পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় সংখ্য। ] - AAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAA AAAA AAAA SAAAAAMAMAAA AAAA SAAAAA S —গাটি কি মেকি বাজিয়ে দেখলেই পারেন । হরিমতী মনে মনে খুলী হইলেন। জামাই বেশ চালাক চতুর, হাসিমুখ, কথাবাৰ্ত্তায় খুব চটপটে । হরিমতী অন্তকথা পাড়িলেন । হিজলীতে ব্ৰজনাথ কিসের ব্যবসা করিতে গিয়াছিল, কোন ব্যবসায় কেমন লাভ, কলিকাতায় বসিলে কারবার বাড়িবার সম্ভাবনা, এই রকম অনেক কথা বলিলেন । ব্ৰজনাথ দেখিল এই রমণী অসামান্ত বুদ্ধিমতী, কাজকর্শ্বের বিষয় অনেক জানাশোনা আছে । গোড়াতে জামাইকে বিরূপ করিয়াছিলেন সেটা শুধু নিয়ম-রক্ষা, কথার পয়তার । হেমাঙ্গিনী আর এক ঘরে জামাইয়ের আহার সাজাইতেছিলেন । হরিমতী উঠিয়া গিয়া তাহাকে বলি:লন,—বউ, তুমি যে কত গুণের জামাই পেয়েচ ত৷ আমি বলতে পারি নে । ওর সঙ্গে কথা ক’য়ে আমার বড় আহিলাদ হয়েচে । —ঠাকুরঝি, তুমি তো মানুষ চেনে, তুমি যখন ভাল বল চ তখন আমার আর কোনো ভাবনা নেই। যেমন হাতে মেয়ে পড়েচে তেমনি যেন মুখে থাকে। —তোমার মেয়ে রাজরাণীর চেয়েও মুখে থাকৃবে। একেই বলে বিধাতার নির্বন্ধ ! না কথাবাৰ্ত্তা, ন দেখাশোনা, সন্ধোবেলা যার মুখ দেখা তার সঙ্গে বিয়ে! দেবতা যেন রাধানাথ ঠাকুরের চোপে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে এই ছেলের সঙ্গে তিনি ইলুর সম্বন্ধ ঠিক করে রেখেছেন। ভবিতর্ব্যির সঙ্গে তো কারুর জোর চলে না। আমরা বসে’ বসে কত কি হিসেব করি আর ঠাকুর দেখে দেখে হাসেন । রাত্রিকালে ব্ৰজনাথের আস্থারের সময় হেমাঙ্গিনী উপস্থিত থাকিয়া থালা, বাট রেকাব সমস্ত সাজাইয়া দলেন। জামাইয়ের সম্মুখে বসিয়া তাহদের বাড়ীর ংবাদ জিজ্ঞাস করিতে লাগিলেন । আর এক ঘরে রিমতী ইন্দুকে জাহার করাইলেন। আiহারান্তে ব্ৰজনাথ উঠিয়া গিয়া আবার ঘরে বলিল । গইসময় বরদাকান্ত একবার আসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন,— মাইয়ের খাওয়া হয়েচে ? 98-రి ব্ৰজনাথের বিবাহ ২৬৫ একজন স্ত্রীলোক বলিলেন, —ই্য, এইমাত্র জামাই খেয়ে এল । বরদাকান্ত ব্ৰজনাথকে বলিলেন,—তোমাদের কি কালই যাওয়া হবে ? আর দুদিন থেকে গেলে হত না ? —বাব পাঞ্জি দেখে নিন স্থির করেচেন। কালষ্ট ত যাত্রার ভাল দিন । —তবে তাই হুধে । কাল সকাল বেগা পাওধt দাওয়া করে” ষেও । —যে আজে । হেমাঙ্গিনীকে বরদাকান্ত বললেন,—তোমরা ইঙ্গুর সব গোছগাছ করে রেগে । সে শ্বশুরবাড়ী যাবে । মেয়ের শ্বশুরবাড়ী যাইবার কথা হইতেই হেমাঙ্গিনীর চক্ষু জলে পূরিয়া আসিল । আঁচল দিয়া চক্ষু মুছিয়া কহিলেন, গোছগাছ সব করাই অাছে। বরদাকান্ত চলিয়া গেলেন। একটু পরেই ব্ৰজনাথকে শয়ন-গৃহে লইয়া গেল । ব্ৰজনাথ দেখিল প্রশস্ত সজ্জিত প্রকোষ্ঠ, একধারে বৃহৎ পালঙ্কে উৎকৃষ্ট শয্যা, দেয়ালে একজোড়া দেয়ালগিরি। দক্ষিণের জানালা খোলা, জানালা দিয়া আঞ্জমুকুলের সৌরভবাহী সমীরণ বহিতেছে। ব্ৰজনাথ জানালার গরাদে হাত দিয়া দাড়াইল। শুক্লপক্ষের অষ্টমী, জ্যোৎস্ন অধিক উজ্জল ন হইলেও বড় মধুর, চারিদিকে শুভ্র মায়ার আবরণ পড়িয়াছে। গাছের পাতায় মর্থর শব্দ, গাছের নীচে ছায়ার দোল । কখনো কোকিল ডালের ভিতর বসিয়া ডাকিতেছে, কখনো পাপিয়া আকাশ পরিপূরিত করিয়া ডাকিয়া উড়িয়া যাইতেছে। নিরবচ্ছিন্ন ঝিল্লীরবে কানন মুখরিত হইতেছে। ব্ৰজনাথের পিছন হইতে কে বলিল,—জানালা গোড়ায় দাড়িয়ে কি ভাবক ? ব্ৰজনাথ ফিরিয়া দেখে, মরমী । অবগুষ্ঠিত, সঙ্কুচিতকায়া অার একজন। স্বরম মল পরিত না, ইস্কুলেখা মল খুলিয়া রাখিয়াছিল। মুক্তারে দুইজনে নিঃশৰে ঘরে প্রবেশ করিয়াছিল। श्ब्रभांब्र गंtत्रं