ৩২১১ ইংলণ্ডের সংস্করণ)। টীকাকার ও অনুবাদকগণের অর্থ ‘পৰ্ব্বতশৃঙ্গের দ্যায় অচল । (খ ) শঙ্করাচাৰ্য্য বলেন কুট, মায়া, বঞ্চনা, জিঙ্কত, কুটিলতা সমপৰ্য্যায়ের কথা । সুতরাং যিনি মায়াতে অবস্থিত, মায়া যাহার উপাধি, বা যিনি মায়ার ঈশ্বর, তিনিই কুটস্থ । গীতার অপরাপর অংশে অক্ষর ব্ৰহ্ম বা পরব্রহ্ম, পরমাত্মা, পরমপুরুষ ইত্যাদি একাৰ্থ স্বচক ; ইহুদিগের মধ্যে কোন প্রকার পার্থক্য করা হয় নাই। কুটস্থ শম্বের প্রথম অর্থ গ্রহণ করিলে বলিতে হয় কুটস্থ অক্ষরই পরমাত্মা বা পরমপুরুষ। তাছা হইলে ইহা অপেক্ষ জন্ত কুট = পৰ্ব্বত, পৰ্ব্বতশৃঙ্গ, সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠস্থান,