পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ՀԵ-Ե প্রবাসী— অগ্রহায়ণ, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড MMMMAMAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAAA गर्नेौ बांश्कशन, शाशबा भूगड *षथनर्णरू, डांशंब्र गकां८ङ चानकफैोहे मूब ब्रश्शिंtछ । डांशराब खछ अ८°क न। कब्रिब्रहेि, बनञथ ५ब्रिघ्नl cगरण टैिंक बफ़ রাস্তায় পড়িব ভাবিয়া অগ্রসর হইলাম। সেইখানেই আমি একটা ভুল করিলাম। তখন বুঝিতে পারিলাম না। এইটুকু কেবল ধারণা ছিল যে, আমায় বামে যাইতে इ३८ब, cग३निएकहे शंख्या *ज्जांe । uक्रण छब्रकग्न छत्रणभग्न পথ হিমালয়ের উচ্চস্তবে নাই, উহা এই শিবালিকশ্রেণীর মধ্যেই । যাহা হউক আমি ত সেই সেতুটি পার হইয়া পাকদণ্ডি ধরিয়া চলিতে আরম্ভ করিয়া দিলাম। প্রাণে আনন্দ, শরীরে বল, হাতে পাহাড়ি লম্বা লাঠি, মাথায় পাকবাধ, গায়ে ছিল একটা জামার উপর পুরানো বর্ষাতি এবং নগ্নপদ। যতই পথ শেষ হইয়া আসিতেছিল ততই হিমালয়ের উপর একটি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করিতেছিলাম। এত কষ্টের তীর্থভ্রমণ ও কঠিন পথ প্রায় শেষ হইয়া আসিয়াছে। কাল আমরা সমতলভূমিতে পৌছিব এবং রেলষ্টেশন পাইব, কাজেই হিমালয়ের নির্জনতা যতটুকু পাওয়া যায় সবটুকুই উপভোগের জিনিয। এইভাবে চলনের তালে মগ্ন হুইয়াই যাইতেছিলাম। ক্রমশঃ পথটি মিলাইয়া যাইতে লাগিল, পথের রেখা ভাল দেপা যায় না। একস্থানে কতকটা চড়াইয়ের মত পথে বর্ষার ধারা নামিয়া স্থানে স্থানে গভীর দাগ পড়িয়া খাল হইয়া গিয়াছে। এইরূপ কতকটা উঠিয়া দেখিলাম, কতকগুলি শাখাযুগ খেলা করিতেছে। সেই স্থানটি এত পরিষ্কার যেন কেহ উহা সযত্নে পরিষ্কৃত করিয়া গিয়াছে, ঠিক যেন কোন ঋষির আশ্রম বা তপোবন । তখন প্রাণের ফুৰ্বি অবাধ,—অষ্টমনস্ক হইয় তাহার মধ্য দিয়াই চলিলাম। সেই স্থানটি বড় বড় গাছে পূর্ণ, ছোট গাছ কম। তাহার পর বৃক্ষশ্রেণীর উপর ঘন পত্রাচ্ছাদন হেতু স্থানটিতে স্থধ্যকিরণ প্রবেশ করিতে পারিতেছে না। সেইজন্ত সমগ্র ভূমিটি জুড়িয়া তাপহীন স্নিগ্ধ অন্ধকার, তাহারই মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এক এক খণ্ড উজ্জল কিরণ কচিৎ পত্রব্যবধান ভেদ করিয়া ভূমিম্পর্শ করিয়াছে, তাহাতে দৃগুটি আরও মনোহর করিয়া তুলিয়াছে। পথ ক্রমশ সঙ্কীর্ণত্তর হইতে হইতে কখন মিলাইয়া গিয়াছে দেখিতে পাই নাই। একতালে বেশ স্কৃৰ্ত্তিতেই চলিতেছিলাম। যখন লক্ষ্য আমার পথের উপর পড়িল তখন হঠাৎ পথ দেখিতে না পাইয়া চারিদিক চাহিয়া দেখিলাম ;—একি ! পথ কোথায় ! কোনো দিকে ত পথ বলিয়া কিছু দেখিতে পাইতেছি না। তাই ত পথ কোন দিকে ! তবে কি পথ হারাইলাম ? সেতু পার হইবার সময় হইতেই মনের মধ্যে এটি ঠিক ছিল যে, আমার গতি উত্তর-পশ্চিম কোণের দিকে। সম্মুখে কতকটা সমতল জঙ্গলের মধ্যে স্মৃত্তিকা মিশ্রিত প্রস্তর স্তর সমাকীর্ণ বনপথের মত বোধ হইতে লাগিল, উহ! পাকদণ্ডি ভাবিয়া সেইদিকেই চলিতে লাগিলাম। কতকটা যাইয়াই বুঝিতে পারিলাম, পথ বলিয়। যেটা ধরিয়া আসিয়াছি সেটি বিপথ । উহা এমন স্থানে আনিয়া ফেলিয়াছে যেখান হইতে পথ পাইবার কোনও সম্ভাবনা নাই, যেহেতু এই স্থানটি ঝুপি জঙ্গল হইতে আরম্ভ করিয়া বড় বৃক্ষ এবং বড় বড় গুন্মে পরিপূর্ণ। আশ্চৰ্য্য এই যে, মধ্যে মধ্যে দুই একটা কলাগাছ দেখা যাইতে লাগিল । তাহা দেখিয়া আমার এই বুদ্ধি উপস্থিত হইল যে, নিকটে নিশ্চয়ই পথ বা লোকালয় আছে,না হইলে এখানে কলাগাছ কেন ? মানুষে না বসাইলে কলাগাছ হইতেই পারে না । এই বুদ্ধিকে বলবৎ করিয়া আমি লতাগুল্ম পদদলিত করিয়া ত্বরিৎপদে চড়াইয়ের উপর উঠিতে লাগিলাম, কিন্তু হায়,-কল্পনা-পরিচালিত বুদ্ধি, স্বধৰ্ম্মভ্রষ্ট বুদ্ধি ফলে বিপরীতই ঘটাইল। পথও মিলিল না, লোকালয়ও মিলিল না। যদিও অন্তরের মধ্যে তখনও বিশ্বাস রহিয়াছে cरु, छत्रण श्हेप्ड बोश्ब्रि इहेब ब्र अर्थ निकङ्गहे प्रांसम्न] যাইবে, তখনও মনের বল হারাই নাই। ভাবিলাম সহজেই পথ খুজিয়া লইতে পারিব এখন জঙ্গল হইতে কোনক্রমে বাহির হইতে পারিলে হয়। দ্রুতগতিতে জঙ্গল ভাঙিয়া পা छांणाद्देणाभ । बांश्ब्रि हझेद कि, रुडहे अशगङ्ग इहेtछ লাগিলাম ততই ঘন জঙ্গল, গলিত শুষ্ক শাখাপত্রসস্কুল পথের চিহ্নপূক্ত বন সম্মুখে পড়িতে লাগিল। মধ্যে মধ্যে ब्रालिङ्गङ क्रूज बूझ९ नांना चांबख्न जडांसtष्हब भटश श्री জড়াইয়া যাইতে লাগিল। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, সূর্ব্যের