পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫৩২ প্রবাসী— মাঘ, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড - - - - তারপর উঠে বসে, হাই তোলে, তুড়ি দেয়, অজমোড় খায়। দুর্গানাম হয়ত স্মরণ করে। মুখচোরা মাছুয, ফুটে বলতে শোনা যায় না । বিছানায় ধসে আরও দু’একটি বিড়ি টেনে আলস্য ভাঙে। দীওয়ায় একখানা চৌকির উপর তামাক-পোড়ার কৌট, নিমডালের দ্বাতন—দুইমুখ নিখুত করে কাটা; মাজাঘব জলের গাড় ; গামছা একখানা ভাজকরা, প্রতিদিন সকালে যে সাজিয়ে রাখে, তার হাতের কাজে কোন গলদ নেই । বংশী এসে চৌকিগানার উপর ঠ্যাং তুলে বসে—জমীদার-পুত্রই বা কোথায় লাগে! সতু সে সময় উঠানের কোণে বসে মশাল গড়ে, ঘুটে দেয়, উীকৃশ দিয়ে কাচকলা বা বিচেকলা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে १icफ़ । अथवा छ्रül *ारकब्र छfül-कि छूt? विte তুলে তরকারী কোটার বঁটিখানার কাছে গুছিয়ে রাখে। তারপর রাঙ্গার কাঠকুটো কতক পায়ে ভেঙে, কতক দা'য়ে কেটে জোগাড় করে। মুখে টু শব্দটি নেই। বংশী দfডন ঘযে অfর বসে বসে দেখে—হয়ত মাটিতে নেতিয়েপড়া কাপড়ের আঁচলট, হয়ত কপালের ঘামে ভেজ ঋলিত চুলগুলো । সতু চান্‌ করে এসে ডাব, পেপে, যেদিন যেমনটি সংগ্রহ করতে পারে একটু জলযোগের ব্যবস্থা করে। ংশ তাই পেয়ে ধোপ-দেওয়া কাপড় একখানা পরে ক্টোচাট ঝুলিয়ে দেয়। গায়ে ফিনফিনে গেঞ্জি, টেরিট মাঝখান দিয়ে চেরা। লম্বা চুলগুলো সিঁথির দু’পাশ দিয়ে চেচে ছুলে উদ্ধদিকে রুপে—খুব তোড়ে উঠে গেছে। মুখে পানের রাগ । বেলা বারট-একটায় সে ঘরে ফেরে। চোখ রাঙfয়- ভাত কেন গরম নেই ? রায়ার খুৎ ধরে গালিগালাজ করে । নাকে-মুখে গুজে আবার সে বের হয়ে যায় । আর আসে রাত বারটায়। সতু ভাত আগলে বসে ঝিমোয় । - গোলপাতার হেলা ঘরখানার ছ্যাদা মটকার উপর একটা র্যাশের ঝাড় । রাত্রির বেলা দেশের রাজ্যের ভূতপ্রেত এবত্র জড়ো হয়ে বঁাশগুলো ছুপে ছুপে ধরে, বিকট শঙ্ক করে । সামনে একটা এদো পুকুর-শ্যাওলায় ভরা, ছিটে বেড়ার ফাৰুে দেখা যায়। গয়লাবোঁয়ের कांग्रह cलांनां,-utनब्रहे घरब्रब्र uक बूबउँौ बर्फे छूट्रय মরে ওর জলে কি পাকে আত্মট স্থিতি করে রেখেছে। মাঝে মাঝে উপরটায় এসে নিশ্বাস ছাড়ে—জল বুজ বুজ, করে ওঠে। পাড়ে গুটিপাচেক তালগাছ। পাতাগুলো সতুর অসহায় অবস্থা দেখে নৈশ বাতাসে অট্টহাসি করে। ঘরের পিছন দিকৃটায় নারিকেল স্বপারির একটা ছোট বাগানে—ঠাসা অন্ধকার । আনারস গাছের অধিকৃত: স্থানটায় সাপ-খোপের বাস। নানারূপ ভয়-ভীতিতে সতুর বুদ্ধখানা চিপ-চিপ করে। বৎসরের চতুর্থাংশ অর্থাৎ পূজার আগের তিনমাস থিয়েটারের আখড়ায়, বাকী কালটা এক গাজা আফিমের দোকানের আড্ডায় গ্রামের অকেজো ছেলেদের সময়টা জলের মত স্বচ্ছন্দে বয়ে যায়। ডিডিমণির গদাধরচন্দ্র, ভীম, গুনা, দুঃশাসন, নারদ মুনি এই সবার নকলকণ্ঠে নিকটের বাসিন্দা লোকের ত্রাহি মধুসূদন ডাকে। বংশী এদের অভিভাবক । আফিমের ঘরে উত্তর দিক্কার বীশের মাচায় ছেড়া মাছরের উপর এদের আড্ডা। ছোট, বড়, মাঝারি, দরমাঝারি, কত,রকমের সরস মূৰ্ত্তি। খেন যজ্ঞের থালার রকমারি মিষ্টান্ন। স্বাদভেদ, রসভেদ, বর্ণভেদ, বয়সভেদ, জাতিভেদের জগাখিচুড়ী। ছোটর এসে একটা রসিকতার কথা বললে, বড়রা যদি হেসে উঠল, উৎসাহিত হয়ে তারা ভেবে নেয় যে, উৎরে গেল । তখন তারা মাটি ছেড়ে মাচার উপর উঠে বসে, দল ষার বেড়ে । দক্ষিণের ছোট মাচার কাঠগড়ায় বসে যুবাবিক্রেভা অমৃক্ষণ নিক্তির মাথায় বামহাতের স্বপুষ্ট আঙুলের ঠোক্কর দেয় । মাথায় বঁাকা টেরি, চোখে চোরা চাহনি, মুণে কাষ্ঠ হাসি। সাম্নে ঠাকুরদাদার আমলের ছাতাধর কাঠের হাতবাক্স। ক্রেতাদের কেহ কেহ ধূলিপায়ে সেইখানে বসে বসে ছোট কল্পকের বড় ধূমে কুম্ভক রেচক করে। কেহ বা একমাত্রা কালো বড়ী মুখে পূরে চক্ষু বোজে। মাচার উপরকার রক্ষকহীন ছেলেদের—কারও কারও পা পিছলে যায় । নিক্তিওয়াল বলে,—এই ত চাই, ভীমের গলা কি আপনি খোলে ?