পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ՀՎԶԵ প্রবাসী –অগ্রহায়ণ, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড . বাহির করিতে হইল। ভদ্রলোক কেবিনেই ছিলেন, নিরঞ্জনের ডাকে বাহির হইয়া আসিলেন। “ওঁরা ভিতরেই আছেন সব। চলুন, আমরা ডেকে বেড়াই,” বলিয়া তিনি নিরঞ্জনকে টানিয়া লইয়া প্রস্থান করিলেন। নগেনবাবুর স্ত্রী তাড়াতাড়ি বাহিরে আসিয়া মায়াকে এবং ইন্দুকে অভ্যর্থনা করিলেন। এখন আর তাহার অত সাজসজ্জা নাই। চুল খোলা, পরণে শান্তিপুরে শাড়ী, পায়ে মখমলের চাট । মায় এবং ইন্দু একটু সঙ্কুচিতভাবেই আসিয়াছিল, কিন্তু ভদ্রমহিলার সাদর সম্ভাষণে একটু যেন নিশ্চিন্ত शृङ्गेश छिडाब छूकिण। ७क बल्ल मण दाहब्रांब्र cइटण এস, একটি পনেরো বোলো বছরের মেয়ে অভ্যাগতাদের খিয়া ঝোলান খাট ছাড়িয়া উঠিয়া দাড়াইল । বালক লিল, “মা আমি চললাম বাবার কাছে।" মায়ের *:মতির অপেক্ষ না করিয়াই সে ছড়মুড় করিয়া বাহির ং ইঃ গেল । নগেনবাবুর স্ত্রী একটু হাসিয়া বলিলেন, “মন্ট, "ার ঐ একরকম। এমনিতে তো মুখে খৈ ফোটে, ীির অন্ত নেই। কিন্তু বাইরের লোক যদি দেখলে তা হলেই হ’য়েছে। একেবারে দেশছাড়া হ’য়ে যাবে। ওরে বাণী, একটা মাছর-টাছুর পেতে দেন, এরা বসবেন।” বাণী তাড়াতাড়ি একটা জাপানী ছবি আঁকা মাছর জানিয়া কেবিনের মেঝেতে কোনোমতে জায়গা করিয়া পাতিয়া দিল। তাহাদের সবে বোধ হয় চা খাওয়া শেষ হইয়াছে, পেয়াল, পিরীচ, প্লেট, সব চারিদিকে ছড়ানো। মায়া ত ছোয়াছুই হইবার ভয়ে একেবারে কোণ ঘেষিয়া যথাসম্ভব নিজেকে বাচাইয়া বসিল । গৃহিণী ব্যাপারটা বুঝিয়া কস্তাকে বলিলেন, “পেয়ালটেয়ালাগুলো একটু এক জায়গায় করে রাখ, বয়টা এলে নিয়ে যাবে।” বাণী সব কিছু এক ঠেলায় খাটের নীচে চালান করিয়া দিল এবং বোধ হয় অভ্যাগতাদের খাতিরেই তাহার পর হাতটা ধুইয়া ফেলিল । ইন্দু জিজ্ঞাসা করিল, “আপনার এই দুটিই বুৰি ? আর হয়নি ?” গৃহিণী বলিলেন, “আর একটি ছেলে আছে, সে ঘরে কিছুতেই থাকতে চায় না,চাকরের সঙ্গে ওপরে বেড়াচ্ছে। রাত্রে কেবল ভিতরে এসে শোয়, সারাদিন ডেকেই থাকে ৷” ইন্দু বাণীর দিকে তাকাইয়া বলিল, “মেয়ের বুঝি এখনও বিয়ে হয়নি - बांगै चकन्बा९ उब्रांनक गर्छौब्रखएव चछनिtरू भूर्भ ফিরাইয়া লইল । তাহার মা বলিলেন, “না, কৈ জার হয়েছে। ওঁর মেয়েদের ছোটবেলায় বিয়ে দেওয়া মত নয়। এখনও পড়ছে, গান-টান শিখছে ।” ইন্দু ৰলিল, “গুম, তাহলে আমার মেজদারই দলের লোক। এই নিয়ে তাতে আর বেীতে তো চিরদিন লাঠালাঠি হল। এখন অবিশ্যি র্তার মতই চলবে। বে তো মেয়ের বিয়ের সব জোগাড় করছিল, এমন সময় তার ডাক পড়ল।” মৃত জননীর প্রসঙ্গে মায়ার চোখে জল আলিয়া পড়িল। সে মুখ ফিরাইয়া চোখ মুছিতে লাগিল । নগেনবাবুর স্ত্রী কথাটা চাপা দিবার জন্ত বলিলেন, “কি রে বাণী, মুখ হাড়ি করে বসে রইলি ৰে ? মায়ার সঙ্গে একটু গল্প-স্বল্প কর না ? এখন তো একদেশেই থাকবি। যদিও আপনাদের বাড়ী অনেকটাই দূরে, তাহ’লেও মাঝে মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ তো হবেই।” বাণী একটু অগ্রসর হইয়া জাসিয়া বলিল, “এমনি বা কি দূর । কোকাইনে তো এখন ইচ্ছে করলে আধ ঘণ্টায়ই পৌছন যায়। বাবা যে সারাদিন গাড়ী নিয়ে খালি কাজে ঘোরেন, তা না হ’লে আমরা কত জায়গায় যেতে পারি।” বাণীর মা হাসিয়া বলিলেন, “তোর বাবার না হয় ७कथांना भांज गंॉफ़ेौ । यांब्रांब्र बांदा ठ छन्झि cष८बब्र छtछ चां८णं ८षट्कहे च्षांलांना ग्रंॉफ्नैौ क्टिन cब्र८१८छ्न, ठांब्र ८वफ़ांबांब्र किङ्ग चशक्षिा रुटब ना । उथन भटन कदब्र जांभांटनग्न बांफ़ौ बांटक भांटक ७न, भी जबौ।” মায়া চুপ করিয়া শুনিয়া যাইতে লাগিল। বাণীর সঙ্গে গল্প করিতে তাহার ইচ্ছা করিতেছিল বটে, কিন্তু কি কথা ষে সে বলিবে তাহা ভাবিয়াই পাইল না। ইন্দু