বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রবাসী (চতুর্বিংশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).djvu/৫৮৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

৪র্থ সংখ্যা ] এদেশীয় অভ্র প্রায় সমস্তই মস্কোভাইট শ্রেণীর । ত্রিবাঙ্করে অল্প-পরিমাণ ফ্রগোপাইটু ও পাওয়া যায়। মস্কোভাইট অভ্রে এলুমিনিয়ম্ এবং পটাসিয়ম্ ধাতুদ্বয় হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং বালুসারের (সিলিকার ) সহিত রাসায়নিক ভাবে সংযুক্ত থাকে। এদেশীয় অভ্র স্বচ্ছ, বর্ণযুক্ত, কাঁচৱং মস্তণ, সহজে স্তরনিমোচা, বিহ্ব্যং ও উত্তাপ চালন-রোধক বা আচালক এবং অন্য-দেশীয় অভ্র ৫২৭ ভাল অভ্রের খনি পাওয়া কোইম্বাটর, কুর্গ এবং গঞ্জাম, এই তিন অঞ্চলে অভ্র সম্বন্ধে কিছু-কিছু খবর প। ওয়া গিয়াছে । রাজপুতানায় আজমের-মের ওয়ার, জয়পুর, কিষনগড়, সিরোহি এবং টঙ্ক, এই কয়টি রাজে। সম্প্রতি উংকৃষ্ট অভ্রের আকর আবিষ্কৃত হইয়াছে, শোন! মায় । -- - , মালাবার অঞ্চলে ও সম্প্রতি গিয়ছে, এইরূপ ( ||F1 || বিহার অঞ্চলের (হাজারিবাগ ) কোডাক্ষ্মী জঙ্গলের একটি অভ্র-খনির মুখ অভ্রের তুলনায় কঠিন। অধিকাংশ অস্ত্র বা দ্রাবকের ইহার উপর কোন ও ক্রিয়া নাই । অভ্রের উৎপাদন-কেন্দ্র বিহার ও উড়িযু| প্রদেশে স্থিত। মুঙ্গের, হাজারিবাগ ও গয়া, এই তিন জিলার (হাজারিবাগে বেন্দি হইতে মুঙ্গেরে ঝাবী পৰ্য্যন্ত ) মধ্যে ৬০ মাইল লম্ব এবং ১২ মাইল চওড়া ভূমিখণ্ডের মধ্যে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অভ্রের আকর অবস্থিত। মন্দ্রিাজে নেলোর অঞ্চলে গুডুর, রাপুর, আত্মাকুর, ও কাবালি এই চারি স্থানে অভ্রের খনি আছে। আগু আলেক প্রদেশে গিয়াছে । এইরূপ অনেক সন্ধান প। ৪য়। তবে বাণিজ্যের সামরিক অবসাদ হেতু সে-সম্বন্ধে আর বিশেষ কোন ও চেষ্ট হয় নাই । অভ্র-উৎপাদন সৰ্ব্বাপেক্ষা অধিক-পরিমাণে গিরিডি ও হাজারিবাগের নিকটবর্তী খনিসমূহ ইষ্টতে হইয়৷ থাকে। অন্য প্রদেশের অভ্র অপেক্ষ। এই দুই স্থানের সামগ্ৰী অধিক আদৃত । অভ্র খনন ও আহরণ-প্রথা ঘেরূপ আদিম ও অবৈজ্ঞানিক-রূপে এদেশে হয়, তাহ যে কোন ও সভ্য