পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


« N "Nji j বাবধ প্রসঙ্গ—নাগপুরে প্রবাদী বঙ্গসাহিত্য-সম্মেলন Գ(շ> লোক বেশী সংখ্যায় বাছিবেন না যাহারা ভারতবর্ষকে ডোমিনিয়নত্বেরও যোগ্য মনে করে না, তার চেয়েও নিকৃষ্ট কিছু চায়, এরূপ কোন গ্যারাটি কেহ দিতে পারে কি ? ব্রিটিশ-শাসিত ভারতেই ইংরেজদের পছন্দসই “প্রতিনিধি” যথেষ্ট আছে। তাহার উপর পাটিয়ালার মহারাজার মত দেশীয় রাজ্যসমূহের ধামাধর প্রতিনিধির আছে। স্বতরাং গোল টেবিল বৈঠক আমাদিগকে ডোমিনিয়নত্বের নিকট সেই পরিমাণে লইয়। ষাইতে পারে, আকাশের যেদিকে রামধন্থ উঠে সেইদিকে দৌড়িয়া গেলে ষে পরিমাণে রামধন্থর নিকটবৰ্ত্তী হওয়া যায়। আমাদের अश्धांनü युनि भि५Iां ङ्य़, उांश इहे८ण थशांनभङ्गेौ, डांब्रडসচিব, বড়লাট—যে-কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ঠিক করিয়া বলুন না কবে কড়দিন পরে তারতের ডোমিনিয়নত্বপ্রাপ্তি ঘটিবে ?–পাচ বৎসর, দশ বৎসর, পচিশ বৎসর, পঞ্চাশ বংলর, এক শতাব্দী, দুই শতাব্দী—কত দিন পরে ? வயை ,ே & عه ع “ইণ্ডিয়া ইন বণ্ডেজ” সরকার “ইণ্ডিয়া ইন বণ্ডেজ" বহি রাজদ্রোহউত্তেজক বলিয়া বাজেয়াপ্ত করিয়াছেন। উহার মুদ্রাকর ও প্রকাশক ক্রযুক্ত সজনীকান্ত দাস এই ছকুমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল করিয়াছিলেন । প্রধান বিচারপতি ও অন্ত দুজন জত্ব একত্র বদিয়া আপীল নামঞ্জুর করিয়াছেন। প্রধান বিচারপতির রায়ে বলা হইয়াছে ঃ– “People who are so unfortunate as to be unable to advocate change in the form of government without attempts to bring into hatred or contempt or to excite disaffection towards he Government established by law have not been specially favoured by legislature either by the terms of the section itself or by the explanations. They may take their grievance, if any, to the legislature but the section while it stands must be interpreted according to the plain and natural meaning of its words.” প্রধান বিচারপতি এরূপ কোন ভাগ্যবান ব্যক্তির ब्रांभ शशि कब्रिब्र प्रिंटडन क्षिनि छांब्रउवtर्षब्र गंवान्राक्प्ले পরিবর্জনার্থ ব্রিটিশ-শাসনের এরূপ সমালোচনা করিয়াছেন যাহার অক্ষরে অক্ষরে ঐ শাসনের ও শাসনকৰ্ত্তাদের প্রতি ভক্তিশ্রদ্ধা ও প্রেমের বন্ধ বহিস্থাছে, তাহা হইলে আমরা নিরতিশয় জন্থগুহীত হইতাম । ইংলণ্ডের বড় বড় রাজনীতিজ্ঞেরাও (ধাহাদের অনেকের উক্তি এই পুস্তকে উদ্ধৃত হইয়াছে ) এই অসাধ্যসাধন করিতে পারেন নাই। প্রধান বিচারপতির রায় হইতে বুঝা যায়, পিন্সাল কোডের ধারাটি কিরূপ অমোঘ ও সাংঘাতিক । ভারতসচিব ওয়েজউড, বেন বলিয়াছেন, মত প্রকাশের জগু কাহারও দণ্ড হওয়া উচিত নয়। কিন্তু এই বহিতে কোথাও কাহাকেও বলপ্রয়োগ বা হিংসা করিতে সাক্ষাৎ ব। পরোক্ষভাবে বলা হয় নাই। কেবল অনেক ব্রিটিশ রাজপুরুষদেরই মতে মত প্রকাশ করা হুইয়াছে। অথচ ইহার জন্ত মুদ্রাকর ও প্রকাশকের শাস্তি হইয়াছে। বেন সাহেব আরও বলিয়াছেন, এখন তর্কযুক্তিরই জয় হইবে, অসহযোগের নহে । উত্তম কথা। কিন্তু মহাশয়েরা যে পুরামাত্রায় তর্ক করিতেও দেন না, অকাট্য ও ব্রিটিশ জাতির পক্ষে অন্ধবিধাজক তথ্যের ও যুক্তির অবতারণা করিলেই মুখ বা কলম বন্ধ করিয়া দেন, তাহার প্রতিকার কে করিবে ? নাগপুরে প্রবাসী বঙ্গসাহিত্য-সম্মেলন প্রবাসী বঙ্গসাহিত্য-সম্মেলনের অধিবেশন এবার নাগপুরে হইয়াছিল। প্রবাসী বাঙালীর যে-সকল স্থানে খবেন তাহ হইতে নাগপুর দূরবর্তী বলি এবং কৃষ্টমাসের সময় লাহোরে কংগ্রেস ও অন্ত নানা সভায় বহুসংখ্যক প্রবাসী বাঙালীকে যোগ দিতে হওয়ায় সম্মেলনে বেশী প্রতিনিধি উপস্থিত হইতে পারেন নাই। কিন্তু তাহার কাজ স্থনিৰ্ব্বাহিত হইয়াছিল। মহামহোপাধ্যায় প্রমথনাথ তর্কভূষণ মহাশয় সাধারণ সভাপতির আসন গ্রহণ করিয়াছিলেন । সম্মেলনের আগামী অধিবেশন আজমীরে হইবে । তথায় বাঙালীর সংখ্যা কম হইলেও তাহাজের মধ্যে উৎসাহী লোক আছেন।