পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম সংখ্যা] হিমালয় পারে কৈলাস ও মানস-সরোবর S}(t AAAeeeeAeMMeeeeA eeAMMeeMeAM MeeA AMAMMAAA AAAA AAAA AAAeeA AAeMeAMMeAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAAeMMee AA AeeAeeeAMeeeeMMAMA AeAMMMB MMAeeeAMMe এতবড় ফাকার রাজত্ব দেখি নাই । ইহার শোভা ও গাম্ভীৰ্য্য সাধারণ নহে। আমাদের দেশের সহরবাসিগণ যাহার এরূপ স্থানের সঙ্গে পরিচিত নন, তাছাদের পক্ষে বৃক্ষলতাশূঙ্গ, এমন কি সবুজ বর্ণের আভাসপূঞ্জ, পৰ্ব্বতবেষ্টিত বিশাল জলাশয়ের কল্পনা সম্ভব নয়। এরূপ দৃপ্ত কল্পনা করিতে অনেকেই হয়ত ইহা শোভাসৌন্দৰ্য্যহীন ধারণা করিয়া বসিবেন । কিন্তু তাঁহাতে ভুল হইবে । যেমন কুঞ্চিত অথবা অকুঞ্চিত সরল কেশাচ্ছাদিত মস্তকের বা মুখমণ্ডলের একটি শোভা আছে তেমনি মুণ্ডিত মস্তকেরও একটি বিশিষ্ট সৌন্দৰ্য্য আছে। এ যেন ঠিক কোন ও যতিবরের মুণ্ডিত মস্তকের भूर्टि-हेंझांtऊ बांश् नञ्चन हेठिtब्रज्ञ তৃপ্তির উপাদান বড় কিছু নাই, কিন্তু অস্তুরের দিকে দেখিলে একটি গাঢ় আনন্দদায়ক সৌনর্ঘ্যের আভাস পাওয়া যায়। তাহাতে চিত্তকে অতৃপ্তির পথে লইয়া যায় না বরং স্থির এবং সমাহিত করিয়া লয়। সাধারণ রূপপিপাস্নগণের চক্ষে এ দৃপ্ত মুখকর নহে । সরোবরের নীলাভ জলটুকু ব্যতীত চারিদিকের সকল দৃশুই নয়নের অরুচিকর। কিন্তু একটু স্থির ইষ্টয়া দেখিলেই বুঝা যায় যে, চারিধারের বিষমবর্ণ দৃপ্তের সন্ধিস্থলে জলরাশির ঐ নীলটুকুই উভয় দৃপ্তের সম্পর্ক ঘনীভূত, সুসম্বন্ধ এবং সার্থক করিয়াছে । তাছাতেই এখানকার দিঙ মণ্ডল শেভাময় হইয়াছে, আর সেইজন্তই 4 cभएजब्र गर्दाष्ट्रेङ्कहे ज्वपूपश्। যদি পবিত্র তীর্থের সংস্কারটি এবং প্রচলিত কিংবদন্তী বাদ দেওয়া যায় তাহা হইলে সাধারণ তীর্থযাত্রীর শুধু ५ई बिदश पृथ्रनऽडेिछ भाषा थान छब्रिवीब्र किङ्कहे नाहे । कॉcछहे थकशा दणिrण छूण इब्र ना ८ष, झूग अथवा दांश् মাপের নেশা এবং তরল বাস্তব উপভোগের ঘোর যাহাঁদের না কাটিয়াছে, তাছাদের এত কষ্ট সহ করিয়া কৈলাস এবং মানস-সরোবরে জাসিয়া তৃপ্ত হইবার কিছুই নাই, মতরাং ফলও নাই। ইহার শোভা আর এক শ্রেণীর *ीबङ्ग झश्च श्वॆ इहेशप्ह । भङांग्रl vदिछब्रङ्कफ्s cशाशांशैब्र छौरानाऽग्निtठ यांननসরোবরের যেরূপ বর্ণনা আছে, তাহার সহিত আমরা যাহা প্রত্যক্ষ করিলাম তাকার সৰ্ব্বাংশেই মিল রহিয়াছে, কেবল আধ্যাত্মিক ভাবগুলি ছাড়া। জার, অধ্যাক্স কোনো বিষয়ের প্রতিষ্ঠা সাধারণভাবে মানবযুক্তির বর্হিভূত বলিয়া তাহার আলোচনা এক্ষেত্রে মানস-সরোবরেশ্ন ভটপথ না করাই ভাল । তবে একথা বলিলে দোষ হয় না যে, অস্তনিহিত ভাবের তারতম্যে যাহ্বা ব্যক্তিগত বলিয়া ধরা যায় তাহার সন্তিত সমষ্টিগত সাধারণের ভাবের মিল লাও হইতে পারে। ভাবরাজ্যের সকল ব্যাপারই যুক্তিরাজ্যের বাহিরে—ইন্স আমর মানি । অন্তরের মধ্যে ভাবের তরঙ্গ উপস্থিত হইলে, সেই অবস্থার দৃপ্তবস্তু সকল আপন অঙ্করের বিশিষ্ট ধ্যান ও ধারণা অনুযায়ী মূৰ্ত্তিমান হষ্টয়া দৃষ্টিকে সার্থক করে। আমাদের ভারতবাসী হিন্দুর মনে বুদ্ধ ও শিব দুইয়েরই প্রভাব প্রাচীন ও সংস্কারগত, উহা অল্প দিনের নহে । আবার হিন্দুমনের মধ্যে বুদ্ধ মছা-নিৰ্ব্বাণীপ্রমাযোগী এবং শিবও মৃত্যুঞ্জয় যোগীশ্বর । দুষ্টয়ের মধ্যেই যোগৈশ্বর্ঘ্যের পূর্ণতা বা পরাকাষ্ঠী পুরাণ অথবা ইতিহাসে প্রসিদ্ধ এবং লোকপরম্পরাগত। এমন অবস্থায় আস্তৱিক ভক্তি এবং ভাবের প্রভাবে যদি কেক বুদ্ধের মূৰ্ত্তিকে শিবের মূৰ্ত্তি দেখে, তবে তাছাতে ঐতিহাসিকের हिनां८व किङ्क फूण ८वांष इहेरठ गांप्छ, किन्छ टपाठ: छैइ1 নিছুলষ্ট হয় এবং সেই দর্শনেই জীবনকে অনেকাংশে সফল করিয়া তুলে ৷ ” 婚