* 8е о হইবে, কার্যে তাহাকে সহানুভূতি দেখাইবার মত একটা লোকও नॉरें । cप्रश्णठां* राषन भएब्र, ठधन ७कü करणरखब्र यूवक-शजनज বিনাপণে বিবাহ করিবার জন্ত সভা-সমিতি করিয়া এবং কবি গোবিঙ্গ দাসের—“থাকুক আমার বিয়ে" নামক করুণরসাত্মক কবিতাটি বিতরণ করিয়া বেড়াইতেছিল। এই দলেরই একটি হিন্দু যুবক বিবাহকালে শ্বশুরের টাকা গ্রহণ করিতে লজ্জা বোধ করে নাই। - - t বিবাহে ত্যাগ— হুগলী জিলার পোঃ মোগুলাই, গ্রাম ইস্ছোবা-নিবাসী শ্ৰীযুক্ত রাখালদাস পালধি উহাদের গ্রামের ৮ অক্ষয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাদশবর্ষীয় অনাথ কন্যার আশ্রয় ও বিবাহেচ্ছ, পাত্র আবগুক বলির একটি আবেদন 'আনন্দবাজার পত্রিকাতে প্রকাশ করেন। এই আবেদনটি চৈত্র-সংখ্যা-প্রবাসীতে স্থান পায়। খুলনা জেলার নকীপুর গ্রামস্থ প্রসিদ্ধ জমিদার খ্ৰীযুক্ত মোক্ষদাচরণ মুখোপাধ্যায়ের মধ্যম পুত্ৰ শ্ৰীমান প্রশবকুমার মুখোপাধ্যায় পিতামাতা ও আত্মীয় স্বজনের মত লইয়া ঐ অনাথ বালিকাকে বিবাহ করিতে প্রস্তুত হইলেন। ইলুছোবা গ্রামেয় প্রসিদ্ধ জমিদার ৮ জগত ঘোষ মহাশয়ের পৌত্র, কলিকাতা মেডিকেল কলেজের বর্তমান হেডক্লার্ক, ষ্ট্ৰীযুক্ত পঞ্চানন ঘোষ মহাশয় বিবাহের সমস্ত ব্যয়-ভীর নিজে গ্রহণ করেন এবং গ্রামস্থ নিজেদের বাড়ীতেই বিবাহ-দানের স্বব্যবস্থা করেন। গত ১৩ই জ্যৈষ্ঠ মঙ্গলবার শ্ৰীমতী কালিদাসী দেবীর সহিত শ্ৰীমান প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায়ের শুভ বিবাহ হইয়া গিয়াছে। বিবাহে প্রায় ৪••চারিশত টাকা ব্যয় হয়। এই কাৰ্য্য অতীব প্রশংসনীয় এবং দরিদ্র-বহুল বাঙ্গালার ধনাঢ্য যুবকদের অনুকরণীয়। খুলনায় পল্লী-সংগঠন। খুলনা জেলার নানাস্থানে অল্পবিস্তর পল্লীগঠন-মূলক কাৰ্য্য আরম্ভ হইয়াছে। এইকার্ধ্যে সাধারণের সহানুভূতি আকর্ষণ ও সাহায্য লাভ করার উদ্দেশ্যে নিয়ে তাহার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হইল । খুলনা সেবাশ্রম খুলনার পল্লীসংগঠন-মুলক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে খুলনা সেবাশ্রমই প্রথম ও প্রধান। ১৯২৯সালে এই আশ্রমটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২১ সালে খুলনার দক্ষিণাঞ্চলে যে ভীষণ দুর্ভিক্ষ উপস্থিত হয়, তাহাতে সেবা ও সাহায্য-দানের একরূপ সমস্ত দায়িত্ব ক্রমে ক্রমে এই আশ্রমের সেবকদিগকেই গ্রহণ করিতে হয় এবং তাঁহাতেই ইহার কার্যাক্ষেত্র বিস্তৃত হইয় পড়ে। দুভিক্ষ প্রশমনান্তে আশ্রম, দুর্ভিক্ষ-প্ৰপীড়িত অঞ্চলের বিভিন্নস্থানে চারিটি শাখা প্রতিষ্ঠিত করিয়া স্থায়ীভাবে সেবাকাৰ্য্য আরম্ভ করিয়াছেন। এই শাখাগুলির প্রধান কেন্দ্র আশাশুনিতে অবস্থিত । অল্পবয়স্ক কৃষক-সন্তানদের জন্য স্থাপিত ৬টি অবৈতনিক বিদ্যালয়ে দুইশতের উপর ছাত্র ও জনসাধারণের জন্ত স্থাপিত ৩টি নৈশ বিদ্যালয়ে ৩০জনের উপর ছাত্র শিক্ষা লাভ করিতেছে । এইসমস্ত বিদ্যালয়ে সামান্ত-সীমান্ত গৃহ-শিল্প-শিক্ষার ব্যবস্থাও আছে। দারিদ্র্য-পীড়িত জনগণের দুর্দশা মোচন-কল্পে গ্রামে গ্রামে চরকার প্রচার-জন্ত চরকা ও গৃহে গৃহে তুলা উৎপাদন করিবার জন্য তুলার বীজ বিতরিত হইয়াছে ও হইতেছে। এযাবৎ পাঁচ শতের উপর চর্ক বিতরিত হইয়াছে এবং সাত শত লোক স্বতাকাটা একরূপ শিখিয়াছে। আশ্রমে তাত-শালা ও বেতের কারখানা স্থাপন করির জাতিবর্ণ নিৰ্ব্বিশেষে দরিদ্র বালক ও যুবকগণকে এই দুই শিল্পশিক্ষা দেওয়া হইতেছে। আশ্রমকর্তৃক পরিচালিত প্রফুল্লচন্দ্র-বয়ন-বিদ্যালয়ে প্রবাসী—আষাঢ়, ১৩৩১ ২৪শ ভাগ, ১ম খণ্ড প্রথমে প্রায় ১৭১৮ খানি তাতে কাৰ্য্য হইত। বর্তমানে ছাত্রাভাবে ও অন্তাপ্ত কারণে মাত্ৰ ৬ খানিতে কাৰ্য্য হইতেছে। অনেকে এগান হইতে दान निक कब्रिा च च शृंप्र बाहेब ७३ वादनांग्र क्रांलांश्ठरश्न। श्रीअरभग्न थख्ठ थकब्र७ cदण्ठग्न वाॉर्ण यष्ट्रठि cवल छनांमग्न जांछ করিয়াছে । খুলনার এই অঞ্চল অভ্যস্ত অস্বাস্থ্যকর। এইজন্ত প্রতিকেত্রে দাতব্য চিকিৎসালয় ও ঔষধ-বিতরণ-বিভাগ খুলিয়া দরিদ্র রোগীদিগকে ঔষধ ও পখ্যাদি দেওয়ার ব্যবস্থা হইতেছে এবং সভা-সমিতি করিয়া পল্লীয় স্বাস্থ্যোন্নতির জন্তু নানাবিধ উপদেশাদি প্রদান করা হইতেছে । চারিটি কেত্রে প্রতিদিন প্রায় ৬-৭৯টি রোগী সমাগত হয়। আশ্রমের সেবকগণ কলেরার প্রকোপের সময় রোগীর সেবা ও শুশ্ৰুষার জন্ম প্রাণপণে পরিশ্রম করিয়াছেন। অর্থাভাবে জলাভাব দূর করিতে পারিতেছেন না। দৌলতপুর সত্যাশ্রম দৌলতপুর সত্যাশ্রম আর-একটি প্রতিষ্ঠান যাহা অতি স্বন্দর কার্য্য করিতেছিল। ছাত্ৰগণের মধ্যে নৈতিক, মানসিক ও দৈহিক সুশিক্ষাবিস্তার ও দরিদ্র জনগণের মধ্যে ঔষধ-বিতরণ ও বিনা পারিশ্রমিকে চিকিৎসা দ্বারা এই আশ্রমটি দিন-দিন বিশেষভাবে সাধারণের দৃষ্টিতে পড়িতেছিল। সম্প্রতি ইহার প্রতিষ্ঠাতা ও অক্লান্ত কৰ্ম্মী শ্ৰীযুক্ত কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও ঐযুক্ত ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত তিন আইনে গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ বিপদগ্রস্ত হইয়াছে। খালিষপুর আশ্রম এই নুতন-প্রতিষ্ঠিত আশ্রমের অধিবাসী ছাত্রগণ সকলেই সকল কাজ নিজ হন্তে করেন। এখানে ছাত্রগণ-পরিচালিত র্তীতে সুন্দর খদ্দর প্রস্তুত হইতেছে এবং প্রধানতঃ স্থানীয় লোকদিগের মধ্যেই বিক্রীত হইতেছে। আশ্রমের ক্ষেত্রে ছাত্রগণ প্রচুর কাপাস ও অস্তান্ত ফসল উৎপাদন করিয়াছেন । কলিকাতার ডাক্তার— কলিকাতা সহরে এমন ৫ ৬ শত ডাক্তার আছেন, যাহারা মাসে e. পঞ্চাশটি টাকাও উপার্জন করিতে পারেন না। এই সমস্ত ডাক্তারের মাসিক ৫০ টাকা বেতন পাইলে সকালে-বিকালে এতদুভয়ের যে কোন সময়ে দাতব্য-ঔষধালয়ে কাজ করিতে পাবেন। আচ্ছা, যদি কলিকাতার প্রত্যেক পাড়ায়-পাড়ায় কোন ধনী গৃহস্থের বৈঠকখানায় অথবা ঠাকুরদালানে এক একটি দাতব্য-চিকিৎসালয় স্থাপন করা যায়, তবে বরাদ্যবর ধনী গৃহস্থ নিশ্চয়ই সাধারণের হিতার্থে কোনপ্রকার ভাড়া গ্রহণ করেন না। তার পর মাসিক ২০ টাকা বেতনে একজন কম্পাউণ্ডার নিযুক্ত করিয়া মাসিক ৭•৮• টাকার ঔষধাদি ব্যয় করিলেই ত ছোটখাট একটি দাতব্য-ঔষধালয় প্রতিষ্ঠিত হইতে পারে। তাহা হইলে দেখা যাইতেছে প্রতিদিন অন্ততঃ একশত রোগী, ঔষধ লইতে পারে এইরূপ একটি দাতব্য ঔষধালয় স্থাপন করিতে মাসিক ১৫০ শত টীকা মাত্র খরচ হয় । শ্ৰীযুক্ত স্বভাষচন্দ্র বস্ব তিন হাজার স্থলে মাসিক দেড় হাজার টাকা বেতন লইবেন স্থির করিয়াছেন। তাহার বেতন হইতে মাসিক যে দেড় হাজার টাকা বঁচিবে সেই দেড় হাজার টাকায় অনায়াসে দশট দাতব্যঔষধালয় প্রতিষ্ঠিত হইতে পারে। কলিকাতা সহরে ১১ লক্ষ লোকের বাস, বড় জেলার অধিবাসীর সহিত কলিকাতার লোক সংখ্যার তুলনা করিলে অভুক্তি হয় না। তফাৎ এই যে, জেলার অধিবাসীর পৃথকভাবে বাস করে, আর সহরের অধিবাসীরা একত্র ঘন-সন্নিবিষ্টভাবে বাস করে। এরূপ প্রভূত লোকের সংখ্যার অনুপাতে কলিকাতায় যে দাতব্য ঔষধালয়
পাতা:প্রবাসী (চতুর্বিংশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).djvu/৪৪৩
অবয়ব