বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রবাসী (অষ্টবিংশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).djvu/৭০১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ఆ8 - প্রবাসী-ভাদে, ১৩৩৫ [ ২৮শ ভাগ, ১ম খণ্ড যোগ্য ! আমি যদি বিমি বোসকে বিয়ে করতে পাগল হয়েও ওঠে আমি তাকে সাবধান ক’রে দেৰ সে যেন ওর দিকে ফিরেও না তাৰায়।” BBBB BBBSBBB B BBB BB BBB BB BBB DD D DDD D BB BBB জামার বিয়ের কথা না ভেবে উপযুক্ত চিকিৎসার কথা ভেবো ।” আত্মীয়-স্বজন জমিভর বিয়ের আশা ছেড়েই দিয়েচে । তার ঠিক করেছে, বিয়ের দায়িত্ব নেৰায় যোগ্যতা ওর নেই, তাই ও কেবল অসম্ভবের স্বপ্ন দেখে আর উলটো কথা ব’লে মানুষকে DDD BB BBDS CB DBB BBBD BBBS D BB BBtt BBBD DBBS BBB মধ্যে তাকে ধ’রে আনার জো নেই। ইতিমধ্যে অমিত যেখানে-সেখানে হে হে ক’রে বেড়াচ্চে,—ফিরূপের দোকানে যাকে-তাকে চা খাওয়াচ্চে, যখন-তখন মোটরে চড়িয়ে বন্ধুদের অনাবশুক ঘুরিয়ে নিয়ে আসচে ; এখান-ওখান থেকে যা-ত কিন্‌চে আর একে-ওকে বিলিয়ে দিচ্চে, ইংরেজি বই সদ্য কিনে এবাড়িতে-ওবাড়িতে ফেলে আসচে, আর ফিরিয়ে আন্‌চে না। ওর বোনের ওর যে অভ্যাসটা নিয়ে ভারি বিরক্ত সে হচ্চে ওর উলটো কথা বলা । সজ্জন সভায় যা-কিছু সৰ্ব্বজনের অনুমোদিত ও তার বিপরীত কিছু-একটা ব'লে বসবেই। একদা কোন এক জন রাষ্ট্রভাৰিক ডিমোক্রাসির গুণ বর্ণনা করছিল, ও বলে উঠল, “বিষ্ণু যখন সতীর মৃত-দেহ খণ্ড খণ্ড করলেন তখন দেশ জুড়ে যেখানে-সেখানে তার একশোর অধিক পীঠস্থান তৈরি হয়ে গেল। ডিমোক্রাসি আজ যেখানে-সেখানে যত টুকরো এরিষ্টক্রেপির পুজো বসিয়েচে,— ক্ষুদে স্কুদে এরিষ্ট্রোক্রাটে পৃথিবী ছেয়ে গেলে, কেউ পপিটিক্সে, কেউ সাহিত্যে, কেউ সমাজে তাদের কারো গাম্ভীৰ্য্য নেই, কেন না তাদের নিজের পরে বিশ্বাস নেই।” একদা মেয়েদের পরে পুরুষের আধিপত্যের অত্যাচার নিয়ে কোনো সমাজহিতৈষী অবলাবান্ধব নিলা করছিল পরুষদের। অমিত মুখ থেকে সিগারেট নামিয়ে ফস ক’রে বললে, “পুরুষ আধিপত্য ছেড়ে দিলেই মেয়ে আধিপত্য সুরু করবে। দুৰ্ব্বলের আধিপত্য অতি ভয়ঙ্কর।” সভাস্থ অবলা ও অবলাবান্ধবের চ’টে উঠে বললে, “মানে কী হোলো ?” অমিত বললে, “ষে-পক্ষের দখলে শিকল আছে সে শিকল দিয়েই পাখীকে বাধে, অর্থাৎ জোর BBB S BBB BD BD BB BB BBB BBBBS BBBBS BBS BBS BBB BB BBB BBS DDD BBD DS DBBB BBB BBBB BB BBBBS BBBBDD BBBS BBB BBS BBB সয়তানী তার জোগান দের।” একদিন ওদের বালিগঞ্জের এক সাহিত্যসভায় রবি ঠাকুরের কবিতা ছিল আলোচনার বিষয় । অমিতর জীবনে এই সে প্রথম সভাপতি হ’তে রাজি হয়েছিল ; গিয়েছিল, মনে মনে যুদ্ধলাজ প’রে । একজন সেকেলে গোছের অতি ভালমানুষ ছিল যক্ত। রবি ঠাকুরের কবিতা যে কবিতাই এইটে প্রমাণ করাই তার উদ্দেশু। ই একজন কলেজের অধ্যাপক ছাড়া অধিকাংশ সভ্যই স্বীকার করলে, প্রমাণটা একরকম সন্তোষজনক। সভাপতি উঠে বললে, “কবিমাত্রের উচিত পাঁচ বছর মেয়াঙ্গে কৰিম্ব করা ; পাচশ থেকে ত্ৰিশ পৰ্য্যন্ত । এ কথা বলব না যে, পরবর্তীদের কাছ থেকে আরো ভালে কিছু চাই, বলব অল্প কিছু চাই । কজলি