পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ፃ•ጿ প্রবাসী— कांग्लन, లిలిJ9 [ २*ं प्ठीं, २घ्र ध७ गांश्रिडाब्र दियग्रवउ cबषि, छाहे जरुण नाश्छिा कविब्र হৃদয়ের রাগে রঞ্জিত হইয়া আমাদের কাছে দেখা দেয়। কবির হৃদয়ের স্পর্শে আমাদের চিত্তবৃত্তিও উন্মুখ হইয়া উঠে। কিন্তু সে উন্মুখীনতাও আমাদের প্রত্যেকের वाख्णिङ झक्झदूखिच्न चश्याब्रेौ । दाँझिएब्रङ्ग बउ वा स्वाद মনের সংস্পর্শে আসিলে উপভোগের মধ্য দিয়া কবির অস্তরেঞ্জিয় যে আস্বাদ লাভ করে, তাহারই অম্বুদ্ধপ জাস্বাদ *ां*zकब्र भन्न जशंगब्रिङ झझेश्व शांछ । उहे विषघ्नवख निरख নয়, কিন্তু বিষয়বস্তু সম্পর্কে কবির মনোভাবই সাহিত্যের প্রধান জিনিষ। ইতিহাসের যেটুকু তথ্যের যথাযথ বিবৃতি অথবা উপকরণের যথোপযুক্ত বিন্যাস সেটুকু সাহিত্য নয়, তাহার যতটুকু ঐতিহাসিকের বিশেষ দৃষ্টির আলোকে আলোকিত ততটুকুই সাহিত্য। জাৰ্ম্মান ইতিবৃত্ত লেখকেরা বৈজ্ঞানিক ঐতিহাসিক মাত্র, ম্যাম্পেরো বা গিবন একাধারে ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক । অতএব প্রকৃত সাহিত্য কবির মনোভাবে রূপায়িত, আলঙ্কারিকের ভাষায় বলিতে গেলে, রসে প্রতিষ্ঠিত। তাই কাব্য নাটক উপন্যাস প্রভৃতি হৃদয়প্রধান রচনাই সম্পূর্ণভাবে সাহিত্য। রস-সাহিত্যের রস কথাটি বাহুল্য মাত্র, রস না থাকিলে রচনা আর স্বাহাই হোক, সাহিত্যপদবাচ্য হইতে পারে না। সাহিত্যের ইহাই সঙ্কীর্ণ অর্থ। हेtrद्रबिtख्हे cशंक थांब्र बांश्लांtउहे cशक, ७९न সাহিত্যের অর্থের এতটা আঁটাঙ্গাটি নাই, আজকাল একটু শিথিলভাবেই কথাটা ব্যবহৃত হয়। স্নলিখিত স্বব্যক্ত স্বচার রচনাই সাহিত্য। সাহিত্যের ইহাই ব্যাপক অর্থ। প্রবন্ধ নিবন্ধ সমালোচনা প্রভৃতি রচনার স্থান কোথায় ? বিচার-বিশ্লেষণ করিয়া যাহা লিখিত হয়, তাহা বুদ্ধির উপর, যুক্তির উপর, জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত। মন একটি সমগ্র জিনিষ। অনুভূতি বুদ্ধি ও কামনাকে একান্তভাবে পৃথক করা যায় না। বুঝিবার এবং বুঝাইবার স্থবিধার জন্ত মনের এক-এক দিককে পৃথকভাবে দেখানো চলে, কিণ্ড খণ্ড করা চলে না। তবে মোটামুটিভাবে বুদ্ধি ও স্বাৰে স্বতন্ত্র কুরিয়া ধরিয়া নিলে বিশেষ ক্ষতি হয় না। विल्लांब्रव्थशांन ब्रछनांद्र रुनtबद्ध चांशिशङा नंहेि । उबूe প্রকাশ-ভনীর বৈশিষ্ট্যে বৈচিত্রে এবং সৌদর্ঘ্যে এরূপ রচনা যে প্রীতিকর হইয়া উঠে, তাহা বাটাও রাসেল, বার্ণার্ড শ, ম্যাধু জাৰ্ণল্ড অথবা বীরবলের প্রবন্ধ পাঠ করিলেই বুঝিতে পারি। বৈজ্ঞানিক আলোচনা হইলেও বিচারনৈপুণ্যে এবং রচনার প্রাঞ্চলতায় গিরীন্দ্রশেখরের *वध्र' चांभाळलब्र मनटक बांकर्ष१ कट्ब्र। ७हेक्रण আলোচনায়-রচনার রীতি,কৌতুহল মিটাইবার শক্তি ও কৌশল, বাক্যের বিস্তাস এবং বিষয়ের সংস্থান-পদ্ধতিতে আমরা তৃপ্তিৰোধ করি। হৃদয়ের যোগ এইটুকু । এখানে রচনা ব্যাপক অর্থে সাহিত্য। প্রয়োজন-মত সাহিত্যের অর্থকে টানিয়া না বাড়াইয়া আমরা বলিতে পারি, সাহিত্যের ছুটি বড় বড় বিভাগ আছে– রস-সাহিত্য ও জ্ঞান-সাহিত্য । হৃদয়প্রধান রচনা রস-সাহিত্যের এবং বিচরপ্রধান অর্থাৎ বুদ্ধিমূলক ब्रक्रमा खांन-जाझिरष्टाङ्ग जरूर्शङ । প্রবন্ধ প্রভৃতি রচনাকে সাহিত্য বলা হয় কেন, কি-হিসাবে এবং কতটা-পরিমাণেই বাইহারা সাহিত্য, রসসাহিত্যের অন্তর্গত ন হইলেও ইহাৱা যে জ্ঞান-সাহিত্য বটে, বাংলায় আমিই বোধ হয় প্রথম সে কথা পরিস্ফুটভাবে প্রকাশ করি। তারপর এ-কথা আরও কেহ-কেহ বুঝাইতে চেষ্টা করিয়াছেন। ইংরেজী সমালোচনী-গ্রন্থে এ-সম্বন্ধে কোন মতামত পরিষ্কার এবং স্পষ্টভাবে ব্যক্ত হইয়াছে বলিয়াও ত আমার জানা নাই । সম্প্রতি আমরা জ্ঞান-সাহিত্যের আলোচনা করিব না, রসসাহিত্যের কথাই বলিব । গদ্য ও কাব্য দুই-ই রস-সাহিত্যের অন্তভুক্ত। কাব্যকথার বহু আলোচনা इहेश cशंtइ, चांछ cरुवण क्ष-गाश्छिाब्र क्षहेि १ब्रा স্বাক। বাস্তববাদ হইতেছে সাহিত্যের উপকরণ লইয়। তর্ক। বাস্তববাদীদের মনের কথা এই সংসারে স্বাহী किहू षd, शांशं छषा, औदनषांजाब्र १८षं क्षांश थठाक, তাহাই সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ বিষয় । মনের জিনিষ মায়া गांज । कझना चणौक । ठांश चध्र ऋटेि कट्ब्र ! «यां*टक छाँग्रंघ्रि न । बाख्रु-शांहिङ) भनटक नांफ़ cधम्र, गबांनं করে, সতর্ক করে। অতএব সাহিত্যের উপকরণ সংগ্ৰহ कब्रिहछ हद्देरण दाखtवद्र चांबंब्र शश्न कब्रिtछ इहै८वः