পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় সংখ্যা ] রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রনৈতিক মত ›ዓ<) - বলা বাহুল্য বালককালে স্বভাবতই সেই উৎসাহ আমার মনকে একটি বিশেষভাবে দীক্ষিত করেচে। ८गहे छांबछि ७३ cष, चौबटनब्र षा किङ्ग भङ्खभ मांन তার পূর্ণ বিকাশ অামাদের অন্তঃপ্রকৃতির মধ্য থেকেই। আমাদের স্বভাব সীমার বাইরে শ্রেষ্ঠ জিনিষের অভাব নেই, লোভনীয় পদার্থ অনেক আছে, সে সমস্তকে আমরা গ্রহণ করতে পারিনে যদি না আমাদের প্রকৃতির মধ্যে তাদের আত্মসাৎ করি । যখন আমরা বাইরের কিছুতে মুগ্ধ হই তখন লুব্ধ মন অনুকরণের মরীচিকা বিস্তারের দ্বারা তাকে নেবার জন্তে ব্যগ্র হয়। অন্থকরণ প্রায় অতিকরণে পৌঁছয়, তাতে রঙ চড়াই বেশি, তার আওয়াজ হয় প্রবল, তার আক্ষালন হয় অত্যুগ্র, অত্যন্ত জোর করে নিজের কাছে প্রমাণ করতে চেষ্টা করি জিনিষটা আমারই, অথচ নানা দিক থেকে তার ভঙ্গুরত তার আত্মবিরোধ প্রকাশ পেতে থাকে। বাইরের জিনিষকে যখন আপন অন্তরের করি তখন তার ভাবটা বজায় থাকতে পারে তৰু তার প্রকাশটা হয় নিজের মতো। কিন্তু যতক্ষণ সেটা আমাদের বাইরে জোড়া থাকে ভিতরে মিলে না যায়, ততক্ষণ সেটা হয় মোটা কলমে দাগ-বোলানো অক্ষরের মতে, মূলের চেয়ে আকারে বড়ো, কিন্তু একেবারে তা’র গায়ে গায় সংলগ্ন । তার থেকে স্বতন্ত্ৰ হ’য়ে সে-অক্ষর লেখকের আপন বাক্যে লেখকের অাপন চিস্তিত ভাবকে লিপিবদ্ধ করতে পারে ন। আমাদের রাষ্ট্রীয় চেষ্টায় বাইরে থেকে, ইস্কুলে পড়ার বই থেকে, আমরা যা পেয়েছি তা আমাদের প্রাণে সৰ্ব্বাঙ্গীন হয়ে ওঠেনি ব’লেই, অনেক সময় তা’র বাইরের ছাদটাকেই খুব আড়ম্বরের সঙ্গে রেখায় রেখায় মেলাবার গলদঘর্থ डे कब्रि-७ष९ cनहे भिनछ्रेयू घछिं८ब्रहे भटन कब्रि यां বার তা পেয়েছি, যা করবার তা করা হোলো । 'गांशन” श्रृंबिकांष्ट्र ब्रॉीघ्र दिवtब्र जांभि cयथभ’ प्लिांकन शक्र कब्रि । छांटड चांभि ७हे कथांग्लांब्र পরেই বেশি জোর দিয়েছি। তখনকার দিনে চোখ দিয়ে ভিক্ষা করা, ও গলা মোট করে গবলেটকে ै कब्र cनषांटनांदे यांभब्रां बैौब्रष द८ण ग्रंथा क'ब्रटडभ । निप्रिब cषप्न ८णांजिकिोण चशबगांदबब cगश् चबाणद


eso-so "

ভূমিকার কথাটা আজকের দিনের তরুণের ঠিকমতে৷ কল্পনা করতেই পারবেন না। তখনকার পলিটিকসের সমস্ত আবেদনটাই ছিল উপরওয়ালার কাছে, দেশের লোকের কাছে একেবারেই না । সেই কারণেই প্রাদেশিক রাষ্ট্র সম্মিলনীতে, গ্রাম্যজনমণ্ডলী সভাতে, ইংরেজি ভাষার বক্তৃতা করাকে কেউ অসঙ্গত ব’লে মনে ক’রতেই পারতেন না। রাজসাহী সম্মিলনীতে নাটোরের পরলোকগত মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের সঙ্গে চক্রান্ত করে সভায় বাংলা ভাষা প্ৰবৰ্ত্তন করবার প্রথম চেষ্টা যখন করি, তখন উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় প্রভৃতি তৎসাময়িক রাষ্ট্রনেতারা আমার প্রতি একান্ত ক্রুদ্ধ হয়ে কঠোর বিরূপ ক’রেছিলেন। বিদ্ধপ ও বাধা আমার জীবনের সকল কৰ্ম্মেই আমি প্রচুর পরিমাণেই পেয়েছি, এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় নি। পর বৎসরে রুগ্নশরীর নিয়ে ঢাকা কনফারেন্সেও আমাকে এই চেষ্টায় প্রবৃত্ত হতে হয়েছিল। আমার এই স্বষ্টিছাড়া উৎসাহ উপলক্ষ্যে তখন এমনতরো একটা কানাকানি উঠেছিল যে, ইংরেজি ভাষায় আমার• দখল নেই ব’লেই রাষ্ট্রসভার মতো অজায়গায় আমি বাংলা চালাবার উদ্যোগ করেছি। বাঙালীর ছেলের পক্ষে যে গালি সব চেয়ে লজ্জার সেইটেই সেদিন আমার প্রতি প্রয়োগ করা হয়েছিল, অর্থাৎ ইংরেজি আমি জানিনে। এত বড়ো দুঃসহ লাঞ্ছনা আমি নীরবে সহ করেছিলুম তার একটা কারণ, ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় বাল্যকাল থেকে আমি সত্যই অবহেলা করেছি, দ্বিতীয় কারণ, পিতৃদেবের শাসনে তখনকার দিনেও আমাদের পরিবারে পরম্পর পত্ৰলেখা প্রভৃতি ব্যাপারে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার অপমানজনক বলে গণ্য হ’ত । हेष्ठिभ८था कांडर्बन जांtफेब्र छ्दू८भ निझौब्र अब्रवॉ८ब्रब्र উদ্যোগ হোলো। তখন রাজশাসনের তর্জন স্বীকার করেও জামি তাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছিলুম। সেই প্রবন্ধ যদি হাল আমলের পাঠকের পড়ে দেখেন তবে দেখবেন, ইংরেজের সঙ্গে ভারতবাসীর রাষ্ট্রক সম্বন্ধের বেদন ও অপমানটা ষে কোথায় আমার সেই cनषांब कडकü| ●थकां* कट्ब्रछिं । चांभि ७३ बलएउ চেয়েছিলুম, দরবার জিনিষটা প্রাচ্য,-পাশ্চাত্য কর্তৃপক্ষ 鳴