৬ষ্ঠ সংখ্যা ] পুনকার সৰ্ব্বাঙ্গ ঘর্খাল্লুত হইয়া উঠিয়াছিল। তাহার চোখের সম্মুখে যেন বিরাটু অন্ধকার থমৃ থম্ করিতেছে। পথ নাই, ভাবিবার পর্য্যস্ত কোনও পথ নাই ! একবার থমকিয়া দাড়াইয়া, পুনকা ডান-হাতের তর্জনী দিয়া তাহার কপালের ঘুমি মুছিয়া ফেলিল। ঘামের সঙ্গে তাহার কপালের খানিকট রক্ত ইতস্তত-বিক্ষিপ্ত ফুলগুলার উপর ছড়াইয়া পড়িল। কিন্তু পুনকা সেদিকে ক্ৰক্ষেপও করিল না। গোলাপী ফুলের উপর কাচা খুন জমাট বাধিয়া গেল। কয়েকটা ফুলের উপর দিয়া সে মাতালের মত টলিতে টলিতে চলিয়। যাইতেছিল। কোমল ফুলগুলা পায়ের নীচে কাটার মত বিধিতে লাগিল। কয়েক পা অগ্রসর হইয়া গোটাকতক ঝুমকা ও বাবলী ফুল পুনকা কুড়াইয়া লইল । সে ভাবিল, এই ঝুম্কাফুলটি সে বোধ হয় ৰানে পরিয়াছিল, আর এই বাব লাফুলটি নিশ্চয়ই তার নাক-ছবি । ফুলগুলি আপন হাতের মুঠার মধ্যে বেশ করিয়া চাপিয়া ধরিয়া পুনক কিয়দুর চলিয়া আলিবার পর, তাহার মনে হইতে লাগিল, হাতের মধ্যে সে যেন একমুঠ জলস্ত আগুন চাপিয়া ধরিয়া আছে । ফুলগুলা সে পথের ধারে ছুড়িয়া ফেলিয়া দিল । আবার পথ চলিতে চলিতে একটা মৰ্ম্মভেদী দুঃখ-নিরাশা পুস্কার বুকের তলে হাহা করিয়া উঠিতে লাগিল । রকমারি AeMeeMMeM eMMAMAMMAAeM eM MAAA AAAA AAAASSAAAAAAS AAASASAAAAASA SAASAASAASAASAASAAJAJJJAJA AMeAMMM MAMMM MMMMMMeMMAMMM MMAMAeMM ጫውጫ ~ উৎসবশেষে সকলেই যেন অতিরিক্ত ক্লান্ত-পরিশ্রাপ্ত হইয়া চুপ করিয়াছে বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। পুষ্পের সমস্ত স্বগন্ধ দক্ষিণ-বাতালে উড়িয়া গেছে বাণীর সঙ্গীত থামিয়াছে,—মাদলের শব্দ নীরব হইয়াছে, হাসি গানের আনন্দ উচ্ছ্বাস আর যেন কিছুই শুনিতে পাওয়া যাইতেছে न,-कांशंब्र७ भू१ कशा नाहे,-नौब्रव दिवधक्लङि, আকাশ-বাতাস, সব যেন এ-উহার পানে চাওয়া-চাওয়ি কানাকানি করিতেছে ! - ধা গুড়ায় ফিরিয়া পুনকা কাহাকেও কোন কথা বলিল না। বৃদ্ধ পিতার পায়ের নিকটে তাহার রোজ গারের টাকাটা ছুড়িয়া দিয়া বাহিরে জাসিয়া দাড়াইল । আকাশের পানে তাকাইয়া দেখিল, একটা বিরাট কালে মেঘে র্চাদটাকে ঢাকিয়া ফেলিয়াছে । রাহুর গ্রাস হইতে যেন তাহার আর মুক্তি নাই ! অন্ধকার—শুধু গাঢ় অন্ধকার যেন চারিদিক হইতে ছুটিয়া আসিতেছে! কোনও দিকে কোনও পথের সন্ধান পাওয়া যায় না,—এই অন্ধকার আবর্তের মধ্যে দাড়াইয়া প্রলয়ের সহিত মুখোমুখি দাড়াইয়া থাকা ব্যতীত আর কোন উপায় নাই । খাচার পাখীর মত একটা অশান্ত আক্ষেপ পুনকার বুকের ভিতর গুমরিয়া মরিতে লাগিল । শ্ৰী শৈলজা মুখোপাধ্যায় রকমারি স্ত্রী স্বামীকে বললেন—“আমাদের মেয়েটির নাম রাখা যাক লীলা, কি বল ?” লীলা নামটা স্বামীর কেমন ভাল লাগল না, কিন্তু মেয়ের নাম নিয়ে মাথা ঘামাবার মতন আগ্রহ বা অবসরও তার ছিল না । সোজা সে কথাটা বলে’ স্ত্রীর বিরাগভাজন হওয়া যুক্তিসঙ্গত মনে না করে’ তিনি হেসে বললেন—“খালা নাম হয়েছে —দ্যাখ, আগে যে মেয়েটির সঙ্গে আমার বিয়ের কথা হয়েছিল তারও নাম ছিল লীলা। প্রথমটা তাকে খুবই ভালবেসেছিলাম —বেচারা কলেরায় মারা গেল কিনা, তাই শেষে তোমার সঙ্গে বিয়ে হ’ল । অবশ্য তোমাকেও খুব ভালবাসি– তার চেয়েও বেশী ৷” স্ত্রী অনেকক্ষণ গষ্ঠীর হয়ে বসে থাকৃলেন । শেষে কঠোরস্বরে বললেন—“ন, ওর নাম রাখলাম ছায়া—জাজ থেকে ওকে ছায়া বলে ডাকতে হবে, মনে থাকে যেন ॥* স্বামী “যে আজ্ঞা” বলে’ হাসতে লাগলেন। ঐ বীরেশ্বর বাগছী
পাতা:প্রবাসী (ত্রয়োবিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৮৩
অবয়ব