পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রবাসী—অগ্রহায়ণ, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড = ബജ ക കബ് - --ബ প্রতীত হয়েছে তা জানবার কৌতুহল সামলাতে পারিনি। আমি জানি আমার মত ঠিক যে কী তা সংগ্ৰহ করা সহজ নয়। ৰাল্যকাল থেকে আজ পর্য্যস্ত দেশের নানা অবস্থা এৰং আমার নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল আমি চিন্তা করেচি এবং কাজও করেচি । যেহেতু বাক্য রচনা করা আমার স্বভাব সেই জন্তে যখন যা মনে এসেচে তথনি তা প্রকাশ করেচি। রচনাকালীন সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনের সঙ্গে সেই সব লেখার যোগ বিচ্ছিন্ন করে দেখলে তার সম্পূর্ণ তাৎপৰ্য্য গ্রহণ করা সম্ভবপর হয় না। যে মহিষ স্বদীর্ঘকাল থেকে চিন্তা করতে করতে লিখেচে তার রচনার ধারাকে ঐতিহাসিকভাবে দেখাই সঙ্গত। যেমন এ কথা বলা চলে না যে, ব্রাহ্মণ আদি চারিবর্ণ স্বাক্টর আদিকালেই ব্ৰহ্মার মুখ থেকে পরিপূর্ণ স্বরূপে প্রকাশ পেয়েছে, যেমন স্বীকার করতেই হৰে আৰ্য্যজাতির সমাজে বর্ণভেদের প্রথা কালে কালে নানা রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে পরিণত, তেমনি করেই অন্তত আমার সম্বন্ধে জানা চাই, যে, রাষ্ট্রনীতির মতে বিষয়ে কোনো বাধা মত একেবারে স্বসম্পূর্ণভাবে কোনো এক বিশেষ সময়ে আমার মন থেকে উৎপন্ন হয়নি, জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে নানা পরিবর্তনের মধ্যে তার গড়ে উঠেচে । সেই সমস্ত পরিবর্তন পরম্পরার মধ্যে নিঃসন্দেহ একটা ঐক্যসূত্র আছে । সেইটিকে উদ্ধার করতে হলে রচনার কোন্‌ ংশ মুখ্য কোন অংশ গৌণ, কোনট তৎসাময়িক, কোনটা বিশেষ সময়ের সীমাকে অতিক্রম করে প্রবহমান সেইটে বিচার করে দেখ চাই। বস্তুত সেটাকে অংশে অংশে বিচার করতে গেলে পাওয়া যায় না, সমগ্রভাবে অহুভব করে তবে তাকে পাই। বইখানি পড়ে আমি নিজের মতের ঠিক চেহারাটা পেলুম না। মন বাধা পেল। বাধা পাবার জন্তান্ত কারণের মধ্যে একটা কারণ এই যে, এর মধ্যে অনেক उड#भां चां८छ् बांब्र छांवl चांभांग्न नब्र, यथछ च्यांभांब्र ८श नग्न डांग्न निनर्लन cनहे । छांयांब्र देक्ठि अटनकथांनि क्षों कछ । cग$1 रुर्थन बांग *८फ़ ठशन कथांब्र अर्थ পাওয়া ষায় কিন্তু তার ব্যঞ্জন মারা পড়ে.। আর বাই হোক निटखब्र छांबांब्र शांब्रूिष निळखटक निrठहे श्इ किरू चटनाग्न ভাষার দায়িত্ব নেওয়া চলে না । তৰু এই ক্রটিকেও উপেক্ষা করা চলে—কিন্তু একথ। বলতেই হোলো যে নানা লেখা থেকে বাক্য চয়ন করে আমার মত্তের যে একটা মূৰ্ত্তি দেওয়া হয়েচে, তাতে অংশত হয় তো সব কথাই আছে কিন্তু সমগ্রত মোট কথাটা প্রকাশ পায় নি। এরকম হওয়াটা বোধ করি অবগুম্ভাবী। কোন কথাটার গুরুত্ব বেশী কোনটার কম, লেখক সেটা স্বভাবত নিজের অভিমত ও রুচির দ্বারা স্থির করেন এবং সেই ভাবেই সমস্তটাকে গড়ে তোলেন । এই উপলক্ষ্যে আমার সমস্ত চিন্তার ক্ষেত্রের উপর নিজেকে একবার দৃষ্টিক্ষেপ করতে হোলো। রাষ্ট্রীক সমস্ত সম্বন্ধে আমি কি ভেবেছি কি বলতে চেয়েছি তা নিজেই কুড়িয়ে এনে সংক্ষেপে আঁটি বধিবার চেষ্টা করা ভালো মনে করি । এ জন্তে দলিল ঘাটব না, নিজের স্মৃতির উপরিতলে স্পষ্ট হয়ে যা জেগে আছে তারি অনুসরণ कुद्भद ! বালককালের অনেক প্রভাব জীবন পথে শেষ পৰ্য্যন্ত সঙ্গী হয়ে থাকে ; প্রত্যক্ষ না থাকলেও তাদের প্রণোদনা থেকে যায়! আমাদের ব্রাহ্ম-পরিবার আধুনিক হিন্দুসমাজের বাহ আচার-বিচার ক্রিয়া-কৰ্ম্মের নানা আৰম্ভিক বন্ধন থেকে বিযুক্ত ছিল। আমার বিশ্বাস, সেই কিছু-পরিমাণ দূরত্ব বশতই ভারতবর্ষের সর্বজনীন সৰ্ব্বকালীন আদর্শের প্রতি আমার গুরুজনদের শ্রদ্ধা ছিল অত্যন্ত প্রবল। সেই গৌরববোধ সেদিন নানা আকারে আমাদের বাড়ির অন্তঃপ্রকৃতি ও বাইরের ব্যবহারকে অধিকার করেছে। তখনকার দিনে প্রচলিত जांइटैनिक श्कूिषtईब्र थछि वैiप्नब्र चांश विकणि७ হ’ত তাদের মনকে, হয়, যুরোপের অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশেষ ছাদের নাস্তিকতা, অথবা খৃষ্টান-ধৰ্ম্মপ্রবণতা পেয়ে বসত। কিন্তু একখা সকলের জানা, ষে, সেকালে আমাদের পরিবারে ভারতেরই শ্রেষ্ঠ আদর্শের অনুসরণ করে ভারতের ধৰ্ম্ম সংস্কার করবার উৎসাহ সৰ্ব্বদা खाँञख हिण । -