পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


bుస్చిరి ঠাও হ’য়ে আমার একটা কথার জবাব দাও ত ।” “कि ?” “আমি বলছি তোমার কথাটাই বরং গল্পটাকে পুর্ণ করছে।” আমি একটু বিশ্বিত হয়ে ঘললাম, "ডার মনে ?” “তুমি র্যাকে দেখে থাক তিনিই হচ্ছেন সেই তৃতীয় ব্যক্তি র্যাকে আমি খুজিছিলাম।” একটু ব্যঙ্গের স্বরে বললাম, “মালীকে পেয়ে সন্তুষ্ট হতে পারলে না ?” "না, কারণ কেউ মালীকে সচরাচর নিজের পরিবারের মধ্যে ধরে না। ওটা হ’য়েছিল আমার হিসেবের গেfজামিল ।” “কিন্তু তুমি ত অত খুজেও তাকে পাও নি সেদিন ।” “ঠিক সেই সময়টিতে বোধ হয় ছিলেন না বাড়ীতে।” “আর—ঠিক দুপুর বেলাটিতে থাকেন ?” “তুমি রোজ ঐ সময়টায় দেখ ব’লেই যে শুধু দুপুর বেলাতেই থাকেন, আর আমি একদিন সন্ধ্যার সময় দেখতে পেলাম না বলে কোনো সন্ধ্যায়ই থাকেন না—এ রকম নিয়ম বেঁধে ফেলি কি করে ? এবার খোজ নিলেই এর পরিচয়, গতিবিধি—সব টের পাবো। মাত্র দু’জন পাগলেই যে • •••” আমি আবার ডাক্তারের হাতটা ধরে অসহিষ্ণুভাবে বলে উঠলাম, “না, আমি তোমার সব কথ। বিশ্বাস ক’রে নিচ্চি, ডাক্তার ; তুমি তোমার অবিশ্বাসের উপদ্রব নিয়ে ওর মধ্যে আর যেও না! তোমার দোহাই, তোমার বিজ্ঞান-দেবতার দোহাই ।” 事 歌 事 寮 আমার সেদিন সন্ধ্যা থেকেই কতকগুলো খণ্ড খণ্ড মেঘ আকাশে এসে জড় হয়েছিল। রাত যেমন এলিয়ে চলল, হাওয়াটা একটু প্রবল হ’য়ে সেগুলোকে আকাশ-প্রাঙ্গণে ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত করতে লাগল। নীচের জ্যোৎস্না বেয়ে মেঘের দীর্ঘ সচল ছায়াগুলা ঘোরাফেরা করে সে রাত্রে পৃথিবীর ওপর কি-এক যেন অলৌকিক ব্যাপারের আনুষ্ঠানে লেগে গেল। প্রবাসী—চৈত্র, ১৩৩৬ [ ২৯শ ভাগ, ২য় খণ্ড ক্রমে রাত্রি গাঢ় হল। ভধানীপুরের দৈনিক জীবনের শেষ স্পন্দনটুকুও ধেমে গিয়ে আকাশ ভূতল স্তব্ধ হয়ে গেল । স্বপ্ত জনপদবাসী নিশাচরদের জন্ত আসরটা যেন খালি করে দিলে। শুধু আমার চোপে ঘুম নেই। আজ সমস্ত তর্কঅবিশ্বাসের আবর্জনা পায়ে ঠেলে যেন এক মহাপুরস্কারের অধিকারী হয়েছি,—জানি ন তা মিলনের হাসি, কি চির-বিদায়ের অশ্রুজল—কিন্তু আমি বন্ধাঞ্জলি হয়ে বিনিদ্রনয়নে তারই অপেক্ষায় বসেছিলাম। প্রতীক্ষায় প্রতীক্ষায় ক্লান্ত হয়ে শেখরাত্রে বোধ হয় তন্ত্ৰালু হয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ একটা ব্যস্ত—খটু খটু খট্‌খটু শব্দে তন্দ্র ভেঙে গেল । হাওয়াট। ঠাণ্ডা ছিল ব'লে পশ্চিম দিকের জানলাট একটু আগে বন্ধ করে দিয়ে ছিলাম--তারই ওপর যেন কার সনিৰ্ব্বন্ধ করাঘাত পড়ছে । হস্তদন্ত হ’য়ে উঠে খুলে দিতেই—একটা দমকা হাওয়া ঘরে ঢুকে পড়ে আসবাবপত্রগুলাকে বিচলিত করে তুললে । মনটা যেন ছাৎ করে উঠল—যা—একরভি ভুল— একটু দেরীতে সব গেল -- তীব্র উৎকণ্ঠায় বাইরে চেয়ে রইলাম। কিছু নেই। শুধু বাতাসের হা হা রব। যেন কার মৰ্ম্মম্ভদ শোকোচ্ছ্বাস—কোথাও সাত্বনার মধ্যে বিরাম না পেয়ে ক্রমাগতই বয়ে বলেছে—হা-হা -হা—হা—হা । —আর সেই সঙ্গে ছায়ার সেই নিঃশব্দ মিছিল ! বিশেষের মধ্যে চোখে পড়ল পশ্চিমের বাড়ীর পরিচিত জানলা দুটে খোলা ! জোর হাওয়ায় দেওয়ালংলগ্ন লতার খানিকটা স্থানচ্যুত করে কপাটের উপর ফেলেছে । —তবে কি রাত্রির শেষ প্রহরেও দিনের নাট্যের আর একটা অঙ্ক অভিনীত হয় ? না, এটা... এই সময় মান জ্যোৎস্নাটা হঠাৎ পরিস্ফুট হয়ে উঠল এবং আমার চিস্তার মাঝখানেই আমার শিরা-উপশিরার মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেন নিশ্চল হয়ে গেলাম । স্পষ্ট দেখলাম-একটি দীপ্ত নারীমূৰ্ত্তি আবেগভরে