পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


b">や প্রবাসী—চৈত্র, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড , -م--س۔ ام---- বরং বন্ধুবিরহের উদ্বেগে কদিন একটু বেশীরকম চঞ্চল ছিল । তারপর -কেমন চিলে ব’ল । কৈ তোমার এত দেরী হ’ল কেন বললে না ত। কোন রকম...” কিন্তু বোধ হয় ধরা পড়ে গেলাম,—সম্ভবতঃ এই চাপা: দেওয়ার চেষ্টা করতেই ডাক্তারের কৌতুহলটাকে জাগিয়ে তুললাম। তিনি আমার কথাটাই উণ্টে নিয়ে আমার ওপর প্রয়োগ করলেন ; মুখের ওপর তীক্ষ দৃষ্টি ফেলে বিশ্বয়ের ভাণ ক’রে বললেন, "া, নাড়ী বেশী রকম চঞ্চল —তবে ত নির্থাৎ প্রণয়ের চোট—তাতে আর সন্দেহ মাত্র নেই ; সে আঘাতে বিছাং-প্রবাহ থাকে কি না।” আমি তখনও আত্মগোপনের চেষ্টাট পরিত্যাগ করলাম না, হেসেই জবাব দিলাম, ‘সত্যি নাকি ? তাহলে ওটা তোমাদের ডাক্তারিরই একটা অঙ্গ ব’ল—XPrays, hattery-গোছের একটা ব্যাপার । তোমরা ‘প্রেম প্রেম’ কর, আমার একটা ভয় ছিল—ন জানি বাঘভাল্লুক কি একটা হবে বা ।” কথা কি একটু বেশী বলে ফেললাম ! বন্ধুর দৃষ্টি আর হাসি দেখলাম আরও ধারাল হয়ে উঠেছে—র্তার বিশ্লেষণের ছুরির মত। হাসতে হাসতে বললেন, “ভয় এবার আমাদের হবার পালা ; লক্ষণ ত ভাল বোধ হচ্ছে না ।" পরিত্রাণের বৃথা চেষ্টা । ধরা পড়ে গিয়ে হঠাৎ যেন মরিয়া হ’য়ে উঠলাম। .. কেন বলব না ? এত গোপনের আয়াস কিসের ? যা আমার কাছে দিনের আলোর মত সভা তা দিনের আলোর মতই সবার কাছে মুক্ত হয়ে থাকৃ—-এত প্রত্যক্ষ যার চোখে পড়বে না তার দৃষ্টিশক্তির জন্যই চিন্তিত হবার কথা । পূৰ্ব্বাপর সমস্ত ঘটনা একসঙ্গে মনে জেগে উঠে সারা শরীরে কাটা দিয়ে উঠল। আমার অটল বিশ্বাসের দুৰ্ব্বার শক্তি নিয়ে আমি যেন বন্ধুর অবিশ্বাসের ওপর ঝাপিয়ে পড়লাম, বললাম—“শোন ডাক্তার, আমি মালী নয়—ঐ বাড়ীটাতে যে একটা কিছু ব্যাপার হচ্ছে তা তোমার বিশ্বাস করতেই হবে। আমি স্বচক্ষে দেখেছি।" "হা—হা—হা”—শন্ধে চমক ভাঙল। বন্ধু হেলে AAAA AAAA AAAASAAAAMSMS نــــوسید.هـ = ه“صمw বলছেন, “আমার থিওরি –ও বাড়ী অন্ধসংস্কার মাথায় ঢোকাবেই। এই দেখ, তোমাকেও পাকড়াও করেছে, শিক্ষাদীক্ষা সব জাহান্নামে গেল। তা হ'লে মালী বেচারা আর কি দোষ করেচে বল ?” আমার আজ হার, বন্ধুরই জয় –ৰ্তার ভাষা জামায় বিপন্ন করে তুলছিল। বলতে লাগলেন, “দেখেছ তাহলে ? কি দেখলে ? কোথায় কিছু নেই, ঘরের মধ্যে এক অনৈসর্গিক আলো ফুটে উঠল, আর দেখতে দেখতে এক অসামান্ত স্বন্দরী-বল—আমার একটু এগিয়ে দাও --* * বুষ্টির ধারা প্রবলবেগে নেমে যেমন মাটির স্পর্শমাত্রই নিজেই চূর্ণ হয়ে যায়, আমার অত দন্তের বিশ্বাস যেন তেমনি শতধা খণ্ডিত হয়ে গেল। আমি নিতান্তু অপ্রতিভ হয়ে পড়েছিলাম। নিজেকে সামলে নেবার চেষ্টা ক'রে বললাম, "আঃ, কি আপদ! সবটা শোনই না আগে—দেখেছি কেউ ও-বাড়ীটার কাছে ঘে সতে চায় ন৷ ” বন্ধু বললেন, “কিন্তু সেটা কি প্রমাণ দেখ বন্ধু, বিধাতা দুনিয়াটাকে এমন ঠেসে বাজে জিনিষ দিয়ে ভরাট করে দিয়েছেন যে, ওসবের জন্সে আর জায়গা নেই। ভুল ক’রে ফেলেছেন নিশ্চয়, কিন্তু আর উপায় নেই তার। বস, ধড়াচুড়া ছেড়ে আসি ; নালিশের বিচার কিন্তু অসম্পূর্ণ রইল। সেদিন সন্ধ্যার একটু আগে। বাগানে একটা ক্যাম্প-চেয়ারে বসেছিলাম। ডাভার অনেক পূৰ্ব্বে কোথায় বেরিয়ে গেছেন। আজ বিরুদ্ধমূী চিন্তায় আমায় অবসন্ন করে ফেলেছে --- ডাক্তারের কল্পনাবিমুখ, স্বস্ব মনের স্পর্শ চেয়েছিলামতা পেরেছি। কিন্তু তার এই শক্তি হ’ভে জোর পেয়ে আমি যতই আমার অভিজ্ঞতা আর উপলব্ধি থেকে কল্পনার অংশট। ঠেলে ফেলবার চেষ্টা করছি তন্তf সেটা ঘনীভূত, অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠছে। মনে হচ্ছে : আজ যেন কাকে বিদায় দিতে বসেছি। আমার