পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


واول ج ব্ৰজনাথ সম্মিত মুখে কহিল,—তোমাকে ভাবছিলুম। তোমার সঙ্গে আমার কত দিনের ভাব । —আমাকে বই কি ! যা’র জন্যে ভাব ছিলে তাকে নিয়ে এসেচি। —তুমিও একটু বসে না, তোমার সঙ্গে অনেক কথা আছে । -ञांभांग्न मात्र त्रांदां★ कि कथl ! মানুষ ত পেয়েচ । স্বরম দরজা বাহির হইতে ভেঙ্গাইয়া দিয়া তাড়াতাড়ি চলিয়া গেল । ব্ৰজনাথ ইন্দুলেথার হাত ধরিয়া, আলোকের দিকে ফিরাইয়া, ধীরে ধীরে ঘোমটা খুলিয়া দিল । বাম হস্ত দিয়া কণ্ঠ আলিঙ্গন করিয়া কাছে টানিয়া লইল । অঙ্গে অঙ্গ পুষ্ট হইল, অঙ্গের সৌরভ অঙ্গে মিশিল । কথা কইবার প্রবাসী-অগ্রহায়ণ, ১৩৩৬ ബം **ം ബ: - --ബ ജ്ഞാ :یہ* - ھ بمم-- % مہم ہے SAAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA MMMAMMAAAS { ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড हेन्नृप्नथाब्र क्लिबूक मकिन इख निब अधनाथ उाशव्र गव्छরাগরস্থিত মুখ তুলিয়া ধরিল। আবার চারিচক্ষু মিলিল, আবার চক্ষে চক্ষে আলিঙ্গন, চক্ষে চক্ষে ভাষাতীত কথা । অনেকক্ষণ দুইজনে এইরূপ রছিল, কেহ কোন কথা কহিল না। ইন্দুলেখার চক্ষু ঈষৎ আর্দ্র, ওষ্ঠাধর ঈষৎ মুক্ত, হৃদয় ঈষৎ চঞ্চল। ব্ৰজনাথ মুগ্ধ, নিবিড়, নিৰ্ণিমেঘনয়নে সেই লাবণ্যের ছবি দেখিতেছিল। ব্ৰজনাথ বলিল,—আজ কি আমাদের বাকি বাসর, না ফুলশয্যা ? ইন্সুলেখার হাত ব্ৰজনাথের হাতে ঠেকিল, ইস্কুলেখার মস্তক ব্ৰজনাথের স্কন্ধে নমিত হইল । ইন্দুলেথা বলিল,-তুমি যা বল । ऊुiु মহিলা-সংবাদ ত্রিশ বৎসরের অধিক হইল পরলোকগত গুরুদয়াল সিংহ মহাশয় কুমিল্লায় “ত্রিপুরা হিতৈষী” নামক একটি শ্ৰীমতী উৰ্ম্মিল৷ সিংহ সাপ্তাহিক পত্রিকা স্থাপন করেন । “সিংহ প্রেস” নাম দিয়া একটি ছাপাখানাও তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন। পত্রিকাটি এখনও নিয়ম-মত চলিতেছে। গুরুদয়ালবাবুর মৃত্যুর পর তাহার পুত্ৰ শ্ৰীযুক্ত কমনীয়কুমার সিংহ কাগজখানি চালাইতেন। পাঁচ বৎসর হইল কমনীয়কুমার অকালে কালগ্রাসে পত্তিত হন । তদবধি র্তাহার বিধবা পত্নী শ্ৰীমতী উৰ্ম্মিল৷ সিংহ ধোগাভার সহিত “ত্রিপুর হিতৈষী’র সম্পাদকতা করিতেছেন এবং ছাপাখানাটও চালাইতেছেন। বাংলা দেশে অতি অল্পসংখ্যক মহিলা পত্রিকা সম্পাদন করেন। ইহা ঠাহীদের একটি কার্যাক্ষেত্র হওয়া উচিত, ও ইষ্টতে পারে। অতএব শ্ৰীমতী উৰ্ম্মিল। সিংহ মহাশয়ার দৃষ্টাস্ত অনুসরণীয়। শ্ৰীমতী স্থপ্রভ রায় ময়মনসিংহের বিদ্যময়ী বালিকা শিক্ষালয় এবং পরে কলিকাতার ডায়োসিজন কলেজ হইতে প্রবেশিক এবং বি-এ ও বি-টি পরীক্ষায় প্রশংসনীয় কৃতিত্ত্বের সহিত উত্তীর্ণ হন। বি-টি পরীক্ষা দিবার পুৰ্ব্বে তিনি বিদ্যাময়ী বালিকা শিক্ষালয়ে শিক্ষয়িত্রীর কাজ করিতেন । ঐ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয় তিনি ১৯২৮ সালে গবন্মেন্টের বৃত্তি পাইয়া শিক্ষা-প্রণালী অধ্যয়নাথ”বিলাত