পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SE8 তেমনি সাহিত্যের সরস্বতীর মন্দিরের পাণ্ডার দ্বারের কাছে কুলের বিচার করতে সঙ্কোচ করে না। হয়তো বলে বসে, এ লেখাটার চাল কিম্বা স্বভাব বিশুদ্ধ ভারতীয় নয়, এর কুলে যবনম্পর্শ দোষ আছে। দেবী ভারতী স্বয়ং এরকমের মেল-বন্ধন মানেন না, কিন্তু পাণ্ডারা এই নিয়ে তুমুল তর্ক তোলে। চৈন চিত্র বিশ্লেষণে প্রমাণ হতে পারে যে তার কোনো অংশে ভারতীয় বৌদ্ধ সংস্রব ঘটেচে, কিন্তু সেটা নিছক ইতিহাসের কথা, সারস্বত বিচারের কথা নয়। সে চিত্রের ব্যক্তিত্বটি দেখো, যদি ৰূপ-ব্যক্ততায় কোনো দোষ না থাকে তাহলে সেইখানেই তার ইতিহাসের কলম্বভঞ্জন হয়ে গেল। মানুষের মনে মামুযেঙ্গ প্রভাব চারিদিক থেকেই এসে থাকে। যদি অযোগ্য প্রভাব না হয় তবে তাকে স্বীকার করবার ও গ্রহণ করবার ক্ষমতা না থাকাই লজ্জার বিষয়—তাতে চিত্তের निवौबज्रा थभाग श्य । नौज नौब्र औव्र cषट्क बर्षीब्र মেঘ উঠে আসে। কিন্তু যথাসময়ে সে হয় ভারতেরই বর্ষা। তাতে ভারতের ময়ুর যদি নেচে ওঠে, তবে কোনো শুচিবায়ুগ্রস্ত স্বাদেশিক তাকে যেন ভংগনা না করেন,— যদি সে না নাচত তবেই বুঝ তুম ময়রটা মরেচে বুঝি। এমন মরুভূমি আছে যে সেই মেঘকে তিরস্কার ক’রে আপন সীমানা থেকে বের করে দিয়েচে । সে মক্ক থাকৃ আপন বিশুদ্ধ শুচিত নিয়ে একেবারে শুভ্র আকারে, তার উপরে রসের বিধাতা শাপ দিয়ে রেখেচেন সে কোনোদিন প্রাণবান হয়ে উঠবে না। বাঙলা দেশেই এমন মন্তব্য শুনতে হয়েচে, সে দাণ্ড রায়ের পাচালি শ্রেষ্ঠ, যেহেতু তা বিশুদ্ধ স্বাদেশিক । এটা অন্ধ অভিমানের কথা। এই অভিমানে একদিন শ্ৰীমতী বলেছিলেন, “কালে মেঘ আর হেরব না গো দূতী।” অবস্থাবৈগুণ্যে এরকম মনের ভাব ঘটে সে কথা স্বীকার করা যাক,—ওটা হোলো খণ্ডিত নারীর মুখের कषl, यtनब्र कष नब्र । किछ १थन उख्छांनैौ utन बद्दलन, সাত্বিকতা হোলো ভারতীয়ত্ব, রাজসিকতা হোলো যুরোপীয়ত্ব ; এই বলে সাহিত্যে খানাতল্লালী করতে থাকেন, লাইন চুনে চুনে রাজসিকতার প্রমাণ বের করে কাব্যের উপরে এক-ঘরে করবার দাগ দিয়ে দেন, কাউকে জাতে প্রবাসী-কাৰ্ত্তিক, ১৩৩৬ ASA SSASAS A SAS SSAS SSAS SSAS SSAAAA AAAA AAAA SAAAA AAAA AAAASAM MAAA AAASS [ २>* छां★, २ग्न थ७ রাখেন কাউকে জাতে ঠেলেন তখন একেবারে হতাশ হতে হয় । এক সময় ভারতীয় প্রভাব যখন প্রাণপূর্ণ ছিল তখন মধ্য এবং পূর্ব এসিয়া তার নিকট সংস্পশে এসে দেখতে দেখতে প্রভূত শিল্পসম্পদে আশ্চৰ্য্যরূপে চরিতার্থ হয়েছিল। তাতে এসিয়ায় এনেছিল নব জাগরণ । এজন্ত ভারতের বহির্বত্তী এসিয়ার কোনো অংশ যেন কিছুমাত্র লজ্জিত না হয়। কারণ, যে কোনো দানের মধ্যে শাশ্বত সত্য আছে তাকে যে কোনো লোক যদি যথার্থভাবে আপন করে স্বীকার করতে পারে, তবে সে দান সত্যই তার আপনার হয়। অনুকরণই চুরি, স্বীকরণ চুরি নয়। মানুষের সমস্ত বড়ো বড়ো সভ্যতা এই স্বীকরণ শক্তির প্রভাবেই পূর্ণ মাহাত্ম্য লাভ করেচে। বর্তমান যুগে য়ুরোপ সৰ্ব্ববিধ বিদ্যায় ও সৰ্ব্ববিধ কলীয় মহীয়ান । চারিদিকে তার প্রভাব নানা আকারে বিকীর্ণ। সেই প্রভাবের প্রেরণায় যুরোপের বহির্ভাগেও দেশে দেশে চিত্তজাগরণ দেখা দিয়েছে। এই জাগরণকে নিন্দা করা অবিমিশ্ৰ মুঢ়তা। যুরোপ যে-কোনো সত্যকে প্রকাশ করেছে তাতে সকল মানুষেরই অধিকার। কিন্তু সেই অধিকারকে আত্মশক্তির দ্বারাই প্রমাণ করতে হয়—তাকে স্বকীয় করে নিজের প্রাণের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া চাই। আমাদের স্বদেশকুভূতি, আমাদের সাহিত্য, যুরোপের প্রভাবে উজ্জীবিত, বাংলা দেশের পক্ষে এটা গৌরবের কথা । শরৎ চাটুজ্জের গল্প বেতাল পঞ্চবিংশতি, হাতেম তাই, গোলেবকাওলি च्षथयां कांनश्वव्रेौ बांगदनखांब्र भ८डl cष श्ब्बनि, श्ब्रtछ যুরোপীয় কথাসাহিত্যের ছাদে, তাতে করে জবাঙালিত্ব বা খুজোগুণ প্রমাণ হয় না, তাতে প্রমাণ হয় প্রতিভার প্রাণবত্তা। বাতাসে সত্যের ষে-প্রভাব ভেসে বেড়ায় তা দূরের খেৰেই আম্বৰ বা নিকটের থেকে, তাকে সৰ্ব্বাগ্রে অনুভব করে এবং স্বীকার ধরে প্রতিভাসম্পন্ন চিত্ত,— যারা নিম্প্রতিভ তারাই সেটাকে ঠেকাতে চায়,–এবং যেহেতু তারা দলে ভারী এবং তাদের অসাড়তা ঘুচতে অনেক দেরি হয়, এই কারণেই প্রতিভার ভাগ্যে দীর্ঘকাল দুঃখভোগ থাকে। তাই বলি, সাহিত্যবিচারকালে বিদেশী