পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* @e প্রবাসী-ফাঙ্কন, ১৩৩৬ [ २*ं खगं, शथ्र क्ष९ ABeeAeSeA AMAMS নাথের সম্বন্ধে আর শাস্তিনিকেতন বিদ্যালয়ের সম্বন্ধে লেখা বই-এই গুলি মিলল, প্রায় টাকা ব্রিশেকের বই হবে—ঐযুক্ত লোকুমল জামায় কিনে দিলেন। আমি সানন্দে তার এই দান গ্রহণ করলুম ; পরে বলিদ্বীপে এই বই গুলি বিশেষ কাজে লেগেছিল, ডচ প’ড়তে পারেন ७भन बजिदौ८°ब्र छूहे कांद्ध छन विकिङ दाखिएक च्षांधि *ीडांद्र चष्ट्रवांश त्रांब्र वछ रहे हेि,-जांब्र ‘श्ब्रांबांच्चांद्र ভারতীয় বণিক ঐযুক্ত ভী লোকুমলের উপহার,” ইংরিজীতে এই কথাটা বই গুলির ভিতরে লিখে দিই। তার পরে জার্শ্বানী ফোটোগ্রাফর Kurkdjian কুর্কজিয়ানের দোকানে গিয়ে স্ববদ্বীপের কিছু ছবি কেনা গেল, কিছু অর্ডার ও দেওয়া গেল। শ্ৰীযুক্ত লোকুমল তার দোকানে নিয়ে এলেন। আশে পাশে আরও দু পাচটা সিন্ধীদের দোকান। এরা জাপান থেকে রেশমের কাপড় আনিয়ে পাইকারী আর খুচরা বিক্রী করেন । এইটাই এদের বড় ব্যাপার। এ ছাড়া, নানা রকমের জাপানী, চীন, ষবদ্বীপীয়, সিয়ামী, বৰ্ম্মী, ভারতীয়, সিরীয় curio, কাপড়চোপড়, গালচে—এ সব আছে। মোটের উপর, এদের ব্যবসা ভালোই চ’লছে –আরও পাঁচজন সিল্পীদের এসে জন্মলেন। রবীন্দ্রনাথের লেখা, ভারতের সেবায় তার কাৰ্য্য, জগতের সাহিত্যে তার স্থান-এ সব বিষয়ে জিজ্ঞাস্থ সিন্ধীদের সঙ্গে আলাপ করতে হ’ল। এর উচ্চ-শিক্ষিত ডচেদের কাছে রবীন্দ্রনাথের সম্বন্ধে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শুনেছেন, অথচ তার সম্বন্ধে কিছু জানেন না, তাই লজ্জিত। সিন্ধীর কেমন ভাবে ব্যবসা করেন, কি রকম জীবনযাত্রা নিৰ্ব্বাহ করেন, শ্ৰীযুক্ত লোকুমলের দোকান দেখে এই প্রথম তার একটু ধারণ করা গেল । দোকান একটি মস্ত বাড়ী নিয়ে। নীচের তলায় সামনে দোকান ঘর—এখানে থ’ন্দেরের জন্ত জিনিসপত্র সাজিয়ে” রাখা হ’য়েছে। নীচের তলায়, বাড়ীর ভিতরে, গুদামঘর, রান্নাঘর। সিন্ধী ১৯১২জন কৰ্ম্মচারী যারা আছে তাদের আর মালিক বা ম্যানেজারের থাকবার ঘর দোতালায় । একটি মস্ত হল জুড়ে এদের শোবার ব্যবস্থা ৷ এরই মধ্যে কাঠের আড়াল দিয়ে ঘিরে একটি ছোটো ঠাকুরধ্ৰুরু করে নিয়েছে। লোকুমল তার ঠাকুর-ঘরে আমাদের নিয়ে গেলেন—কাঠের পাটাতনের দেয়ালের উপরে নানা ॐांकूब्र-८णदखांब्र ब्रéौन इदि-रू'णकांडाहे चांद्र ८बांबांहे८ब्र ছবি, আর সেকেলে হাতে জাক রাজস্থাত পদ্ধতির ছবি দু-একখানি ; মূৰ্ত্তি নেই, তবে বিরাট এক শিখদের গ্রন্থ সাহেব খোলা রয়েছে, রোজ সকাল-সন্ধ্য একটু ক’রে তা থেকে পড়া হয় ; আর ছোটো খাটো ছ চারখানা অন্ত ধৰ্ম্ম গ্রন্থ আছে, তার মধ্যে হিন্দী আর সংস্কৃত গীতাe দেখলুম। ব্যবসার হিসাব-কেভাবের অন্তরালেও ষে এই ধর্শের জন্ত একটু চিন্তা, এটি বেশ লাগল। এমনি করে স্বয়ূর প্রবাসী ভারতসন্তান তার ধর্থের মধ্য দিয়ে নিজ জাতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে একটু যোগ বজায় রাখবার জন্য এই আকুল উদ্বেগ দেখাচ্ছে । গীতা, গ্রন্থ সাহেব-প্রাচীন আর মধ্যযুগের ভারতধর্শ্বের দুই প্রধান বই—সিন্ধীরা এই ছ’ খানি বই সঙ্গে ক’রে নিয়ে যায়, আর এই ছুটী বইয়ের আশ্রয়ে তাদের আধ্যাত্মিক জীবনকে তাদের ভারতীয়ত্বকে রক্ষা করবার চেষ্টা করে । একজন পাঞ্জাবী মুসলমান ব্যবসায়ী এলেন লোকুমলের দোকানে, আলাপ হ’ল । অতি অমায়িক কথাবাৰ্ত্তা, বিশেষ ভদ্র সঙ্গন বলে মনে হ’ল, ইউরোপ ঘুরে এসেছেন, নানা বিষয়ে খোঁজ খবর রাখেন। যুক্ত লোকুমল তারপরে আমাদের নিয়ে বেরুলেন শহরটা একটু দেখাতে। ‘সাদো গাড়ী ক'রে বেরুলুম। চীনাদের বাস খুব, আর তারা বেশ স্বচ্ছল অবস্থাতেই আছে ব’লে মনে হয়। এ অঞ্চলের যবদ্বীপীয়েরা—কি মেয়ে কি পুরুষ—বাতাবিয়া অঞ্চলের লোকেদের মত অতটা স্বত্র বা গৌরবর্ণ নয়। একটা সরকারী Laand-Kantoor ei fie Loan Office il bfşi stă cţsgtă আপিস পথে পড়ায়, আর সেখানে খুব ভীড় জমেছে দেখে,এই সব সরকারী মহাজনী দোকান কি রকম জিনিস তা দেখবার জন্ত ঢুকলুম। দ্বীপময় ভারতের কাবুলীওয়ালা হ’চ্ছে আরবেরা। এরা মুসলমানদের ধর্শগুরুর স্বজাতীয় বলে মুসলমান ঘবদ্বীপীয়েদের কাছে খাতির পায়, কিন্তু এরা অনেক স্বলে অর্থাৎ তা দেখিয়ে সেই খাতিরের খতরী করছে। এরাই দেশে মহাজনী কারবার ক’রে থাকে, খুব বেশী স্বদে যবস্থাপীয়েদের টাকা ধার