পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় সংখ্যা ] மூ বেদাস্তবাগীশ মশাই বলতে লাগলেন, সাধারণ মানুষের মতই আমার জীবন আরম্ভ হয়। কৈশোরে আমার স্মৃতিশক্তি কিছু বেশী ছিল, তাই আমার শিক্ষাগুরুর আমি একান্ত প্রিয়পাত্ৰ হ’য়ে উঠি । হয়তো সেকালে দেহসৌষ্ঠবও আমার ছিল কিছু । তাই গুরুগৃহে বিদ্যার সঙ্গে তার কন্যাটিকেও লাভের সৌভাগ্য আমার ঘটে ! আমাদের দু’জনের মধ্যে একটা নিবিড় ভালবাসা জন্মায়। ভালবাসার, মণির মতই জালাহীন দীপ্ত, মনকে স্নিগ্ধ করে, পূর্ণ করে ; হৃদয়ের মধ্যে অমিত শক্তির সঞ্চার করে। তাই দয়িতাকে পাবার জন্যে আমি তিলমাত্র চঞ্চল হই নি । যে অটুট ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষ করতে পারে, ঈপিাত डॉब्र ब्रांड श्घ्रशें । কিন্তু স্থখসম্পদ, সৌভাগ্য মানুষের চিরদিন থাকে ন। একটি পুত্ৰ দান ক’রে, স্ত্রী আমার পরলোকের ধাত্রী হইলেন। বোধ করি ভালবাসায় আমাকে আরে৷ সমৃদ্ধ করে তোলবার জন্যই এই নিষ্ঠুর বিধান তার ! ছেলেটিকে জননীর স্নেহ দিয়ে আমি মানুষ ক’রে তুললাম। সে সকল বিদ্যায় পারদর্শী হ’য়ে আমাদের বংশের প্রদীপের বঙই চতুর্দিক আলো করে উঠেছিল সেদিন । । এ পর্য্যন্ত বলে বেদাস্তবাগীশ মশাই যেন একটু ইতস্তত করতে লাগলেন । ) কিন্তু একটা ব্যাপার নিয়ে তার সঙ্গে আমার পৃথক্য হয়ে গেল। ধৌবনে আমিও ভালবেসেছিলুম, সৌভাগ্যবশেই হয়তো সফল মনোরথ হয়েছিলুম। কিন্তু গাবিনস্কিনার আমার সঙ্গতির সীমা অতিক্রম করে এক অসবর্ণ কঙ্কার প্রেমে মুগ্ধ হয়েছিলেন। আমাদের দোল যে, আমরা মহিষের বিচার করি বিচারকের নিরপেক্ষত দিয়ে নয়, আমাদের প্রবৃত্তি সংস্কার tधब६ गार्तिां°ब्रि जख्झांडाब्र निष्ठेब्र भन जिtछ । ७ रुषः মনে থাকে না যে, জীবনের মধ্যেই কল্যাণ ; বিধিবিধানে ७iब्रि छ८षांक्षन, चांदांझ्न ।

পিতৃঋণ ২১৭ তাই প্রিয়তম পুত্রের সঙ্গে ও আমাদের বিচ্ছেদ হ’য়ে যায় চিরদিনের জন্ত ; হয়ত জন্মজন্মান্তরের জন্ত...যদি তা থাকে ! গোবিন্দম্বন্দরকে ডেকে বললুম, বাব, পৃথিবীর মধ্যে তুই আমার সর্বাধিক প্রিয় ; তাই তোর কলঙ্কে আমার অপরিসীম ব্যথা, মৰ্ম্মান্তিক আঘাত । পুত্র অটল। সে আমারি কাছে শিখেছিল, মাছুষ আগে, জাতি পরে ; মানুষের সঙ্গে মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্বন্ধ প্রেমের ; রক্তের সম্বন্ধ তার চেয়ে নিকৃষ্ট । এই সত্যের উপর দাড়িয়ে সে বললে, আf ঘর চাইনে, দোর চাইনে, পিতৃ-বংশের মর্য্যাদ। চাইনে, আমি চাই কল্যাণীকে । 蠍 বল্লুম, কিন্তু কল্যাণী যে শূদ্রাণী। গোবিন্দ নিৰ্ব্বাক হয়ে মাথ। অবনত করে দাড়িয়ে রইল, আর দুষ্ট চোখ দিয়ে তার তরল আগুন টপ টপ, করে মাটিতে পড়তে লাগল । বুঝলুম, বৃথা তাকে বাধা দেওয়া । পুত্রের সৌভাগ্যে স্বী হওয়ার। গভীর রাত্রে সেই আমি হয়েছি, আর ফিরিনি। জানিনে, কোন দিন জানার ইচ্ছা পৰ্য্যস্ত হলো না যে, কি হলে আমার ছেলের, কি হলে আমার ভিটেমাটির । পথিক, শুধু চলেছি, জানিনে কোথায় সে পথের শেষ, কবে সে শেষ আসবে ! পদ্ম-পাতার উপর জলের বিন্দুটির মতই এ জীবন টল টল করে ! কিসের জন্য এ চাঞ্চলা, কে বলবে! মাহুষ জানার ভাণ করে, এখনো মানুষের সবই বাকি चां८झ खान्टङ ! তখন আমি কাশীতে, এই বাড়ীতেই সংবাদ পেলুম গোবিন্দ আত্মহত্যা করেছে। বুকট ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল। কোথায় একদিনের জন্য বিশ্রাম করতে মন চায়নি, কেবলি চলেছি, ছুটেছি— ঠিক যেন পালিয়ে চলেছি...হিমাচলে গেলে মনে হয় শাপ্তি ঐ মহাসমূত্রে—আবার সমূত্রে যেন দেখি বৃথা আশ, ভিটে থেকে বা’র