পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬ষ্ঠ সংখ্যা ] বাড়িয়া যাইবে । হায় রে, নীতিকে একদিন সে জনবিশ্বক বলিয়া প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল এই পরিণাম হুইবে বলিয়া ? শিব পদর মনে হইল, প্রকাগু একটা সরীসৃপ দুই কুটিল চোখের ক্রুর মোহকরী চাহনিতে তাকে সম্মোহিত করিয়া ছুটিয়া মালিতেছে, পাকে পাকে তাকে বেড়িয়া ধরিয়া মুgাশীতলস্পশািভরানিবিড় আলিঙ্গনে জীর্ণ করিয়া ফেলিবে। অলকার দিকে চাহিয়া শিবপদ নিঃশ্বাস ফেলে। তাহাকে লষ্টয়া সংসারে যে একট। প্রবল অশান্তির শ্রোত বধিতেছে অনুভব করিয়া শাস্তু মেয়েটর লঙ্কা ও আত্মধিক্কারের সীমা নাক্ট । মুখ তার স্নান হইয়াহ থাকে। কতদিন শিবপদ তার নির্জনের প্রার্থনা শুনিতে পাইয়াছে,—“একটা যাহোক করে ফেল ঠাকুর, সকলকে মুক্তি দাও।” কতদিন অলকার চোগে অকারণের অশ্রু আবিষ্কার করিয়াছে। একান্ত মেঙ্গস্পদার মর্থযাতনার পরিচয়ে তার বুক জুলিয়া উঠিয়াছে, স্ট্রাখি সজল হুইয়াছে । বোমটিকে সুখী তার করিতেই হইবে। আর তার উপায় ৫ই দেড় হাজার টাকা । নিজেকে বিক্রয় করা ছাড়া ও টাকা কি মেলে না ? শিবপদ ভাবিল, ধৰ্মী উদার বন্ধু ও চিতাকাক্ষীর ক্তে: স্টার অভাব নাই, দেড় হাজার টাক। ধার মিলিবে না ? শোধ সে যেমন করিয়া পারে করিবেই । তাকে তে| সবাই চেনে । হুরেমবাবুর কাছে ছুটয় গেল। বলিল, “কিছু টাকা ধার দিতে হবে হরেনদ৷ ” —“তাই তে হে ।” হরেনবাবুর মূপ ভাবের পরিবর্তনে এবং কণ্ঠস্বরে শিরপদ একটু দমিয়া গেল । বলিল,“শোধ আমি নিশ্চয় দিতে পারব হরেনদ । চাকরীর টাকা কিছু কিছু জমিয়ে আমি দোকান খুলবে, প্রাণপণে পার্টল, তিন চার বছরের ভেতরে নিশ্চয়ই টাকাটা তুলতে পারব । ন! পারি, দোকান বিক্রি করে আপনার টাকা দিয়ে দেব ।” হরেনবাবু মনে মনে হাসিয়া প্রশ্ন করিলেন,"কত টাকা ?” “দেড় হাজার ।” “বলে কি হে ! অত টাকা দিয়ে করবে কি y" শিবপদ সব কথা খুলিয়া বলিল। বলা শেষ হইলে মিনতি করিল, “আপনার কত টাকা ব্যাঙ্কে পচছে, তামায় বঁাচান স্তরেনদী |" চাপা আগুন ꬃዓፄ ....അ- .باہمی ہے ،ع-- হরেনণ বঁiচাইল না। ভদ্র তা ও মিষ্টতার আবরণে শিবপদকে বাচাইতে তার অক্ষমতার চমৎকার কারণ দেখাইল । অকাট্য যুক্তি, ব্যাঙ্কে টাকা পচা দূরে থাক তার নিজের খরচ চলিবার মত টীকা ও না-কি তার নাই । শেষ করিলেন কণ্ঠস্বর নীচ করিয়া এষ্ট কথা বলিয়া,— “তোমার কাছ থেকে কথ: বার হবে ন জানি বলেই বলছি শিল্পদ, এগার হাজার টাকা দেন। ! কি করে শেfপ দেব ভেবে অন্ধকার দেগছি হে, বুঝলে ?” দেনার কথাটা না বৃঝিলেও শিবপদ আসল কথাট। বুঝিল । হরেনদীকে সে শ্রদ্ধা করিত, সে শ্রদ্ধ৷ হারাষ্টয়া অত্যন্থ বেদন বোধ করিল। টাকা মা দিত নাই দিত, এমনভাবে মিথ্যা ও ছলন। দিয়৷ সেই ন-দে গুয়াকে বিরুত করিয়| তুলিবার কি প্রয়োজন ছিল ? আরও দুই একজনের কাছে যাইবে ভাবিয়ছিল, গেল না। শ্রদ্ধা হারাষ্ট্রবার দুঃখ সহিতে তার মন রাঙ্গী হুইল না । বাড়ী ফিরিয়া আবার ভাবিতে বসিল । দিন তিনেক পরে সকালে ঘুম ভাঙিতেই সমস্যাটার অত্যস্ত সহজ সমাধান শিবপদ আবিষ্কার করিয়া ফেলিল । মুগ হাত ধুইয়াই সে সলিন্সের কাছে ছুটয় গেল । সলিল তার বন্ধু । বড়লোকের ছেলে, সচ্চরিত্র এবং এক্টবর এম-এ পাশ করিয়াছে । সলিল শুনিয় মাথ নাড়িয়া বলিল, “সে হয় ন ভষ্টি, বাবার মত হবে না । আমি যে কত দূর দুঃগিত হস্রাম---" শিবপদ বলিল, “রাগ তোর দুঃখ । অলকাকে তুষ্ট চিনিস, কাকাবাবুর মস্ত হবে না কেন ? তার তো টাকার ভাব নেষ্ট যে ছেলের বিয়েতে কিছু রোজগার না করলে চলবে না। তুষ্ট ও স্তে প্রতিজ্ঞ করেছিলি পণ না নিয়ে গরীবের মেয়ে বিয়ে করবি।" সলিল মুড় হাসিয়া বলিল, “এপনে ছেলেমাতুস আছিস শিবু । ট্যদল পুকুরের জমিদার মেয়ের টকটকে রঙ আর চকচকে টাকা দেখিয়ে বাবার চোখে এমন পাপ লাগিয়ে দিয়েছে সে অন্ত কোনো মেয়ে তিনি চোপেষ্ট দেখতে পাবেন না। বুঝলি ?” শিবপদ বুঝিল । বুঝিয় মাথা নীচু করিয়৷ ফিরিবার উপক্রম করিতেই সলিল তার হাত চাপিয় ধরিত্ন ।