পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ԳԵ-Ջ যে, এই পরাজয় জাৰ্ম্মেণীর দুর্ভাগ্যের কথা কিন্তু জাৰ্ম্মাণবাহিনীর পক্ষে লঙ্গার কথা নহে । যুদ্ধশেষে জ্ঞাৰ্ম্মেণীর সেনানায়কগণ ছিণ্ডনবুর্গ কাইজার বুডেনডফ' জাৰ্ম্মেণার পরাজয় জাৰ্ম্মাণ সামরিকতার পরিণাম= এই কথাও কেহ-কে বলিতেছেন। জাৰ্ম্মাণ সাম্রাজ্যের শীর্ষভাগে দাড়াইয়াছিলেন কাইজার –আর তাঙ্গার অসহনীয় দত্ত ও দুৰ্দ্দম রণপিপাসার পশ্চাতে ছিল প্রশীয় গণত্রধৰ্ম্মী অভিজাত সম্প্রদায় । জাৰ্ম্মাণ সাম্রাজ্য এই ক্ষাত্র অভি জাত্যের নীতির উপরে দাড়াইয়াক্ট সদপে বলিতেছিল – বীরভোগ্য। বল্পদ্ধর । তাই, কুট রাষ্ট্রনীতির পরাজয়ে জার্মাণগণ বিচলিত হয় নাই, তাই যখন ১৯১৪ সনের যুদ্ধ সমুপস্থিত হুইল তখন তাঙ্গদের আর অবসর সঙ্গিল না। ১৮৭০-র মত দুইদিনেই আবার বিজয়গৰ্ব্বে প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত হইতে পারিব, ইহাক্ট ছিল প্রত্যেক জাৰ্ম্মাণের বিশ্বাস । কিন্তু যুদ্ধ ঘূপন মাসের পর মাস, বৎসরের পর বৎসর বহিয়৷ চলিল, তপন ক্ষাত্রাভিজাত্যের শেষপরীক্ষা হইয়া গেল। জাৰ্ম্মাণ যুদ্ধ যেমন অনিবাধা ছিল, জাৰ্ম্মেণীয় পরাজয়ও ছিল তেমনি অনিবাধা- দুয়েরই হেতু প্রশীয় ক্ষত্রিয় অভিজাতগণ । কি স্থ, সতাই কি জাৰ্ম্মাণ যুদ্ধ জাম্মেণার জন্তঙ্গ সঙ্গলটিত ইষ্টয়াছে ? ভেসাএ'র সন্ধিপত্রের একটি সৰ্ব হইতে এইরূপই ধারণা জন্মে । কিন্তু বৰ্ত্তমান জাৰ্ম্মেণীর সমস্ত প্রচেষ্টা এক্ট কলঙ্ক-ক্ষালনে নিয়োজিত হইয়াছে । মাসে মাসে জাৰ্ম্মেণী বিশেষপত্রে, বিশেষ গ্রন্থে, নিজেদের ঐতিহাসিক ও রাষ্ট্রনেতা, বিদেশীয় রাষ্ট্রদূত, ঐতিহাসিক ও মনীষীদের তথ্যপূর্ণ রচনা ও গোপন সংবাদ বাহির করিয়া তাহার প্রবাসী—চৈত্র, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড এই অপরাধ ও অপযশ মুছিয়া ফেলিতে চেষ্টা করিতেছে। বৰ্ত্তমান জাৰ্ম্মেণীর এই উদ্যোগ, এই তৎপরতা ও এই নিষ্ঠা দেগিলে আশ্চৰ্য্য হইতে হয়, মনে মনে একটু করুণাও জাগে, একটু হাসিও পায় ! পরাজয়ের লজ্জা হইতেও যেন জাৰ্ম্মেণীর নিকট যুদ্ধারম্ভের কলঙ্ক অসহনীয় : ও দুর্ভাগ্য গুণক্ষ্মেণীর মিথা কগঙ্ক বগুমান যুগের জাৰ্ম্মাণ ঐতিহাসিকগণ যে স্বদেশের অপযশ বিমোচনে চেষ্টিত ষ্টক্টবেন ইহাতে বিস্ময়ের কথা কিছুষ্ট নাই। জাৰ্মাণ ঐতিহাসিক তাঙ্গার গবেষণার মধ্যে ডুবিয়া থাকিলেও মাতৃভূমিকে বিস্তুত হন না । মমৃজেন্‌ এর বিপুল ও বিস্ময়াবহ ঐতিহাসিক সাধনার গৌণ উদ্বেগু ছিল, সৰ্ব্ববন্ধন-মুক্ত রাজশক্তিকেই জাতির বিস্তার ও বিকাশের পক্ষে শ্রেয়তম শক্তিকেন্দ্র বলিয়। প্রমাণ করিয়া সমসাময়িক জাৰ্ম্মেণীর সমক্ষে একটি আদশ স্থাপন করা। কিন্তু বৰ্ত্তমান জাৰ্ম্মেণী যে শুধু এইরূপ ঐতিহাসিক গবেষণাই করিতেছে এমন নয়,—গ্রীক ইতিহাস (বেলথ ৪ কারষ্টেটু-এর, এবং ভিলকেন-এর মিশরের টলেমীয় যুগের ধৰ্ম্মব্যাখ্যান), রোমের ইতিহাস (ডেশাউ, ষ্টাইন প্রভৃতি , বেবিলন ও অ্যাসিরিয়ার, ইতিহাস । মাইস্নারূ-রচিত ), মিশর ও অ্যাসিরিয়ার প্রাচীন কাহিনী (মাইয়ের), য়িহুদীদের ইতিহাস ( কীটেল-সঙ্কলিত ), মধ্যযুগের চার্চের বৃত্তাস্ত শুবার্ট রচিত –বর্তমান জাৰ্ম্মেণীর নিম্প হু ঐতিহাসিক