পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম সংখ্যা ] বিবিধ প্রসঙ্গ—স্বাধীনতা সম্বন্ধে বড়লাটের মত ፃ¢ፃ বাংলা দেশে বন্দবিলায়ও প্রজারা যেভাবে সত্যাগ্ৰহ कब्रिाउद्दछ् ष्ठांश् चठिभग्न ८औब्रद eथथश्नांब्र विषञ्च । কিন্তু পল্লীঅঞ্চলে কাজ করিৰার পথে কয়েকটি গুরুতর বাধা আছে। পণ্ডিত জবাহরলাল বা ধাহীদের তাহার মত প্রতিপত্তি ও প্রতিষ্ঠা আছে তাহাদিগকে পল্লীতে পল্লীতে বক্তৃতা করিতে দেখিলেও মফস্বলের সরকারী কৰ্ম্মচারীরা হয়ত উপদ্রব করিতে বা বাধা দিতে সাহস পাইবে না। কিন্তু মফস্বলের সাধারণ লোকের পক্ষে ইহা অতিশয় দুরূহ। মফস্বলের সরকারী কৰ্ম্মচারীরা সাধারণত অধিকতর ক্ষমতাশালী ও অত্যাচারী। গভর্ণমেণ্টও সহরে সভাসমিতি, বক্তৃতা অপেক্ষা মফস্বলের সভাসমিতি সম্বন্ধে অনেক বেশী সতর্ক। ঐযুক্ত জ্ঞানাঞ্চন নিয়োগীর পুনঃ পুনঃ কারাদও ইহার প্রমাণ। পল্লীগ্রামের छनगांशांब्र१७ जश्ब्रबांनॆौ८मब्र च८*चक छैौङ्ग, चख ७ _সরকারী কৰ্ম্মচারীর স্তাবক। সেজন্ত কংগ্রেসের পক্ষ হইতে মফস্বলের সরকারী কৰ্ম্মচারীর বিরুদ্ধে সৰ্ব্বপ্রথম অভিযান করা উচিত। জেলায় মহকুমায় সরকারী কৰ্ম্মচারীরা যাহাঁতে স্কুল কমিটি, কলেজ কমিটি, স্থানীয় জনহিতকর প্রতিষ্ঠানে না যাইতে পারে তাহার চেষ্টা করা উচিত। মফস্বলের জনসাধারণের মনে যাহাতে স্বাবলম্বনের অভ্যাস গড়িয়া উঠে তাহার চেষ্টা করা উচিত। শিক্ষিত ভঞ্জলোকদের মধ্যে ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেটার মোহ ঘুচান উচিত। ভারত গভর্ণমেণ্ট বা প্রাদেশিক গভর্ণমেণ্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন আলোচনা যথেষ্ট হইয়াছে ও হইতেছে। এখন মফস্বলের লোকদের রাষ্ট্ৰীয় উদ্বোধনের কাজ আরম্ভ করাই প্রথম কথা । স্বাধীনতা সম্বন্ধে বড়লাটের মত ২৪শে মাঘ, ৭ই ফেব্রুয়ারী, লক্ষেীর দরবারে বড়লাট যে বক্তৃতায় ভারতবর্ষের ডোমিনিয়ন ষ্টেটাস ও পুর্ণ স্বরাজ বা স্বাধীনতা সম্বন্ধে নিজের মত প্রকাশ করেন, তাহা হইতে আমরা কিয়দংশ উদ্ধৃত করিয়াছি। এই বক্তৃতাতে তিনি আরও বলেন যে— There can no longer be any doubt that whatever the means by which that policy, is brought to fruition. Great Britain can never have any other purpose for India than to bring her, to a place of equal partnership with the other Self-governing Pominions. As a step to pards the achievement of this p e His Mäjesty's Government, on whom along with Parliament ille ultimate responsibility rests, have solicited the counsel of representatives drawn.. from the several sides of life and thought in India.. that desire. and deserye to, have the opportunity of responding to His Majesty's Govern: ment's invitation. There... are some, who, seem determined to tread a different path and who have proclaimed, a policy which, if it might ever succeed, could not sail to involve India in irreparablo, misfortune, and disaster. The sinister possibilities of civil disobedience are mot such as ...to controlled by any formula, howeyer . patiently pondered or cunningly devised. It is impossible to suppose that people can he incited to break the law without such incitement, culminating, whether its authors so desire or not, in violent action...Qn the one side is free membership in the British Commonwealth, where the diverse gifts of each constituent part may be linked for the common betterment of the whole society and of the human rasp, and on the other lies independence for which India , is invited to destroy that influence for unity which springs from a common loyalty the person of the Crown in order that when the flames of anarchy have exhausted their destructive force she may perhaps at last achieve a state of precarious and powerless isolation. বড়লাটের বক্তৃতার এই অংশে ডোমিনিয়ন ষ্টেটাসের মাহাত্ম্য এবং পূর্ণ স্বরাজের মহা অনিষ্টকারিতা ও বিপদ বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু ডোমিনিয়ন ষ্টেটাস যে কবে পাওয়া যাইবে, তাহা বড়লাট বলেন नांझे, बिछि* ८कॉन शब्लौe य८लन नॉहे । दब्र६ षङ দিন যাইতেছে ততই স্পষ্ট বুঝা যাইতেছে যে, অদূর ভবিষ্যতে কোন নির্দিষ্ট সময়ে ভারতবর্ষকে অন্ত ডোমিনিয়নগুলির সমান অধিকার મિો ডোমিনিয়ন করিবার ইচ্ছা ব্রিটিশ রাজপুরুষদের নাই। এই লক্ষ্মেীরের বক্তৃতাতেই বড়লাট বলিয়াছেন, যে, ভারতবর্ষকে ডোমিনিয়নত্বে লইয়া যাইবার সোপানশ্রেণীর একটি ধাপ অতিক্রমকরিবার জন্ত as a step towards the achievement of this purpose") coin &fn বৈঠকে ব্রিটিশ গবৰ্ম্মেণ্ট ভারতীয় জীবন ও চিন্তার নানা দিকের প্রতিনিধিদের পরামর্শ চাহিয়াছেন। গোল টেবিল বৈঠকের উদ্বেগু ষে ভারতবর্ষকে অবিলম্বে ডোমিয়নত্বদান নহে, তাহা ভারতীয় ব্যবস্থাপক সভায় বড়লাটের গত জানুয়ারী মাসের বক্তৃতাতেও পরিষ্কার বুঝা যায়। বড়লাট বলিয়াছেন, ভারতবর্ষের লক্ষ্যস্থল কি এবং