পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sలిపి ങ്ങബം ওঠে যাতে আমাদের চিত্ত তাকে স্বীকার করতে বাধ্য হয়, সেই গুণটি স্থলভ—সেই গুণটিই সাহিত্য-রচয়িতার। তা রজোগুণও নয়, তমোগুণও নয়, তা কল্পনাশক্তির ও রচনাশক্তির গুণ । পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষকে অসংখ্য জিনিষকে আমরা পুরোপুরি দেখতে পাইনে। প্রয়োজন হিসাবে বা সাংসারিক প্রভাব হিসাবে তার পুলীস ইনস্পেক্টর বা ডিট্ৰিকূট ম্যাজিষ্ট্রেটের মতোই অত্যন্ত পরিদৃষ্ট এবং পরিস্পৃষ্ট হতে পারে কিন্তু ব্যক্তি হিসাবে তার হাজার হাজার পুলীস ইনস্পেক্টর এবং ডিট্ৰিকূট ম্যাজিষ্ট্রেটের মতোই অকিঞ্চিৎকর, এমন কি, যাদের প্রতি তার কর্তৃত্ব করে তাদের অনেকের চেয়ে। স্বতরাং তার। অচিরকালীন বর্তমান অবস্থার বাহিরে মাছুষের অন্তরঙ্গরূপে প্রকাশমান 习研1 কিন্তু সাহিত্য-রচয়িতা আপন স্বাক্টশক্তির গুণে তাদেরও চিরকালীন রূপে ব্যক্ত করে দাড় করাতে পারে। তখন তারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দগুবিধাতারূপে কোনো শ্রেণী বা পদের প্রতিনিধিরূপে নয়, কেবলমাত্র আপন স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের মূল্যে মূল্যবান। ধনী বলে নয়, মানী বলে নয়, জ্ঞানী বলে নয়, সৎ বলে নয় সত্ত্ব রজ বা তমোগুণাস্থিত বলে নয়, তারা স্পষ্ট ব্যক্ত হতে পেরেছে বলেই সমাদৃত। এই ব্যক্ত রূপের সাহিত্যমূল্যটি নির্ণয় ও ব্যাখ্যা করা সহজ নয়। এই জন্তেই সাহিত্য-বিচারে অনেকেই ব্যক্তিপরিচয়ের দুরূহ কৰ্ত্তব্যে ফাকি দিয়ে শ্রেণীর পরিচয় দিয়ে থাকেন। এই সহজ পন্থাকে সাধারণত আমাদের দেশের পাঠকেরা অশ্রদ্ধ করেন না বোধ করি তার প্রধান কারণ, আমাদের দেশ জাত-মানার দেশ। মামুষের পরিচয়ের চেয়ে জাতের পরিচয়ে আমাদের চোখ পড়ে বেশি। আমরা বড়ো লোক বলি ধার বড়ো পদ, बळफ़ यांछ्ष बलि शांब्र जानक छैॉक । षांयब्रां छां८डब्र চাপ, শ্রেণীর চাপ দীর্ঘকাল ধরে পিঠের উপর সহ করেচি, ব্যক্তিগত মাছুষ পংক্তিপূজক সমাজের তাড়নায় আমাদের দেশে চিরদিন সঙ্কুচিত। বাধারীতির বন্ধন আমাদের দেশে সৰ্ব্বত্রই। এই কারণেই যে সাধুসাহিত্য আমাদের দেশে একদা প্রচলিত ছিল, তাতে প্রবাসী—কার্তিক, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড ব্যক্তির বর্ণনা ছিল শিষ্টসাহিত্যপ্রথাসম্মত, শ্রেণীগত । তখন ছিল কুমুদকহুলারশোভিত সরোবর, ষ খ্ৰীজাতিমল্লিকামালতীবিকশিত বসন্ত ঋতু, তখনকার সকল श्नघ्नौब्रहे शंभन ग्रं८छटाशंभन, डां८मब्र यत्रथङाच दिष দাড়িম্ব স্বমেরুর বাধা ছাদে। শ্রেণীর কুহেলিকার মধ্যে ব্যক্তি অদৃপ্ত। সেই ঝাপসা দৃষ্টির মনোবৃত্তি আমাদের চলে গেছে তা বলতে পারিনে। এই ঝাপসা দৃষ্টিই সাহিত্য রচনায় ও অনুভূতিতে সকলের চেয়ে বড়ো শক্র । কেননা সাহিত্যে রপক্কপের স্বষ্টি । স্বষ্টি মাত্রের আসল কথাই হচ্চে প্রকাশ। সেই জন্তেই দেখি আমাদের দেশের সাহিত্য-বিচারে ব্যক্তির পরিচয় বাদ দিয়ে শ্রেণীর পরিচয়ের দিকেই ঝোক দেওয়া হয়। তৃষ্ণার্ভের জন্তে আধখানা বেলের প্রভূত আয়োজন । সাহিত্যে ভালো লাগা মন্দ লাগা হোলো শেষ কথা । বিজ্ঞানে সত্যমিথ্যার বিচারই শেষ বিচার। এই কারণে বিচারকের ব্যক্তিগত সংস্কারের উপরে বৈজ্ঞানিকের চরম আপিল আছে প্রমাণে। কিন্তু ভালো মন্দ লাগাটা রুচি নিয়ে, এর উপরে আর কোনো আপিল অযোগ্যতম লোকও অস্বীকার করতে পারে। এই কারণে জগতে সকলের চেয়ে অরক্ষিত অসহায় জীব হল সাহিত্যরচয়িত । মৃদুস্বভাব হরিণ পালিয়ে বঁচে, কিন্তু কবি ধরা পড়ে ছাপার অক্ষরের কালো জালটায়। এ নিয়ে আক্ষেপ করে লাভ নেই, নিজের অনিবাৰ্য্য কৰ্ম্মফলের উপরে জোর খাটে না । झझ्द्रि बाँच्न यर्थन थाहे उथन झुण क्ह्त्व गश् করাই ভালো, কেননা সাহিত্য-রচয়িতার ভাগ্যচক্রের মধ্যেই রুচির কুগ্রহ-স্বগ্রহের চিরনির্দিষ্ট স্থান। কিন্তু বাইরে থেকে যখন আসে উক্ষাবৃষ্টি, সম্মার্জনী হাতে আসে ধূমকেতু, আসে উপগ্রহের উপসর্গ, তখন মাথা চাপড়ে বলি এ ষে মারের উপরি পাওনা। বাংলা সাহিত্যের অন্তঃপুরে শ্রেণীর ষাচনদার বাহির হতে ঢুকে পড়েচে, কেউ তাদের দ্বাররোধ করবার নেই। বাউল কবি দুঃখ করে বলেচে, ফুলের বনে জহুরী ঢুকেচে, সে পদ্মফুলকে নিকষে ঘষে ঘষে বেড়ায়, ফুলকে দেয় জজ ।