পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৬১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


©ᏬᏬ गाजलाzब्रब्रथानाब्र अशौन कारखाrछ चांबिकांब्र कब्रिब्रां८छ्न । বাদামীগুহার পূর্বোল্লিখিত চক্ৰেvএবং ইহাতে শিবের তাগুৰমৃত্য একই ভাবে চিত্রিত হইয়াছে। চক্রটি खाद्याप्छाब्रा श्हेप्णख मूर्तिब्र इमग्न अझन िगश्चहे I ছাওনার খোদিত ধীর মূৰ্ত্তি ঐযুক্ত জে-সি ফ্রেঞ্চের সোঁজন্তে ইহ৷ খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীর পরের নয়। পণ্ডিত বিনোদবিহারী বিদ্যাবিনোদ আমার জন্ত ১৯১১ খৃষ্টাবো ভুবনেশ্বরের কেদার-গৌরী মন্দিরে ষে ধরা যায় । দুইটি বিভিন্ন ধরণের নটরাজ-মূৰ্ত্তি সংগ্রহ করেন, তাহাজের অপেক্ষ এইখানি ষে পুরাতন একথা নিশ্চিত বলা চলে । €RFh-rt, లిలు [ २sघ्नं छांनं, २घ्र ६७ शक्4ि-भक्रिय बtत्रब्र निघ्नौtनब्र मछ्बाबूर्डि-ग्रं★नब्र পদ্ধতি খাস বাংলা হইতে স্বতন্ত্র ছিল এ কথা পূর্বেই বলিয়ছি। ছৰ্ভাগ্যক্রমে বাকুড়া কিংবা বীরভূমে প্রাপ্ত কোন বৌদ্ধমূৰ্ত্তির আলোকচিত্র আমার কাছে নাই। স্বতরাং আমাকে জৈনমূৰ্ত্তির উপরই নির্ভর করিতে হইতেছে। এই অঞ্চলে জৈনমূৰ্ত্তির সংখ্যাও অনেক। তুলনার জন্ত বঙ্গীয় সাহিত্যপরিষদের কয়েকজন সভ্য ও আমি বর্ধমান জেলার উত্তর-ভাগে মঙ্গলকোটে যে জৈনমূৰ্ত্তিটি সংগ্ৰহ করিয়াছিলাম তাহার উল্লেখ করিতেছি। প্রত্নতত্ত্ব-বিভাগের ঐযুক্ত কে-এন দীক্ষিত বাকুড়া জেলায় অনেকগুলি জৈনমূৰ্ত্তি আবিষ্কার করিয়াছেন । ইহাদের মধ্যে বহুলাড়ায় আবিষ্কৃত পাশ্বনাথের মুক্তিটি সৰ্ব্বাপেক্ষ স্বন্দর। আমার আবিষ্কৃত মূৰ্ত্তিটি ও এইটি একই সময়ের এবং একই কৌসগৃগের (কায়োৎসর্গ ) হইলেও দুই-এর মধ্যে একটা মুলগত পার্থক্য দেখা যায়। ইহাদের মুখের ভাব এবং শরীরের গড়ন সম্পূর্ণ বিভিন্ন। মুক্তি দুইটির গঠনপদ্ধতির এই বৈষম্য হইতেই খাল বাংলা এবং দক্ষিণপশ্চিম বাংলার আর্টের মধ্যে কি প্রভেদ তাহা বুঝা যায়। বাকুড়া এবং মানভূমের জৈনমূৰ্ত্তির নিদর্শন যে এই কয়টিমাত্র মূৰ্ত্তিই তাহা নয়। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গের অনেক মূৰ্ত্তিতেই একটা বৰ্ব্বরোচিত শক্তি ও মুখের মাংসপেশীগুলির একট বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। দৃষ্টান্ত-স্বরূপ মিঃ ফ্রেঞ্চ যাহাকে খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীর বলিয়া মনে করেন, বোরামের সেই স্বন্দর দুর্গ মূৰ্ত্তিটির উল্লেখ করা যাইতে পারে। বদ্ধমান জেলার পশ্চিম সীমানায় বরাকর নদীর তীরে বরাকর গ্রামের বড় মন্দিরের বাহিরে যে স্ত্রীমূর্তিটি আছে তাহাতেও এই বিশেষত্ব খুব পরিস্ফুট। এই জায়গারই আর একটি সম্পূর্ণ স্ত্রীমূৰ্ত্তিতে পূৰ্ব্বোক্ত বৈশিষ্টা আরও কুম্পষ্ট । মূৰ্ত্তিটি খুব সম্ভব জৈন শাসনদেৰী চক্রেশ্বরীর । মিঃ ফ্রেঞ্চের সৌজন্তে আমার বাকুড়ার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমায় সারেশগড় দেখা ঘটিয়াছিল। সারেণগড় কুমারী নদীর তীরে ; কয়েকটি জীর্ণ কুটৗরমাত্র এখন তার সম্বল ; কিন্তু নদীতীরের পাচ ছয়টি ভাঙা মন্দির তাহার অতীত গৌরবের পরিচয় দেয়। এখানকার সবচেয়ে