৩য় সংখ্য। ] AA AM AMAeMM MeM MMMMMM MMM MMM eee AM AA i eA ASMM MM M MM AMAMMMAAA AAAA AAeM AAAA AAAA AAAA AAAA AAAMMAMAMS যায়। প্রকৃতির আবেষ্টনে খোলা মাঠে খোলা আকাশে দশ বার ঘণ্টা কাটানো প্রায় প্রত্যেক রবিবারেই জাৰ্ম্মান মাত্রেরই জীবনের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অনুসারে কাজ করা হইয়া থাকে । ( ७ ) ভারতের যুবা বুড়াদের মধ্যে দুইচার জন হয় ত শহরের বাহিরে হঁটিয়া নিজ নিজ জেলার দশবিশ মাইল স্বচক্ষে দেখিয়া থাকিবেন । কিন্তু এই ধরণের জেলা-পর্য্যটন, পল্লী-পৰ্য্যবেক্ষণ জাৰ্ম্মানির মধ্যবিত্ত সমাজে হ্রদম চলিতেছে। জাৰ্ম্মানির বন কানন নদী সরোবর পাহাড় উপত্যক সবই পয়ে হঁটিয়া দেখিয়া বেড়াইয়াছে এমন যুবকযুবতী প্রৌঢ় প্রৌঢ়া লাখ লাখ আছে। ঘাড়ে একটা থলের tভতর কিছু কাপড়চোপড় আর খাদ্যদ্রব্য বহিয়৷ বনভ্রমণ করিতে বাহির হওয়া গ্রীষ্মে বহুলোকেরই “স্বধৰ্ম্ম” বিশেষ । কাজেই দেখিতে পাই উচ্চশিক্ষিত জাৰ্ম্মান নরনারীর স্বদেশের প্রত্যেক সৌন্দৰ্য্যময় জনপদের খবর রাখে । হ্রদ, উপবন, গাছগাছড়া, শিকারেব জানোয়ার কিছুই ইহাদের অজানা থাকে না। রেল ষ্টীমার ইত্যাদির যুগে পায়ে হঁটিয়া দেশ দেথা উচ্চশিক্ষিত ভারতসস্তানের পক্ষে একটা নুতন কিছু মনে হইবে। বস্তুতঃ জাৰ্ম্মানরা যতটুকু রেলে যাওয়া আবশ্যক সেটুকু ফুরাইলেই “পায়দলে’ হ্রদ-পরিক্রম, বন-পরিক্রম, পাহাড়-পরিক্রম স্বরু করে । মধ্যযুগের ভারতে এবং ইউরোপে তীর্থযাত্রীরা যেরূপ করিত, আজকালকার দিনেও জাৰ্ম্মানরা প্রকৃতি-প্রেমের টানে সেইরূপ করিতেছে । নবীন ভারতের পক্ষে এই প্রকৃতি-পরায়ণতা হাতে পায়ে নূতন করিয়া শিখিবার আয়োজন করা কৰ্ত্তব্য ।
- 下 = ( s )
জাৰ্ম্মানির সমুদ্রকুল অতি সামান্ত মাত্র । কিন্তু তাহার প্রত্যেক পল্লীই জাৰ্ম্মান নরনারীর পরিচিত। সমুড়ে সাতার কাটা, সাগরের কিনারায় হঁটিয়া হাওয়া খাওয়া জাৰ্ম্মানসমাজে গরমের ছুটি יף ל0א S AeSAeSAe AeSAMMAeSMAeMSAMAeMAeSAMS عيسهجمام ভারতেও নেহাৎ অজানা নয় । কিন্তু এদিকে ভারতীয় মধ্যবিত্তের নজর আরও বেশী পড়া দরকার। জাৰ্ম্মানির পাহাড়গুলা নেহাৎ নীচু । কিন্তু কোনো পাহাড়ই জাৰ্ম্মান পৰ্য্যটকদের চিন্তায় তুচ্ছ নয়। অধিকন্তু ব্যাহেরিয়া অঞ্চলে যাইয়া আল্পস পাহাড়ের ঘাড় মটুকানো বহু জাৰ্ম্মানেরই সাধ । ভারতবর্ষে এই ধরণের পাহাড়-পর্য্যটন এখনো স্থরু হয় নাই । সিমলা, দাৰ্জিলিঙেব পাহাড়ী-শহরে বেড়াইতে যাওয়া ত “বাৰুগিরি" মাত্র। জাৰ্ম্মানরা তাহীদের বন-কাননের সবিশেষ তারিফ করে। বাস্তবিক পক্ষে বনসম্পদ জাৰ্ম্মানিতে বিদেশীর পক্ষে একটা অভিনব স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্ঘ্যের থলি বিশেষ । পাইন, লিণ্ডেন, মেপল ইত্যাদির বন জাৰ্ম্মানির প্রায় প্রত্যেক অঞ্চলেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। গ্রীষ্মকালে প্রতিদিন আটদশ ঘণ্টা এই-সকল বনে কাটাইয়া রাত্রিকালে নিকটবৰ্ত্তী কোনো কুঁড়েতে শুইয়া থাকিবার জন্য হাজার হাজার লোক লালায়িত। এই ধরণের বনভ্রমণ ভারতে বোধ হয় আজও দেখা দেয় নাই । বালিনের আশেপাশে দেড় দুই ঘণ্টার রেলপথের মধ্যে সাগরসদৃশ হ্রদেব বা সরোবরের সংখ্যা অনেক । বালিনকে বাস্তবিক পক্ষে হ্রদ-কানন-বেষ্টিত নগর বলিলে কোনো অতু্যক্তি করা হইবে না । এই-সকল হ্রদের চারিদিক হাটিয়া দেপ গ্রীষ্মকালে জাৰ্ম্মানদের এক বড় কাজ । জাৰ্ম্মানির নদীতে-নদীতে, হ্রদে-হ্রদে খালের সাহায্যে যোগাযোগ আছে। কাজেই একমাত্র জলপথেই গোটা জাৰ্ম্মানি দেখা সম্ভব । ( & ) লড়াই থামিবার পব হইতে জাৰ্ম্মানিতে “যৌবনআন্দোলন” স্বরু হইয়াছে। খেলাধুলা কুস্তীকসরৎ এই আন্দোলনের প্রধান অঙ্গ । বেশভূষায়, খাওয়াদাওয়ায় ংযম ও ব্রহ্মচৰ্য্য পালনও এক বিশেষত্ব। পল্লীভমণ, বন-পরিক্রম, পাহাড়-পর্য্যটন ইত্যাদি প্রকৃতি-পূজায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান এই যৌবন-আন্দোলনেরই সামিল । জাৰ্ম্মান গবমেণ্ট, বিশন্ত্রিশ বৎসর ধরিয়া মজুরদের