বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রবাসী (ত্রয়োবিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

২১২ করিলে কখন কোনও পদার্থের শক্তি বোধগম্য হইতে পারে না । সেই জগৎপতির যে আকাশীদি কাৰ্য্যজননশক্তি তাঁহাই মায়া। সচ্চিদানন্দময় পরমাত্মার শক্তিরূপিণী মায়াকে সেই সৰ্ব্বশক্তিমান পরমব্রহ্মের স্বরূপ বলা যায় না। কারণ, আপনি আপনার শক্তি এ-কথা নিতান্ত অযুক্ত। যেমন অগ্নির দাহিকাশক্তি আছে—এই নিমিত্ত দাহিকাশক্তিকে কখনই অগ্নি বলা যায় না, সেই প্রকার পরমাত্মার শক্তিস্বরূপ মায়াকে কখনও পরমাত্মা বলা যায় না। তাহ হইলে শক্তির প্রকৃত স্বরূপ কি ? भूछ সেই শক্তির স্বরূপ এ-কথা বলিতে পার না, যেহেতু শুষ্ঠ সেই শক্তির কাৰ্যস্বরূপ বলিয়াছি। সুতরাং মায়াকে সৎ হইতে পৃথক এবং শূন্ত হইতে অতিরিক্ত অনিৰ্ব্বচনীয় শক্তিস্বরূপ স্বীকার করিতে হইবে। যোগবশিষ্ঠ রামায়ণে শক্তিতত্ত্ব এইরূপ লেখা আছে— অপ্রমেয়স্ত শাক্তস্ত শিবস্ত পরমাত্মনঃ। সৌথ্যচিন্মাত্ররূপস্ত সৰ্ব্বস্তানাকৃতেরপি । ইচ্ছাসত্তা ব্যোমসত্তা কালসত্তা তথৈব চ। তথা নিয়তিসত্তা চ মহাসত্তা চ স্বত্রত ॥ জ্ঞানশক্তি: ক্রিয়াশক্তি: কর্তৃতাকর্তৃতাপি চ । ইত্যাদিকানাং শক্ত নামস্তে নাস্তি শিবাত্মনঃ ॥ অপ্রমের শক্তিযুক্ত শুভময় সৌখচিন্মাত্র স্বরূপ আকৃতিবিহীন হইলেও তাহার ইচ্ছাসত্ত, ব্যোমসত্তা, কালসত্তা, নিয়তিসত্তার ক্রমশঃ বিকাশ হয়। ইচ্ছাসত্তাদির অনুগত সত্তা মহাসত্তা। পরমাত্মার জ্ঞানশক্তি ক্রিয়াশক্তি কর্তৃত্ব অকর্তৃত্ব প্রভৃতি শক্তি আছে। শিবাত্মা হইতে পৃথক্ সত্ত নাই। যোগবশিষ্ঠ রামায়ণের নির্বাণ-প্রকরণের উত্তর ভাগ ৮১ সর্গে লিখিত আছে— তাহার পর দেখিলাম সেই মহাকাশে বিশাল-দেহ রুদ্রদেব মত্ত হইয়া নৃত্য করিতে আরস্ত করিয়াছেন। * * * * * দেখিতে দেখিতে উtহার শরীর হইতে ছায়ার স্থায় এক মূৰ্ত্তি নৃত্য করিতে করিতে নির্গত হইল। প্রথমে সেই মূৰ্ত্তিটি ছায়া ধারণ হওয়াতে মনে সন্দেহ উপস্থিত হইল । * * * * তাহার পর ভালরূপে নিরীক্ষণ করিয়া সিদ্ধান্ত করিলাম--ছায়। নছে ; একটি ত্রিলোচনা রমণীমূৰ্ত্তি তাহার সম্মুখে মৃত্য করিতেছেন। সেই রমণী কৃষ্ণবর্ণ, কৃশ, উtহার সর্বাঙ্গে শির পরিব্যাপ্ত, র্তাহার বিশাল দেহ জীর্ণ ; র্তাহার বদনমণ্ডল হইতে সতত বহ্নিজ্বালা নির্গত হইতেছিল, তিনি বাসন্ত বনরাজির স্থায় পুষ্পপল্লবর্মণীয় শেখর ধারণ করিয়া ছিলেন । * * * * * তিনি এত কুশ যে স্থির হইয় দাড়াইয়া থাকিতে অসমর্থ ; এইজন্ত যেন বিধাত সুদীর্ঘ শিরারূপ রজজু দ্বারা উtহার পতনোমুখ বিশীর্ণ দেহ একত্রে গ্রথিত করিয়া রাখিয়াছেন । র্তাহীর আকৃতি এত দীর্ঘ লম্বমান বে গুহার মন্তক ও চরণ নখ দেখিবার জন্য আমাকে একবার অতি छ:६, ७कवाँग्न अठि निर्ब भनाभभन कब्रिप्ठ पप्थहे क्हे भाङ्ग्रेष्ठ হস্থরছিল। তাহার মস্তক, হস্ত প্রভৃতি অঙ্গ কেবল শিরা ও অস্ত্রতন্ত্রী দ্বার গ্রথিত । . খদির প্রভূতি কণ্টকবল্লীর স্তায় মুল হইতে শাখা পধ্যস্ত উহার সমস্ত শরীর স্বত্র দ্বারা বিজড়িত। স্বৰ্য্যাদি দেবের ও দানবগণের বিবিধবর্ণের মস্তক কমলমালা দ্বারা (মালা গ্রন্থন করিয়া সেই মাল৷ তিনি কণ্ঠে ধারণ করিয়া আছেন । তাহার বস্ত্রাঞ্চলে বায়ু সন্ধুক্ষিত উজ্জ্বলশিখাসম্পন্ন বহির সংযোগে সমুজ্জ্বল হইয়া ছিল। উtহার লম্বমান কর্ণে সৰ্প ঝুলিতেছিল ; নরমুণ্ড দ্বারা তিনি কুণ্ডল নিৰ্ম্মাণ করিয়াছিলেন। উtহার কৃষ্ণবর্ণ বিশাল স্তনদ্বয় বিশুদ্ধ দীর্থ অলবুর মত লম্বমান উরু পর্য্যস্ত বুলিয়া পড়িয়ছিল। উহার খটাঙ্গমণ্ডলে কাৰ্ত্তিকেয়ের ময়ুরপুচ্ছে ও ব্রহ্মার কেশজালে বিশোভিত ইগ্রাদিদেবগণের মস্তক ঝুলিতেছিল। উহার দন্তপংক্তিরূপ চন্দ্রশ্রেণী প্রবাসী—অগ্রহায়ণ, ১৩e•. [ २०ण छाग, २ग्न थ७ হইতে নিৰ্ম্মলকিরণপুঞ্জ বিনিঃস্থত হইতেছিল ; উহাকে দেখিয়া মনে হইতেছিল যেন অন্ধকার-সাগরের একটা উৰ্দ্ধরেখা উঠিয়াছে। * * * * * * দেখিলাম তিনি কখনও একবাহু, কখন বহুবাহু হইতেছেন। কখনও অনন্ত বিশালবাহু উত্তোলন করিয়া নৃত্য করিতেছেন। উহার বাহুসমূহের উৎক্ষেপণে এই জগৎরাপ মৃত্যমওপ কঁাপিয়' উঠিতেছে। কখনও তিনি একমুখী, কখনও বহুমুখী, কখনও মুখবিহীন হইতেছেন, কখনও বা অনন্ত ভয়ঙ্কর মুখ দেখাইতেছেন। কখনও এক পদে অবস্থান করিতেছেন, কখনও বহুপদা, কখনও বা অনন্তপদ, কখনও বা একেবারে পদখুন্য হইতেছেন। এই সমস্ত ব্যাপার দেখিয়া আমি ওঁহাকে কালরাত্রি বলিয়া অনুমান করিলাম। সাধুগণ ইহঁকেই ভগবতী কালী বলিয়া থাকেন। নিৰ্ব্বাণ-প্রকরণ, উত্তরভাগ, ৮৪ সর্গে—রাম কহিলেন, হে মুনিবর। ভগবতী কালী নৃত্য করেন কি নিমিত্ত ? অার তিনি শূৰ্প, ফল, কুদাল মুষলাদির মাল্য ধারণ করেন কেন ? বশিষ্ঠ কহিলেন-সেই ভৈরব যtহণকে চিদাকাশ শিব বলিয়া বলিলাম তাহার যে মনোময়ী স্পনাশক্তি উহাকেই তুমি মায় বা কালী বলিয়। জানিও । ঐ মায়া ভাহা হইতে অভিন্ন। ঐ ইচ্ছারূপিণী স্পন্দশক্তি জীবার্থীদের জীবনরূপে পরিণত হওয়ায় জীবচৈতন্ত নামে, স্বষ্টির প্রকৃতি বা মূল কারণ বলিয়। প্রকৃতি' নামে দৃষ্ঠাভাসে অনুভূতি উৎপত্তি প্রভৃতি বিকারের সম্পাদন করিয়া ‘ক্রিয়া’ নামে অভিহিত হন। ঐ মায়া বড়বাগ্নিজালার স্তায় দৃপ্তমান আদিত্যমণ্ডলতাপে শুষ্ক হইয়া যান বলিয়া ‘শুষ্কা’ নামে অভিহিত হন। উৎপলবর্গ অপেক্ষাও প্রচও অর্থাৎ তীক্ষ বলিয়া তিনি "চণ্ডিকা" নামে অভিহিত হন । একমাত্র জয়ের অধিষ্ঠান বলিয়৷ ইহঁীর নাম ‘জয় । সৰ্ব্বসিদ্ধির আশ্রম বলিয়৷ ইহঁর নাম "সিদ্ধা । সৰ্ব্বত্র বিজয় लांङ कtब्रन वलिग्रां ॐईंग्नि नांभ ‘दिछग्न, छग्नरुी, साग्न|' । दएल ट्रेईiरक কেহ পরাজিত করিতে পারে না,বলিয়া ইহঁর নাম "অপরাজিতা । ইহঁীর মহিমা কেহ গ্রহণ করিতে পারে না বলিয়৷ ইহঁর নাম ‘দুর্গা’ । প্ৰণবের সারাংশশক্তিও ইনি ; এইজস্থ্য ইহঁর নাম 'উমা’ (উ, ম, অঔ ) ৷ নামজপকারীদিগের পরমার্থস্বরূপ বলিয়৷ ইহঁার নাম গায়ত্ৰী” : সৰ্ব্বজগৎ প্রসব করেন বলিয়া ইহঁর নাম ‘সাবিত্ৰী’ । স্বৰ্গ, মোক্ষ প্রভৃতি নিখিল উপাসনার জ্ঞানদৃষ্টিধারা ইহা হইতে প্রবাহিত বলিয়া ইহঁর নাম ‘সরস্বতী । ইনি গৌরাঙ্গী বলিয়৷ ইহার নাম ‘গৌরী ; যখন শিবশরীরের অনুষঙ্গিণী হন তখনই গৌরী নামে অভিহিত হন। মস্তকের ভূষণবিন্দুরূপ ইন্দুকলা বলিয়াও ইহঁর নাম উমা । উক্ত কাল ও কালী আকাশস্বরূপ বলিয়া উহঁদের বর্ণ কৃষ্ণ । উক্ত নির্বাণ-প্রকরণের পূর্বভাগে অষ্টাদশ সর্গে হরের অলয়ে অষ্টমাতৃকার আবাসস্থল বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে। অষ্টমাতৃকা যথা – छब्र, बिखब्र, खग्रखी, विश्रब्रांछिड, निक, ब्रख्, श्रणषश ७ উৎপলা । যজুর্বেদেও “অম্বিক” দেবীর নাম আছে ; তিনি তথায় রূদ্রের ভগিনী। কেনোপনিষদে ব্রহ্মবিদ্যাকে উমী হৈমবর্তী বলা হইয়াছে । উমা ব্রহ্মবিদ্যা হইতে কালে ব্ৰহ্মশক্তিতে পরিণত হইয়াছিলেন। cषडांक्डरब्रांश्रनिषरम भtश्वब्रएक भांग्रैौ बणां श्ब्रांtझ् । (अबूभनिशान মহাদেবী ব্রহ্মস্বরূপিণী, প্রকৃতিপুরুষাত্মক জগৎ, শূন্ত ও অশূন্ত, আনন্দ ७ ठानांनम्म, सिद्धांन ७ अविख्ळांम, बक्री ७ श्रडक्रां रुलिग्नां वर्गिल হইয়াছেন। বহুটোপনিষদে দেবী সৰ্ব্বাগ্রে একমাত্র ছিলেন এবং ठिनिई डक्रां७ ऋटेि कब्रिग्नांझिालन रुलिग्न छैद्ध शहैग्नांtझ् । शरभंमপরিশিষ্টের বৃত্রিপরিশিষ্টে দুর্গ দেবীর স্তোত্র পাওয়া যায়। কৈবলোপনিষৎ -