পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৬৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম সংখ্যা ] जधान अनौंश बटन इब्र ! भाद्रमन्न अिश्लषरश सैिंक ब्रोथिए७ না পারিয়া সে দরাজ হাতে খরচ করে—বাধানো থাত কেনে, কালি কেনে, খাবার খায়। প্রায়ই ফুচারজন ছেলে জাসিয়া ধরে তাহাদিগকে খাওয়াইতে হইবে। তাহার খুব প্রশংসা করে, পড়াশুনার তারিফ, করে। অপু মনে মনে অত্যন্ত গৰ্ব্ব অনুভব করে, ভাবে— সোজ ভাল ছেলে আমি ! সবাই কি থাতির করে ! তবুও তো মোটে পাঁচ মাস এসিঁচি ! মহাখুন্সির সহিত তাহাদিগকে বাজারে লইয়া গিয়া খাবার খাওয়ায় । ইহার উপর আবার কেহ কেহ ধার করিতে আসে, অপু কাহাকেও না’ বলিতে পারে না। এরূপ করিলে কুবেবের ভাণ্ডার আর কিছু বেশী দিন টিকিতে পারে বটে কিন্তু একশত কুড়িটা পয়সা দশদিনের মধ্যেই নিঃশেষে উড়িয়া যায়, মাসের বাকী দিনগুলিতে কষ্ট ও টানাটানির সীমা থাকে না। ছ দশটা পয়সা যে যাহা ধার লয়, মুখচোরা অপু কাহারও কাছে তাগাদ করিতে পারে না,—প্রায়ই তাহা আর আদায় হয় না। সমীর ব্যাডমিণ্টনের র্যাকেট হাতে বাহির হইয়া গেল। অপু ভাবিল—বলুক বোকা । আমি তো আর বোক নই? - পয়সা ধার নিয়েচে কেন দেবে লা—সবাই দেবে } পরে সে একখানা বই হাতে লইয়া তাহার প্রিয় গাছপালা ঘেরা সেই কোণটিতে বসিতে যায়। মনে পড়ে এতক্ষণ সেখানে ছায়া পড়িয়া গিয়াছে, চীনে জবা গাছে কচি কচি পাতা ধরিয়াছে। - যাইবার সময় ভাবে, দেখি আর কীট লেবেঞ্চুদ আছে ? : পরে গোটাকতক বোতল হইতে বাহির করিয়া মুখে পুরিয়া দেয়। ভাবে, আসচে মাসের টাকা পেলে ঐ যে আনারসের একরকম আছে, তাই কিনে আনবো একশিশি–কি চমৎকার এগুলো খেতে । এ ধরণের ফলের আস্বাদযুক্ত লেবেঞ্চুস সে আর কখনও খায় নাই । কম্পাউণ্ডে নামিয়া লাইব্রেরীর কোণটা দিয়া যাইতে बाहे८ड cन इ** जबांकू झ्हेब नैाफ़ाहेब cणण। ५कखन ঘেঁটে মত লোক ইদারার কাছে দাড়াইয়া স্কুলের কেরাণী অপরাজিত Q989 ও বেডিংয়ের বাজার-সরকার গোপীনাথ দত্তের সঙ্গে আলাপ করিতেছে । তাহার বুকের ভিতরটা কেমন ছাং করিয়া উঠিল-- সে কিসের টানে যেন লোকটির দিকে পায়ে পায়ে আগাইয়া গেল. লোকট। এবার তাহার দিকে মুখ ফিরাইয়াছে হাতটা কেমন বাকাইয়া আছে, তখনি কথা শেষ করিয়া সে ইদারার পাড়ের গায়ে ঠেস দেওয়ানো ছাতাটা হাতে লইয়া কম্পাউণ্ডের ফটক দিয়া বাহির হইয়া গেল : অপু খানিকক্ষণ একদৃষ্ট্রে সেদিকে চাহিয়া রহিল । লোকটাকে দেখিতে অবিকল তাছার বাবার মত । কতদিন সে বাবার মুখ দেখে নাই । আজ চার বৎসর • • • উদগন্ত চোথের , জল চাপিয়া জবাতলায় গিয়া সে গাছের ছায়ায় চুপ করিয়া বসিল । অন্তমনস্ক ভাবে বইখানা উন্টাইয়া যায়। তাহার প্রিয় সেই তিন-রঙা ছবিটা বাহির করিল, পাশের পৃষ্ঠায় সেই পদ্যটা। স্বদেশ ইষ্টতে বহুদূরে, আত্মীয়স্বজন হইতে বহুদূরে, আলজিরিয়ায় কর্কশ, বন্ধুর, জলহীন মরুপ্রাস্তে একজন মুমুধু তরুণ সৈনিক বালুশয্যায় শায়িত। দেখিবার কেহ নাই। কেবল জনৈক সৈনিকবন্ধু পাশে হাটু গাড়িয়া বাধয় মুখে চামড়ার বোতল হইতে একটু একটু জল দিতেছে । পৃথিবীর নিকট হইতে শেয বিদায় লইবার সময় সম্মুখের এই অপরিচিত, ধূসর, উচুনীচু বালিয়াড়ি, পিছনের আকাশে সাদ্ধাস্বৰ্য্যরভচ্ছটা, দুরে খজুরকুঞ্জ ? উৰ্দ্ধমুখ উষ্ঠশ্রেণীর দিকে চোখ রাখিয়া যুযুধু সৈনিকটির কেবলই মনে পড়িতেছে বহুদূরের রাইন নদীতীরবর্তী डांशब्र छद्मभूझौत्व कथl“ उiझांब या त्रांtछ्न ८णषांटम । य छू, छुभि श्रांभांब्र भारब्रव्र कां८झ शवब्रt cजोशहेब नि७, ভুলিও না । For my home is in distant 'Bingen, Fair Bingen on the Rhine. মাকে অপু দেখে নাই আজ পাচ মাস।-- সে আর থাকিতে পারে না-বোর্ডিং তাহার ভাল লাগে না, স্থল