পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম সংখ্যা ] মহামায়া ፃ•ፃ . বলে, সবই নগদ নেয়। তোমাদের মেয়েকে তার ऽिब्रनेिन शूबरब, उांङ्ग बरछ किहू cनाव ना ?” নিরঞ্জন বলিলেন, “ত বেশ । কিন্তু তারা লিখে দিক যে মেয়েকে কোনোদিন কষ্ট দেবে না, খোটা দেবে না, ভাত কাপড় দিচ্ছে বলে তার উপর সর্দারি করবে না । খোরপোষের টাকা নিয়ে যখন তাকে ঘরে নিচ্ছে, তখন চিরদিন অতিথির মত আদর ষষ্ট্রে রাখবে। এতে ब्रांजौ झग्न उ बांधि छैोक ८शद ।” ইন্দু উঠিয়া পড়িয়া বলিল, “এ আবার তোমার অনাছিটি আম্বার মেজদা। হিন্দুর ঘরে বরের বাড়ীর লোকেই হুকুমঙ্গারি করে, কনের বাড়ীর লোক মাথা পেতে নেয়। তুমি দেখি সব ব্যবস্থা উন্টে দিতে চাও। তাদের কি আর বেী জুটবে না যে, তারা এই-সব লেখাপড় করতে রাজী হবে ? মেয়ের বিয়ে না দিলেই নয়, আর ছেলের বিয়ে না দিলেও তাদের কিছু এসে যাবে না। তবে ঠেকা কাদের, তোমাদের না তাদের ?” নিরঞ্জন বলিলেন, “ঠেকাষারই হোক, এক মাকাল झन राग्न किमाउ छैोक जांभि cशय नां ।” ইন্দু বলিল, “নিজের মেয়ের বিয়ের বেলায় ও-সব সর্জ কোরে,তাতে লোকে রাজী হবে। জানে ত ঐ এক মেয়ে, পরে সব কিছু সেই পাবে। দাদা বেচারার ত সেরকম কোনো কিছু নেই, তাকে টাকা দিয়েই মেয়ে পার করতে হবে। তাকে এখন মানে মানে উদ্ধার করে দাও।” নিরঞ্জন বলিলেন, “মেয়ে কি জলে পড়েছে ? সুবে ত পনেরো না বোল বয়স, এখনি বিয়ে না হলেই বা কি ? পড়েছে পড়ুক না ? ভাল করে পাশটাস করলে কত ছেলে তাকে বেচে বিয়ে করতে আসবে।" ইন্ধু বলিল, “তুমি বুৰছ না মেজর, হিন্দুর মেয়ে যতই লেখাপড়া করুক, তার কোনো দাম নেই। বাপের টাকার জোরেই তার দাম ওঠে নামে। যত বয়স বাড়বে, বিয়ে দেওয়াও তত শক্ত হয়ে উঠবে।" নিরঞ্জন বলিলেন, “আচ্ছ, এখন জামায় উঠতে হল, সমাজতত্বের আলোচনা পরে করা যাবে। মোটের উপর चांशांब्र कषां u३, ११ cजबांद्र बरछ छैॉक चांषि किङ्कrउहे ¢ाब नl * ইন্দু হাসিয়া বলিল, “তা দিও না। আমাকে দেশে शॉर्टादद कि न डाई रुज uशन ।” निब्रश्चन बलिtजन, * डांs *ां%ांब भी, जख७६ भांग কয়েক আরও তোকে এখানে থাকতে হবে। দাদাকে লিখব, তিনি কিছু না করেন ত গ্রামে কারে কাছে লিখে টাকা পাঠিয়ে দেব, এখনকার মত একটা দেওয়াল দিয়ে রাখবে। পরে ভেবেচিস্তে ব্যবস্থা করা যাবে।” ইন্দু বলিল, "স্থ্য, আমাদের গ্রামের লোকগুলি তেমনই বটে, টাকাটা নিয়ে দিব্যি হজম করে বসে থাকবে, দেওয়াল যা উঠবে তা বুঝতেই পারছ।” নিরঞ্জনের সময় হষ্টয়। গিয়াছিল, তিনি তাড়াতাড়ি উঠিয়া চলিয়া গেলেন। ইন্দুও ফিরিয়া নিজের রান্নাঘরে निश छूरुिण । মায়া পিসিকে দেখিবামাত্র ছুটিয়া জাসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, "বাবা কি বললেন পিসিমা, তোমায় যেতে দিতে রাজী হলেন ?” ইন্দু বলিল, না গো না, যেমন তুমি তেমনি ততোমার বাবা f" মায়া জিজ্ঞাসা করিল “বাৰা কি বললেন বল না ?” ইন্দু হাসিয়া বলিল, “গিয়ে শুনতে পারিনি । বললেন, এখন তোমার ধাওয়া হবে না। আমার মেয়ের বিয়ে না হওয়া অবধি বসে বসে তাকে আগলাও ।” মায়া বলিল, “ষাও পিলিমা, সব তাভে কেবল তোমার ঠাট্টা। যাক, তোমায় যেতে ত দেবেন না ७१न ? डांश्लझे इज * ইন্দু বলিল, “তা ত বটেই, নিজের মতলব সিদ্ধি হলেই হল। এদিকে দেশের খাড়ীম্বর সব যে যেতে বসূল।” মায়ু বলিল, “তোমাকে আর আমাকে যদি একসঙ্গে যেতে দিতেন ত বেশ হত।” ইন্দু বলিল, “বলে দেখ না তোমার বাবাকে ? দেবে এখন দুই গালে চড় কবিয়ে।” মায় বলিল "স্থ্য, আমি তেমনি বোকা কিনা, তাই বাবাকে এই-সৰ বলতে যাব- জামার আর দেশে এ छात्रा शांeघ्र हटव न, उी चांषि भूब छांज कtब्रहे जानि,”