পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


وان كلا واة في مهندسة لانه يمكن কংগ্রেসের কার্য্যপ্রণালী দেশের বর্তমান অবস্থায় ইহার কোনও আগু সম্ভাবন আছে বলিয়া আমরা মনে করি না। কংগ্রেস পূর্ণ-স্বরাজলাভের উপায় হিসাবে আমাদিগকে যে সকল পন্থা অবলম্বন করিতে বলিয়াছেন সেগুলির সম্বন্ধে আমাদের ধাহা বক্তব্য তাহ আমরা প্রবাসীর গত সংখ্যায় বলিয়াছি, এবং এই প্রসঙ্গে আমরা এই অভিমত্তও ব্যক্ত করিয়াছি যে, তিনটি বর্জনের মধ্যে আমরা বিদেশী কাপড় বর্জনই সৰ্ব্বাপেক্ষা স্বসাধ্য এবং দেশের পক্ষে সৰ্ব্বাপেক্ষ কম ক্ষতিকর মনে করি। কিন্তু दिएननै बद्ध दर्बानब्र कथॉफ़े ७८नरल वङ्कांण षद्विब्रां চলিয়া আসিয়াছে, সেই কারণে উহার সম্বন্ধে দেশের জনসাধারণের মনে আর নূতনত্বের আকর্ষণ নাই। সাধারণ মাস্থ্য বিচারবুদ্ধির বশে চলে না, ঝোক, উৎসাহ বা আবেগের বশে চলে। লেজন্ত এখন এমন একটা পথ १ब्रा श्रदशक श्वांशं८७ ८णां८कब्र यtन ठे९णांश् छtनां । “স্বাধীনতা-দিবসে’র মড উৎসবের এই দিক হইতে একটা সার্থকতা আছে। কিন্তু আমাদের কাজ শুধু উৎসবেই আরন্ধ ও উৎসবেই শেষ হইলে চলিবে না। আরও নির্দিষ্ট একটা কাৰ্য্যপ্রণালীর দরকার। পণ্ডিত মতিলাল নেহরু এইরূপ আপত্তির প্রতি ইঙ্গিত করিয়া দেশকে সেনাপতির প্রতি আস্থাবান থাকিতে বলিয়াছেন, এবং একথাও বলিয়াছেন, যে, মহাত্মা গান্ধীর আদেশ আসিতে বেশী দেরী হইবে না। মহাত্মাজীও ষ্টেটসম্যানের এক সংবাদদাতার নিকট বলিয়াছেন, ষে, আমাদের উদ্যোগ শেষ হইলেই বৈধ আইন-অমান্ত আন্দোলন আরম্ভ হইবে, এই আন্দোলন বার্গালীতে অবলম্বিত প্রণালী অনুসারেই পরিচালিত হইবে, ও কয়েকমাসের মধ্যেই এক সময়ে নানা জায়গায় আইন-অমান্ত আন্দোলন আরম্ভ श्रद । देशं चांभब्रां गौठौन भtन कब्रि। चाझेनঅমান্ত আন্দোলন গুরুতর জিনিষ। সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ না হইলে উহা আরম্ভ করা উচিত হইবে না। .তাহা হইলে লাভ অপেক্ষ ক্ষতিরই সম্ভাবনা অধিক।" [ २>* छांनं, २६ ६६ यशग्रा गोकौ uरे गश्वानशांडाव्र निकहे ज दणिबाइन, cष, uहेबांtब चाहेर्न-चयांछ च एक शाशरउ cप्नोब्रिtछोब्राद्र शांकांब भड घनाद्र शाब्र चर यक ना इहेब यांब छांशब्र थकफै। छेथांब डिनि बा করিতে চেষ্টা করিতেছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পী তিনি বিশেষ কোন • একটা স্থিরসিদ্ধান্তে আসিতে পা নাই, কিন্তু এ সম্বন্ধে তাহার চেষ্টার ক্রটি হুইবে না। আমরা এই অভিমতেরও সমর্থন করি। আী পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, যে, বিলাতী পণ্যবর্জনের চেষ্টা । নিরুপন্ত্ৰৰ আইনলঙ্ঘন শান্তিপূর্ণভাবে চালাইতে হইে এই দুইটিকেই উপজবপূর্ণ করিতে চেষ্টা করিবার লো:ে অভাব হইবে না ; ভাঙ্গ সত্বেও যদি দেশের লে সহিষ্ণুত অবলম্বন করিয়া ধীর শাস্ত থাকে, তাহা হই ठांशं८मब्र जइ श्tब ।। এই ত গেল আইনলঙ্ঘন আন্দোলনের নৈডি যোগ্যতার কথা। এবারে জামরা ব্যবহারিক বুদ্ধির দি कििञ्च चांहेनलज्शन चांद्रमाणन गृषक कट्टङ्गक*ि क्षिाः আলোচনা করিব। ষে যাহাই বলুক না কেন, আইনলঙ্ঘন আন্দোল যুদ্ধেরই আর একটা দিক। ১৯২৩ সনের ফেব্রুয়া মাসের পর হইতে জার্শ্বেনীর রূহর প্রদেশে যাহা ঘtে কিংবা ১৯২৬ সনের মে মাসে ইংলণ্ডের শ্রমজীবীরা যাই कब्रिहउ छांह, उांशं जांखबर्षांठिक चाहेtनग्न नृश्छ অন্থগারে যুদ্ধ না হইলেও দুই জাতি ও দুই শ্রেণীর মধে যুদ্ধেরই মত প্রচও একটা শক্তি-পরীক্ষা। যুদ্ধে যে দৈহিব মানসিক ও নৈতিক শক্তির প্রয়োজন হয়, এই সকৰু সংঘর্ষেও ঠিক সেই শক্তির, বরঞ্চ আরও বেণী দৈহিক মানসিক ও নৈতিক শক্তির প্রয়োজন হয়। একটা খুব বড় ধাক্কা না খাইলে কোন জাতিই নিজের মধ্যে সেই শক্তির সন্ধান পায় না। এই ধাক্কা জাতীয় বিপদের আশঙ্কা হইতে আলিতে পারে, ধর্শ্বের উপর আক্রমণের আশঙ্কা হইতে আলিতে পারে, আত্মসম্মানের উপর আঘাত হইতেও আসিতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশে এরূপ কোনও ধাক্কা আছে কি ? আমরা জাতিহিসাবে এখন যে অবস্থায় আছি তাহাতে ছুঃখ, দারিদ্র্য ও