পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্ৰজনাথের বিবাহ ঐনগেন্দ্রনাথ গুপ্ত সপ্তদশ পরিচ্ছেদ ভোরের বেল উঠিয়া ব্ৰজনাথ হরেরাম সর্দারের বাসায় গেল। হরেরাম রাত্রেই গদার মুখে সব খবর পাইয়াছিল। ব্ৰজনাথকে দেখিয়া হরেরাম বলিল,—ছোটবাবু, আমি যে এখনি তোমার কাছে যাচ্ছিলুম। —এখানেই আমাদের কথাবাৰ্ত্ত ভাল কবে । রজনাথ হরেরামের হাতে ত্রিশটি টাকা দিল । যে *** 3থ টাকা সে বাড়ীতে দিয়াছিল তাহা ছাড়া একনাম কাছে আরও কিছু টাকা ছিল। ছ:রাম বলিল—ছোটবাবু, এখন ত তোমার টাকার *:gि", थाब्र चाशि उ फ़ेिब्रलांज३ cडांथांदमब्र शकि, 'কন্তু ? 'র মূখে যা শুনলাম তাতে আমার বড় আহ্লাদ মেচে । ডাকাতের পোদের মেরে তুমি ভূত ভাগিয়ে :矿“.i1 -- দ তোমার কাছে শিখেছিলাম বলে’ । সে সব শুধ , আমি তোমাকে যা বলে গিয়েছিলাম তার ,િ "...s y र , ब्रोप्न बखनाथटक जकल को वलिल । विवाइङ्ग्न পথ শ্বশুরের যে নাম শুনিয়াছিল ব্ৰজনাথের তাহাই মনে স্থা, এখন শুনিল লোকে তাহাকে ভোলাবাবু বলিয়াই ..., ভাল নাম অনেকে জানে না । ব্ৰজনাথ জিজ্ঞাসা করিল—এখনো কি তার ডাকাতের দল আছে ? - —ত আমি ঠিক বলতে পারিনে। সোমড়া এখান থেকে অনেক দূর, সেখানকার সব খবর পাওয়া যায় না। কিন্তু এখন কোম্পানির লোকদের নজর পড়েচে, ডাকাত তেমন বেশী শুনতে পাওয়া যায় না। হয়ত ভোলাবাবুও ছেড়ে দিয়ে থাকৃবে। -অনেক জমিদার ডাকাত আছে, আবার ডাকাতী না করেও কত জমিদার কত রকম জুলুম করে। আর বাপ দুঃ, মোক হলে সে ত আর মেয়ের দোষ নয়। —তাও কি কখনো হয় ? বাড়ীতে ফিরিয়া ব্ৰজনাথ পিতার নিকট গেল। নায়েবের পত্র পড়িয়া অমরনাথ চমৎকৃত হইয়াছিলেন । ব্ৰজনাথ বালক বলিলেই হয়, অসামান্ত প্রতিভা না হইলে এমন করিয়া এত লোকের উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করিতে পারে ? শুধু অর্থ উপার্জনের ক্ষমতা নয়—যদিও এত অল্প সময়ের মধ্যে অমরনাথ নিজে কখনও এত অর্থ সঞ্চয় করিতে পারেন নাই,—লোকের সঙ্গে ব্যবহারের ও লোক বশীভূত করবার ব্ৰজনাথের অদ্ভুত কৌশল । নায়েব ব্ৰজনাথের চরিত্রবল সম্বন্ধে অনেক কথা লিখিয়াছিলেন। যেমন তীক্ষ্ণ ব্যবসাবুদ্ধি তেমনি মনের দৃঢ়তা। নায়েব কিছু বাড়াইয়া লিখিলেও অমরনাথের ধারণা হইল যে, তাহার পুত্র অসাধারণ ক্ষমতাবান। যে পিতার এমন পুত্র হয় তিনি ভাগ্যবান। ব্ৰজনাথকে দেখিয়া বলিলেন— এস ব্ৰজনাথ, বল । সকালে বেড়াতে গিয়েছিলে ? —জাঙ্গে হুঁ, একটু ঘুরে এলাম। —তোমার মায়ের মুখে শুনলাম তুমি নাকি । কলকাতায় কারবার করবে ! —আমার ত সেই রকম ইচ্ছে, যদি আপনি অনুমতি দেন । Bø - —তুমি যা ভাল বিবেচনা করবে তাতেই আমার অনুমতি আছে। এখন থেকে সব ভার তোমার উপর । তুমি যে টাকা এনেচ সে তোমার। তাই নিয়ে তুমি কারবার কর । —অত টাকায় দরকার নেই, অৰ্দ্ধেক হলেই যথেষ্ট হবে। কিন্তু এখন টাকা জমা করে দিন, মিছিমিছি স্বদটা মারা যায় কেন ?