পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম সংখ্যা । AMMMAMAMAMMMAMAMMAAASA SAASAASAASAASAA আমার ত ভয় ধরে গেছে। এতদিন ত এক রকম কেটেছিল। এখন আবার এক গুরু করেচে। বলে, মম্ভর নেব। এই কি ওর মস্তর নেবার বয়েস ? সুরেশ বলল,--ই্যা, মন্তর নেবে ! আপনিও যেমন শোনেন। এই মাসটা সৰুর করুক, শ্রাবণ মাসে সস্ত্রীক মস্তুর নেয় যেন । शर्डौन cछांब्र निरब दन्ण,-थझे यांएनब्र भाषाझे सद्र বিয়ে দিয়ে দিচ্ছি দেখুন। যতীনের জোর দেবার কারণ ছিল। যতীন তার ভীষণ পণ ত্যাগ করে সম্প্রতি বিয়ে করেছে। ভাবে এমন দেখিয়েছিল যেন দেশের জন্য বিয়ে না করার চাইতে বিয়ে করাটাই বড় দরের আত্মত্যাগ। সেই গভীর আত্মত্যাগ কথঞ্চিং পূরণ করবার জন্য উপযুক্ত পাত্রী চাই। স্বরেশ-প্রমুখাং বন্ধুবান্ধব রূপে গুণে যতীনের উপযুক্ত ক'নের সন্ধানে এক রকম আহার নিদ্ৰা ত্যাগ করেছিল। সারা বাংলা ওলট-পালট। শেষকালে বেহার-প্রবাসী এক বাঙালী ভদ্রলোকের মেয়ে মানানসই বিবেচিত হ’ল ! মেয়েটির রূপ আছে, বিশ্বনিন্দুক স্বরেশও এ কথা স্বীকার করল। এবং গুণের কোঠায় তার জমার অঙ্ক যতীনের চাইতে কম যায় না। তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে অসহযোগ করে ইস্কুল ছেড়ে সে খদ্দর ফিরি করেছিল তার প্রমাণ পাওয়া গেল । দেশের এহেন মেয়েকে আবিষ্কার এবং বিয়ে ক’রে যতীন মনে মনে গৰ্ব্ব পোষণ করে । সেই স্ত্রী কুমুদ বউ মরে গেলে আবার বিয়ে করতে চাইছে না শুনে, যতীনের কাছে স্বম্পষ্ট ভাষায় তার তারিফ করেছে। যতীন যে চির-কৌমাধ্য ব্ৰত নিয়েছিল কুমুদের পণ যেন তাও ছাপিয়ে উঠছে। তাই যতীনের পণ–কুমুদের ফিরে बिाङ्ग हिउहे इट्क् । T খান পাঁচ ছয় মোটা মোট বই বগলে পূরে কুমুদ প্রবেশ করতেই স্বরেশ বলল,—বোঝা ত বাপু কম বইছ না । শাকের আটটিতে এত আপত্তি কেন বল ত ? कूभूम बिछांश बूथ श्रब्रएलब्र निरक काझेरङहे थऊँौन তি উচু করে স্বরেণকে থামৃষ্ঠে ইঞ্জিত করে টেবিলের পক্ষান্তর SSASAS SS SAAAAAS S SAAAAAA AAAA SAAAA AAAAMAAA SAAAAASA SSASAS SSAS SSAS SSASAS SS SAAAAAMA AMS AAAAA SAAAAA AAAA SS AASAASAASAASAASAASAA S S S AAAA S Jస్విలి फेनब्र छ्हे कश्रबन्न स्रब्र क्रिय ग्रंशैब्रछांप्व वनप्ल,-छूर्भि বিয়ে করবে কি না সেই কথাটা আমরা স্পষ্ট শুনতে চাই । বইগুলি রেখে ততোধিক গম্ভীরভাবে কুমুদ বললে,— আমি ত বলেছিই, আর বিয়ে করব না। যতীন বললে,—কারণ ? কুমুদ ভ্ৰ কুঁচকে নীচের ঠোট দাতে ঈষৎ চেপে একটু ভেবে বললে,—দ্বিতীয়বার বিয়ে আমার মতে মেলে না । স্বরেশ মাখাট উচু করে জিজ্ঞেস করলে,-কেন ? একটু প্রকাশ করে বল শুনি । কুমুদ বললে,—বার বার বিয়ে করাট ইনকন্সিসটেন্সির পরিচয় । আমি কনসিস্টেণ্ট হতে চাই। মরেশ বাধা দিয়ে বললে,—আঙ্গ স্থা, এমন বিপরীত কথা বল কেন ? ধে বিয়ে করেনি তা’র পক্ষে বিয়ে করাটা ইন্‌কনসিটেণ্ট, যে একবার করেছে তার দ্বিতীয়বার করাটাই ত কনসিসটেণ্ট । তা’র আবার আইবুড় থাকাই ত পূৰ্ব্বাপর সম্বন্ধদুষ্ট হয়ে” পড়ে । - কুমুদ বললে,— ঠাট্টার কিছু নেই এর মাঝে। তুমি এ সব গভীর বিষয়ে কিছুই বোঝ না। আজ একে, কাল ওকে ভালবাসা যায় না, একটিমাত্র মান্তসকে একবার মাত্র ভালবাসা যায়। এই হ’ল দাম্পত্য প্ৰেম । স্বরেশ হেসে বললে,— Bravo! ভূল হে ভুল ! ফ্ৰয়েড হ্যাভলক্ এলিস পাঠিয়ে দেব, পড়ে দেশে । —তুমি তা বলতে পার, কিন্তু যতীনও যে তোমার সঙ্গে যোগ দিয়েছে এই আশ্চর্ঘ্য । যতীন ঘাড় ষ্টেট ক’রল—যেন মঙ্গী অপরাধ করে ফেলেছে। কুমুদের কথাটা তার মনে লেগেচে । সে বার বার তার স্ত্রীর গা ছুয়ে গদগদ স্বরে বলেছে, সে যদি মরে যায়, যতীন কখখন আর বিয়ে করবে না। তার স্মৃতি নিয়ে সন্ন্যাসীর মত জীবন কাটাবে। স্বরেশ হেসে বলল,— আচ্ছা বাপু, তোমার দাম্পত্য প্রেমটা ঘটুল কখন আমায় বলতে পার ? বার বছরের মেয়ে বিয়ে করে নিয়ে এলি। প্রথমবার এসে বৌঠান ত বাপের বাড়ীর জন্তে কেঁদে কাটিয়েছে—পিসিমার ছেলে