পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


&ম সংখ্যা ] یہمتیہ-- معمے مہم ممقصء শ্ৰেন্থঃ, এ সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন, তাহার আলোচনা পূৰ্ব্বে আমরা অনেক করিয়াছি। এবারেও অঙ্কজ কিছু বলিব। কিন্তু লর্ড আরউইন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের चांनन गचरक यांश वणिब्रां८छ्न उठांश चट्टनक देश८ब्रजe भांzनन नl, चांभब्रांe शांनिशांध न । चांभां८भन्न মনে হয়, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তভূক্ত হইয়া থাকিবার স্থবিধা কি তাহা বুঝাইতে গিয়া লর্ড আরউইন তাহার বক্তৃতায় ১৯২৬ সনের Relations Committee-A factition of oth fast गांथां८छब्र त्रांमर्न गषक शांशं दणां इहेब्रां८छ् उांशांज्ञ e লীগৃ অফ নেগুনস্-এর জাদশের একটা সমন্বয় করিতে চাহিয়াছেন। কাৰ্য্যক্ষেত্রে, এমন কি চিন্তাক্ষেত্রেও, ७ गभद्यञ्च चांछe झञ्च नाँई । cकांनe निन झहे८व किन সন্দেহ আছে। বিখ্যাত ইংরেজ লেখক মিঃ এইচ-জি ওয়েলস বলিয়াছেন, কিছুদিন পূৰ্ব্বে এমন এক সময় আসিয়াছিল যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্য পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন কালচারের সমন্বয় করিয়া পৃথিবীতে বিশ্বমৈত্রী স্থাপিত করিতে পারিত। কিন্তু সেদিন গিয়াছে, সে স্থযোগ সে হারাইয়াছে। পৃথিবী আজ আর ব্রিটিশ জাতির জন্ত অপেক্ষা করিয়া নাই,— Inter-imperial

  • For me, I live in the Empire as a man

who occupies a house with an expiring lease. I can contemplate the disappearance of the last imperial links with equanimity. The Union Jack now signifies neither exceptional efficiency nor exceptional promise..........I should be glad to see the English-speaking communities throughout the world free now to recombine in some more progressive unity, un-encumbered by any special responsibility sor India, most alicn of lands, and freed from our formally snobbish traditions.” বিবিধ প্রসঙ্গ-ডোমিনিয়নত্ব পাইবার সস্তাবনা আছে কি ? 46.3 ভারতবর্ষের কোনদিন ডোমিনিয়নত্ব পাইবার সম্ভাবন আছে কি ? কিন্তু তবুও যদি স্থদুর ভবিষ্যতেও ভারতবর্ষের একটা ডোমিনিয়নে পরিণত হুইবার কোনও সম্ভাবনা থাকিত, তবুও আমরা শেষ লক্ষ্য হিসাবে না হউক, পথের পাশে একটা বিশ্রামের স্থান হিসাবেও ডোমিনিয়ন ষ্টেটাসকে बब्र१ कब्रिब्रां जहेङांभ । किरू खांब्रउवांनौcमग्न श्रृंद्रक ডোমিনিয়নত্বের আশা করা প্রায় মরীচিকার পিছনে ছটার মত। আমাদের এই বিশ্বাস মিঃ উইনষ্টন চাৰ্চ্চিল বা লর্ড বার্কেনহেডের মত ইংরেজ রাজনীতিবিদগণের আপত্তি ও বাধার উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, ডোমিনিয়নত্বের প্রকৃত স্বরূপের ব্যাখ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত । এই ডোমিনিয়নত্ব কি ? ১৯২৬ সনের ইম্পিরিয়াল কনফারেন্সের রিপোর্টে ডোমিনিম্বন কাহাকে বলে তাহার একটি সংজ্ঞ আছে। সংজ্ঞাটি এই—“They are autonomous communities within the British Empire, equal in status, in no way subordinate one to another in any aspect of their domestic or external affairs, though united by a common allegiance to the Crown, and freely associated as members of the British Common-wealth of Nations.” “R ow; oft <arì vìrtcs cw,*Every self-governing member of the Empire is now the master of its destiny. In fact, if not always in form, it is subject to no compulsion whatever,” sident co oft how স্বাধীন অংশীদারদের একজন নয় তাহাও স্পষ্টভাষার এই রিপোটেই বলা হইয়াছে। ডোমিনিয়নত্বের এই সংজ্ঞা পড়িয়া প্রথমেই যে কথাটা মনে জাগে তাহা এই—গ্রেটব্রিটেন ও ডোমিনিয়নগুলির মধ্যে বাধ্য-বাধকতার অভাব। গ্রেটব্রিটেনের পালামেণ্ট ডোমিনিয়নের আভ্যন্তরীণ বা পররাক্টিক কোন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না, কোনও ডোমিনিয়ন ইচ্ছা করিলে যুদ্ধের সময়ে গ্রেটব্রিটেনের পক্ষে যোগ না দিতে