পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম সংখ্যা ] পাঙ্গপাক আগম। পালপাকা আম আমরসবিহীন ও মধুর বলে পিত্তনাশক। এই আম পযুষিত অর্থাৎ বালি হয় বলে গাছ-পাক আমের থেকেও বেশি রুচিকারক, বলপ্রদ, বীৰ্য্যবৰ্দ্ধক, লঘু, শীতবীৰ্য্য, সঞ্জপাচ্য, সারক এবং বাতপিত্তনাশক হয়।

  • ांक खञाद्वबद्ध शाजिङ ब्रज । श्रांक यां८भब्र গালিত রসের গুণ,–বলকারক, গুরুপাক, বায়ুনাশক, সারক, অহৃদ্য, তৃপ্তিজনক, পুষ্টিকারক, স্নিগ্ধ ; বেশি খেলে কফ বৰ্দ্ধিত হয়।

ৰিখণ্ডিত আন্মে। পাকা অামকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে খেলে তার গুণ হয়,—গুরু, রুচিকারক, মধুররম, শরীরের উপচয়কারক, বলকর, শীতবীৰ্য্য, বায়ুনাশক এবং চিরপাকী অর্থাৎ বিলম্বপাচ্য । - দুগ্ধযুক্ত আমে। দ্বন্ধযুক্ত আমের গুণ ও আময়িক প্রয়োগ—শুক্ৰবৰ্দ্ধক, গুরু, শীতবীৰ্য্য, মধুররস, স্নিগ্ধ, অতিমাত্র রসনাতৃপ্তিকর, বায়ুপিত্তনাশক, পুষ্টিকারক, বলবৰ্দ্ধক, রূচিবদ্ধক এবং শরীরের কান্তি-বৃদ্ধিকর। এ-ছাড়া দুগ্ধযুক্ত আমের একটা বিশিষ্ট গুণ,—তা অব্যর্থ মৃদু-বিরেচক । অভিভোজলের দোষ ও তাহার প্রক্তিৰোধক । বেশি আম খেলে অগ্নিমন্দ্যি ও রক্তদ্বষ্টির সম্ভাবনা আছে। তারপর আমগুলো যদি আবার আমরসযুক্ত হয় ( যেমন গাছপাকা আম) ত উপরন্তু হিসেবে বিষমজর, চক্ষুরোগ প্রভৃতি জোটে। ঘটনাচক্রে বেশি আম খেয়ে ফেল্পে, উক্ত দোষের প্রতিষেধক হিসেবে শুষ্ঠির কাথ অথবা যথোপযুক্ত মাত্রায় সচললবণের সঙ্গে জীরে খাওয়া উচিত। আমসত্ত্ব । হিন্দীতে আমসত্ত্বকে অম্বট বা আমওঠ বলে । সমগ্র হিন্দুস্থানেও আমসত্ত্ব সাধারণতঃ আমওঠ বা আমোঠ নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রে কিন্তু আমসত্ত্বকে বলে অঁাবেরদাচীং পোলী । ইংরেজীতে—inspissated mango juice I আমসত্বের গুণ ও আময়িক প্রয়োগ,-তৃষ্ণ, বমি, বায়ু, পিত্ত নাশক, সারক এবং রুচিকারক। স্বর্ধ্যেভাপে পাক হওয়ায় আমসত্ব খুব লঘু হয়, কাজেই খুব সহজপাচ্য। আত্ম-প্রসঙ্গ ዓY@ ধাদের স্বাভাবিক কোষ্ঠবদ্ধভা আছে তারা নিয়মিত আমসত্ত্ব খেলে পেটের উদ্বেগ কমে আসে । আমের মোরোৰবা। প্রস্তত প্রণালী –পাকলে যে-আম শক্ত থাকে এবং যে আমে আদৌ আঁশ থাকে না ( পালপাকা ল্যাঙড়া, বোম্বাই, কৃষ্ণভোগ, দড়ম প্রভৃতি আমই প্রশস্ত । সে-আম বেশ বড় বড় করে কেটে প্রথমে ঘিয়ে একটু ভেজে নেবেন । তারপর তাকে মিছীর রসের মত গাঢ় চিনির রসে ফেলে দিলেই মোরব্বা তৈরি হয়। পাকা অামের সাধারণ গুণের প্রায় সবগুলিই এতে থাকে। আর ধিয়ে ভাজা হয় ব’লে বাতপিত্তনাশক হজমশক্তি এবং বল ও কাস্তি বৃদ্ধিকর হয়। এ-জিনিয কিন্তু খুব বেশী দিন অবিকৃত থাকে না, তবে বায়ুশূন্ত টিনের কোঁটায় রাখলে থাকে । ठैदछषा८ल्लाख् জন্ম,খণ্ড। পাক আমের তৈরি এক স্বস্বাছ বছরোগনাশক অতি উপাদেয় সামগ্রীর নাম অস্ত্রখণ্ড। প্রস্তুতপ্রণালী—সুমিষ্ট আমের রস কাপড়ে ছেকে নিন। ঐ রস দ২ সের, পরিষ্কার চিনি /৮ সের, গাওয়া ঘি /৪, শুঠচুর্ণ/১, মরিচচূর্ণ V •, পিপুলচুর্ণ/•, দ্বধ v৮, মূৰ্ছিত বিয়ের সঙ্গে সব জিনিষ একত্র পাক করুন। পাক সিদ্ধ হলে, পিপুলমূল, মুখা, চৈ, ধনে, জীরে, কালে জীরে, শঠি, বড় এলাচ, দারুচিনি, তালিসপত্র স্বস্থচূর্ণ করে কাপড়ে ছেকে প্রত্যেক দ্রব্য /॥• নিন। তরমুজ-বীজ, লবঙ্গ এবং নাগকেশর চুর্ণ করে প্রত্যেক জিনিষ ২৪ তোলা, খাটি মধু /৪ গের । এ-সব বেশ করে একসঙ্গে মিশিয়ে ঘিয়ের ভীড়ে রেখে দিন । মধ্যে মধ্যে রোদে দে ওয়া দরকার । মাত্রা দুই তোলা, ঈষদুষ্ণ দুধের সঙ্গে সেবন করতে হয়। এতে নেত্ররোগ, বায়ুরোগ, অক্সপিত্তজনিত রোগ, অস্ত্রবৃদ্ধি, প্রভৃতি অনেক রকম রোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া এতে দেহের কান্তি ও বল যথেষ্ট বুদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। নিয়মিত খেলে অত্যুত্তম সালসার কাজ করে। सञाळा-बौछ । श्निौहङ श्रांड-दौखएक ८काइंजिब्र বলে। চলতি বাংলায় কণী । কসীর গুণ বা আময়িক প্রয়োগ,-ঈষৎ অমসংযুক্ত কথায়মধুররস, বমি, অতিসার, কফ, বাত, হৃদয়ের দাহনাশক এবং ভেদক