পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬৪ -किहूहे नl । जककांब्र बटल' यांथांब्र ८लांटकब्रां মশাল জেলেচে, তাই কেউ কিছু মনে করে থাকৃবে। —কর্তার সঙ্গে দেখা হয়েচে ? - —হৰে এখন, সেজন্য বিশেষ কিছু তাড়া নেই। রাধানাথ ব্ৰজনাথের মুখের দিকে চাহিয়া আর কোন कथा कहिल नां । डांशं८क गटक कब्रिञ्च बांफ़ौद्ध छिडब्र जहेड़ cनंन । उथन खटबद्र खकडांद्र नब्रिवट6 चानम কোলাহল উখিত হইল। হেমাঙ্গিনীর ঘরে আসন भांडिब्र जांभाहेक वनान श्रेण। अबनाथ ७कभूर्ण মোহর দিয়া হেমাঙ্গিনীকে প্রণাম করিল। তিনি বলিলেন,—থাকৃ থাকৃ, তোমাকে আমরা দেখতে পেয়েচি এই আমাদের কত ভাগ্যি। রাধানাথ ফল করিয়া আবার বাহিরে চলিয়া গেল । মশাল সমস্ত নিভাইয়া দেওয়া হইয়াছে, গদা আর তাহার জল নিতান্ত ভাল মানুষের মত দাড়াইয়া আছে। কাহারও হাতে কোন অন্ন নাই। বরদাকান্ত মুখ ভার করিয়া বৈঠকখানায় বসিয়া আছেন। রাধানাথ গিয়া ধীরে ধীরে ৰগিল,-জামাইয়ের সঙ্গে দেখা হয়েচে ? বরদাকান্ত জলিয়া উঠিলেন,-আমার বাড়ীতে জামাকে অপমান! এত বড় আম্পৰ্ধা! —কে অপমান করলে ? —এ সব ডাকাতের দল, আমাকে ঘরে আটকে রেখেছিল, বেরুতে দেয় নি। রাধানাথ ঠাকুর ফিরিয়া ভিতরে গেল । মনে একটা উৎকট আনন্দ হইতেছিল। বাড়ীর ভিতর মেয়ের সকলে ব্ৰজনাথকে ঘিরিয়া বসিল । হেমাঙ্গিনী উঠিয়া গিয়া জামায়ের আহারের আয়োজন করিতে লাগিলেন । অপর মেয়েদের সঙ্গে হরিমতীও ব্ৰঞ্জনাথের সাক্ষাতে আসিলেন। স্বরমা তাহীকে হাজার ভয় করিলেও স্বযোগ পাইয়া কুটস্ করিয়া কামড় দিতে চাড়িল না ! বলিল,—ইনি আমাদের নতুন ঠানদি। তাহার ব্ৰজনাথ হরিমতীকে প্রণাম করিয়া বলিল—সে রাত্রে । -ত আপনাকে দেখিনি । —জামি ঐক্ষেত্ৰ গিয়াছিলাম, এই কিছুদিন হ’ল ফিরেচি। আমি শুনলুম বিয়ের রাত্ৰে তুমি নাকি চোরের প্রবাসী— অগ্রহায়ণ, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড মতন পালিয়ে গিয়েছিলে ? আর আজ যখন এলে তখন সবাই মনে করেছিল বাড়ীতে ডাকাত পড়েচে । ব্যাপারशांना कि ? —এমনি ত হয়ে থাকে, আগে চুরি তার পর ডাকাতি। তা আমি আপনাদের নির্ভর দিচ্চি, কিছু লুঠপাট হবে না। —সে কথা বললে শুনব কেন ? আমাদের বাড়ীর সাত আদরের মেয়েকে নিয়ে যাবে আর তুমি ডাকাত নঙ ? —আপনারাই ত আমাকে সেধে এনে দিয়েছিলেন। সকলে হাসিতে লাগিল। রমণীদের মধ্যে একজন বলিলেন,—জামাইয়ের সঙ্গে কথায় পারবার জো নেই, বিয়ের রাত্রেই তা আমরা দেখেছিলুম। হরিমতী বলিলেন,—তাইতে দেখচি। কি গো জামাই, তুমি না কি অনেক টাকা রোজগার করে এনেচ ? কথা বেচে বুঝি ? — সে ব্যবসা আপনাদের } আপনাদের একচেটে। —তুমি এই বয়সে এত কথা শিখলে কোথেকে ? —আপনাদের পাঠশালায় পড়ে । যেমন গুরু তেমন চেলা ৷ - —তা হলে তুমি সারাক্ষণ মেয়ে-মহলেই বেড়াও ? —আর কি করি বলুন ? ঐ মহলই তো সব চেয়ে বড় মহল । —আচ্ছ, তামাসা রেখে তুমি একটা সত্যি কথা বল দেখি । বিয়ে ত তোমার হঠাৎ হ’ল, কিন্তু অনেক খুজে পেতে দেপলেও কি এর চেয়ে ভাল বউ পেতে ? —ও কথার আমি কি উত্তর দেব ? পড়ে পাওয়া চোদ পোয়া । - —আমাদের মেয়ে বুঝি কুড়িয়ে পাওয়া হ’ল ? —না হয় আমিই কুডুনো। কুড়িয়ে পাওয়া জামাই আপনাদের কেমন ঠেকৃবে ? —আমাদের মুণে নিজের স্বখ্যাত শুনতে চাও? —এতক্ষণ ত শুনচি, না হয় আর একটু শুনলুম। —কথায় তো তোমায় খুব টনকে দেখচি, কাজের বেলা কি সেই রকম খাটি ? কথার মহাজনী