পাতা:প্রবাসী (একাদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২8 মোহিত বাবু তাহার সম্পাদিত কাব্যগ্ৰন্তে এই শ্ৰেণীর কবিতার হদয়ারণ্য” নাম দিয়াছিলেন । আবেগ গুলা সত্য হইলেও বাস্তব জগতে তাহাদেৱ কোন অধিকার ছিল না বলিরা তাহারা বাড়াবাড়ির মধ্যে প্ৰকাশ পাইবার চেষ্টা করিতেছিল, অসুস্থ মূৰ্ত্তি ধারণ করিতেছিল। প্ৰায় কবিতার নাম হইতেই তাহা বুঝা যায়-- অাশা নৈরাশ্য সুখের বিলাপ,” তারকার আত্মহতা প ইত্যাদি । কেবল কায়া৷ “ৰিয়তো বিক্ষন বনে বলিযা আপন মনে তুমি পানে চেয়ে চেয়ে একই গান থেয়ে গেয়ে দিন বাঘ, রাত যায়, শীত যা, এী বায়, বসিয়া বসিয়া সেৰা বিীৰ্ণ মলিন প্ৰাণ গাহিতে একই গান এই গান একই গান । অথচ অাশা এই, যে ইহাই মধ্যে ভিতরে ভিতবে অার একটা বেদনা ছিল এবং ইহার বিরুদ্ধে একটা সংগ্ৰাম ছিল,—আপনার সেই প্ৰথম সালাকালের সহজ সুনার ভাবের মস্যে প্ৰবেশ করিবার জন্য বিশ্ব প্ৰকৃতির মধ্যে সেই রকম আনন্দিত হইবার জন্য, আপনার ‘সুকুমার আমি”কে অাবার সিরিয়া পাইবার জন্য “পরাজয় সঙ্গীত”, “আদি হারা” প্ৰতি কবিতা হইতে তাহা স্পষ্টই বুঝিতে পাবা৷ ক গে৷ সেই, কে গো হা হ জীবসে তরুণ বেলায় পেলাইত হয়-মাকারে লিতরে অক্ষ-মোলায় সচেতন অরণ কিরণ কে সে প্ৰাণে এসেছিল নাদি সে অামার শৈশবের ডি সে আমার সুকুমায় সানি প্ৰতিনি বাডিল বাধা পথ মাকে উলির ধূলি, সঙ্গের অরণা আঁধারে ছুক্ষনে অাইনু পাণ তুলি প্ৰবাসী—অাষাঢ় ১৩১৮ ধূলা মলিন হ’ল দেহ সায়ে নলিন হ’ল মুখ, কেঁদে সে চাহিল মুখ পানে দেখে মোয় ফেটে গেল বুক । সবশেষে একনি, কেমনে কোণার কাবে ১১শ ভাগ, ১ম খণ্ড কিছুই যে জানিনে গো হায় হাৱাইরা গেল সে বাধায় হারাবেছি আমার স্বামীরে অাজ আদি শুনি আকারে ইহার পবেষ্ট প্ৰভাত-সঙ্গীত কি তাহার সঙ্গে এ ভাবের সম্পূৰ্ণ ব্যতিক্ৰম। প্ৰভাত সঙ্গীতে বিশ্ব প্ৰকৃতির অ্যানকে যেন হঠাৎ ফিংি পাইলেন । সমাপন হাতে আপনি বাতিল একটি রোগের মত সই কাস্থে অবসাদের ভাব একেবারে কাটা গেল নিরের স্বপ্ন ভঙ্গ হইল এবং সে অন্ধকার হৃদয়-গুহা ভো করিয়া বাহির হইল বঙ্গুনি পরে একটি কিরণ গুহা দিয়েহে দেখা পাছে অ্যামার ধার সলিলে একটি কনক রেখা প্ৰাণের অাবে পিতে নারি ৭ এর করি কঁাপিছে বারি, টলমল জল করে থল থল ক্ষা সঙ্গীত হইতে অকস্মাৎ এৰূপ ভাববাতিক্ৰমের একটু বিশেষ ইতিহাস আছে সেটি দিলেই আপনাৱা বুলিতে পরিবেন যে অামি প্ৰবন্ধের গোড়াতে যে বলিয়াছি যে বিশ্ব প্ৰকৃতির সঙ্গে অন্তরতম যোগের অনুভুতি কবির কাব্যের কবির ভাষাতেই সে ইতিহাসটি দিই:— সদর টের রাস্তাটার পূর্বল প্ৰায়ে বোধ করি ী সুলের বাগানের গাছ দেয়া যায় কদিন সকালো মারান্দায় ঠাই৷ এই গাছগুলি পরাবাস্ত্ৰয়াল হইতে যেমনি অ্যামি সুৰ্বোদ খিলাম মমি আমার চোখের উপর হহঁতে যেন পৰ্দা চিঠয়া খেল একটি অপরাপ মহিমা বিশ্বসংসার যাচ্ছেন্ন হয়। গোল— আনন্দ এবং সেন্দা সৰ্ব্বস তরঙ্গিত হইতে লালি মানি সেই বিনই সমস্ত মধ্যা ও অপরাধ নিয়ের গভঙ্গ লিবিলাম অামার কাছে তখন কেহই এবং কিছু অপ্ৰিয় হিলন । পূপে বাহাবের সঙ্গ অামার পদে বিরক্তিকায় ছিল তাহারা বাদে আসিলে আমার ময় মাস হইয়া তাহায়ের গ্ৰহণ করিতে লাগিল। রাস্তা বিয়া মুটে মনুর যে কেহ চলিত তাহদেব গতিভঙ্গী তাহাদেৱ শরীরের গঠৰ তাদের মুণ আমার কাছে সোঁশ, ময় যোগ হইত। সকলেই যেন নিঘিল সমুদ্রে উপর নিয়া তাঙ্গালীলায় মত বহিয়া স্নাইত । রাস্ত নিয়া একটি যুর ক্ষায় একটি যুবকের বাধ হাত দিয়া নগন হানিতে হাসিতে অবলীলাক্ৰমে চরিা যাইত তখন তাহা অামার কাছে একটি অপপ ব্যাপার বলিয়া ঠেকিত—- বিজগতের অফুরান ব্লসের ভাণ্ডার হানির উৎস যেন আমার চোখে পতি । কাজ করিবার সময়ে মানবশরীরে যে সাশ্য গতিবৈচিত্র ৩য় সংখ্যা ] রবীন্দ্ৰনাথ ২৪১ প্ৰকাশিত হয় পূৰ্ব্বে তােহা আমি লক্ষণ কবেিয় দেখি নাই—এখন মূৰ্ত্ত ধ্বনি- এইজন্যই জগতের যে সকল সুর ধ্বনিত হইতেছে মুন্তে সমস্ত মানবদেহের চলনের সঙ্গীত আমাকে একটি বৃহৎভাবে মু করিতে লাগি এবং যাহারা ধ্বনিত হইতেছেন সকলে মিলিয়া আমাদের “হ্যদর আদি মোর কেমনে গো পুলি মনে একই সৌন্দৰ্য্য-বেদনাকে জাগাইয়া তুলিতেছে । আমরা গৎ আসি লেখা করিছে কোলানি । ধরায় আছে যত মানুষ শত শত নানা প্ৰতিধ্বনি শুনিতে শুনিতে সেই মূল সঙ্গীতকে শুনিবাৰ দাসিছে প্ৰাণে মোর হানিয়ে গলাগলি জন্য বাকুল হইয়া উঠিতেছি এসেছে সখাসী নিয়া চোখোsেী তোর মুখে পাখীদের শুনিয়া সঙ্গীত বাড়ায়ে মুখোমুণী হানিড়ে শিশুগুলি নিৱে শুনিয়া কবর পরাণ পূরে গেল সে হ’ল স্কোর তো মুখে জগতের সঙ্গীত শুনিয়া জগতে কেহ নাই, সবাই প্ৰাণে মোর তোরে জামি ভাল বাসিয়াছি বে দিকে আঁখি বায় যে দিকে চেয়ে থাকে কেন তোরে আমি দেখিতে না পাই বিশ্বময় তোরে খুঁহিয়াছি যাহারি বেসা পায় তাৱেই কাছে ডাকে। আমার খুব বিশ্বাস যে “প্ৰভাত সঙ্গীতে’ই কবির সমস্ত দেখা তুই দিবি নাকি না হয় না দিলি একটি কি পুৱাবিনা আশ । জীবনের ভাবটির ভূমিকা নিহিত হইয়া আছে ংশের কাছে হতে একেবারে নিবারে চাই মধ্যে সম্পূৰ্ণক, সীমার মধ্যে অসীমকে নিবিড়াপে উপলব্ধি করাই রীক্ষনাথের সমস্ত জীবনের সাধনা—আমি পুঞ্জে স্মরণো, পৰ্ব্বতের, সমুহের গান কটকার বহু গীতস্বয় সিয়াছি যে এই সৰ্ব্বানুভূতিই তাহার কালোর দিবসের, প্ৰদোফের, মুনীর গত মূলসুর এবং এই ভাবটি সঙ্গীতের প্রেরণা হইতে একটি সূতন চেতনার মত তাহার মধ্যে বরাবর কাজ করিয়া জীবদের মণের স্বর, আসিয়াছে। যদি একথা সত্য হয়, তবে স্বীকাৰ করিতেই আলোকের পদধ্বনি মহাকারে বা করি বিশ্ব চরাচর হইবে, যে দৃষ্টির এই আকস্মিক অ্যাবণ উন্মোচন, সমস্ত পৃথিবীর, মার, হতপনের বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডের এই আনন্দময় উপলতি, এইটি প্ৰথমে অখণ্ড কোটি কোটি তারার সঙ্গীত ভাবে দেখা দিয়া, তারপরে জীবনের বিচিত্ৰতাৰ খণ্ড খণ্ড তোর কাছে জগতের কোন মাঝখানে না হানির হতেছে মিলিত পথ বাহেিয় আবার ঐ অখণ্ড সোঁৱায্যের দৃষ্টি লাভ করিবার সেইখানে একবার বসাইবি মোরে , নিকে শেষ বয়সে কবিকে তপস্যায় নিযুক্ত রাখিয়াছে। সেই মহা সাধার নিশা শুনিয়ে আঁখি মুদি বিয়ে সঙ্গীত প্ৰভাত সঙ্গীতের একট, মাত্ৰ কবিতাৰ আমি অাব তার মুখে কেমন শুনায় । এখানে উল্লেখ করিতে চাই । সেটি প্ৰতিধ্বনি । সেটি রবীন্দ্ৰনাথ তিকৰি—হৃদয়াবেগকে পুরের অনিৰ্ব্বচনীয় দাগিলিয়ে । তখন এই আবরণোযুক্ত দৃষ্টিটি হারা যোগ ভাষায় বাস্ত করাই তাহার চিরজীবনের কাজ। গানের ইয়াছেন । কবিতাটা ভাব এই যে, বঙ্গলগতের অস্কালে সুরে কবির কাছে জগতেৰ একটি অপৰূপ পান্তর ঘটে বে একটি অসীম অব্যক্ত গীতজগৎ আছে, যেখানে সমস্ত হঠাৎ েচাগে-দেখা জগৎ ক্ষণকালের জন্য যেন সুরের জগৎ জগতের বিচিত্ৰধ্বনি সঙ্গীতে পরিপূৰ্ণ হইয়া “অনাহত শবদে কানোশোনা জগৎ হইয়া উঠে-সমস্ত বিশ্বম্পন্দনকে কেবল নিরস্তুর বাজিতেছে—তাহা স্নাভাল, তাহার প্রতিধ্বনি আলোকক প বস্তুরুপে না দেখিয়া তাহাকে একটি অপরাপ প্ৰত্যেকটি খণ্ড সৌন্দৰ্যো ও সুরে পাওয়া যায়—সেইচষ্ট সঙ্গীতের মত যেন কৰি অনুভব কৰিতে থাকেন । একটা তাহারা প্ৰাণের মধ্যে এমন সুতার একটি ব্যাকুলতাকে চিঠিতে আছে : দস্তুত পাৰ্থীৰ গান পাণীৱই নহ, নিবারের কল অনন্থের মধ্যে যে একটি প্ৰকাণ্ড খণ্ড চির বিরহবিবাদ আছে, সে এই সম্বোবলাকার পবিতা পৃথিবীর উপরে একটি আলোকে শব্দ নিবেরই নয়, তাচা সেই মূল সঙ্গীতেরই নানা প্রতি আপনাকে ধং প্ৰকাশ করে েদখাসৰ লেবলে আকাশে কি একটি