পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় সংখ্যা ] মহামায়া ఇలి(t মধ্যে একটা দারুণ অসোয়াস্তি ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সত্য হয়ে উঠবেই। তাদের মনে হবেই যেন কি থেকে তারা বঞ্চিত হয়ে হ’য়ে চলেছে। ষেন কোন দূর তীর্থ লক্ষ্য করে তারা যাত্রা করেছিল, কিন্তু মাঝের পান্থ-নিবাসই তাদের অসত্য করে তুলল। তাদের কারো-না-কারো মনে এই কথাটা ধীরে ধীরে সত্য হ’য়ে উঠবেই যে, এই পৃথিবীর সঙ্গে আত্মীয়তা যত নিবিড়, যত গভীরই হোকৃ না কেন মানুষকে তা চিরকালের তৃপ্তি দিতে পারে না । মানুষ কেবল মাছুযই নয়—সে যেন আরও কি। এই বিরাট বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডে এই পৃথিবী কতটুকু ! তার মধ্যে আবার এই মানুষ কতটুকু ! কিন্তু সেই মানুষের মনের হিসাব, আত্মার হিসাব পৃথিবীর जै क्रूज चांबङ८मब्र य८षा cनहे-चाप्इ ॐ विश्व-उकां८७ब्र বিরাটত্বের মধ্যে। হাজার স্থখ . শান্তি স্বাচ্ছদ্য আরামের মধ্যেও সে চঞ্চল হয়ে উঠবে—ম্বদূরের পিয়াসী হ’য়ে উঠবে। সে বলবে—এইখানেই আমি শেষ নই— cकाद्वनाथाप्नई बांधि ८*ष नहें । बांधि छजव चांभांब्र চেতন-লোকের আলোকে আলোকে-আমার শক্তির ইগারায় ইসারায়—আমার আনন্দ-লোকের স্বরে স্বরে। আমি দেবতা—আমি অমৃত পিয়াসী—আমি— সেদিন সে স্পষ্ট আবিষ্কার করবে যে, কাবুলিওয়াল৷ তাকে ঠকিয়েছে। মহামায়া ঐসীতা দেবী 8 প্রথম দিন ষ্টীমারে খাওয়া-দাওয়া লষ্টয়া বিশেষ কিছু গোলমাল হইল না। ফল-মিষ্টি খাইয়া ইন্দু রহিল, সঙ্গে সঙ্গে মায়াও তাঁহাই করিল। বিকালের দিকে নিরঞ্জন জাসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “কি রে ইন্দু, কোনো अष्ट्रविक्ष श्रष्क्ल न उ ?” ইন্দু হালিয়া বলিল, “আর কোনো অস্ববিধে নেই মেজদ, কেবল এই খুপরীর মদো বলে প্রাণ ইপিয়ে উঠছে । সামনের ঘরেই একগাদা মুসলমান, তাদের ভয়ে দরজাও খুলতে পারছি না।” নিরঞ্জন বলিলেন, “স্বচ্ছন্দে দরজা খোল, কোনো ভাবনা নেই। ষ্টীমারে কেউ কিছু করতে কখনও ভরসা করে না। তা চল না একটু উপরের ডেকে বেড়াবি, সারাদিন কেবিনে বসে থাকার কি দরকার ?” ইন্দুর বিশেষ আপত্তি ছিল না, কিন্তু মায়া প্রস্তাব उनिब्बाहे यां९काहेब्रा ऐद्वैिल । बलिन, “ना शिनियां, कांब নেই গিয়ে, যা লোকের ভিড়। সব ই করে চেয়ে থাকে।” নিরঞ্জন বলিলেন, “চেয়ে থাকলেই বা ক্ষতি কি - তা না যেতে চাও যেয়ো না। অামার চেনা এক ভদ্রলোক যাচ্ছেন সপরিবারে, তাদের কেবিনে যাবি ?” ইন্দু বলিল, “ওমা তারই গিরিকে তাহলে স্বানের ঘরে দেখলাম। বেশ ফরস। রং, চোখে চশমা, খুব মেমসাহেবী সাজ । তোমাকে চেনে বলেও বললে । কি নাম ভদ্রলোকের ?” নিরঞ্জন বলিলেন, “নগেনবাবুর স্ত্রীই হবেন। জাহাজে বাঙালী মেয়ে আর কেউ নেই। চল, যাবি ত নিয়ে যাচ্ছি।” ইন্দু জিজ্ঞাসা করিল, “ম্বর এমনি খোলা থাকবে নাকি ? এত জিনিষপত্র রয়েছে।” নিরঞ্জন বলিলেন, “তালা দিয়ে যাওয়া যাক । এখানে চোরের অভাব নেই। আমার কাছে তালা আছে নিয়ে আসছি।” কেবিনে তালা বন্ধ করিয়া তাহারা বাহির হইয়া পড়িলেন। নগেনবাবুদের কেবিন কিছুদূরে, ধুজিয়া