পাতা:প্রবাসী (পঞ্চদশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


so ാ ാTarunnoBot (আলাপ) ২২:৩৩, ৩০ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি)*** শিক্ষা বিস্তারের আয়োজন।** আমাদের দেশ যে শিক্ষায় জগতের সকল সভ্য দেশের পশ্চাতে পড়িয়া আছে তাহরলা পুনরুক্তি মাত্র। এক লক্ষ লোকের মধ্যে কোন দেশের কত লোক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তাহ নিম্নের তালিকা হইতে বুঝ৷ যাইবে মামেরিকার যুক্তরাজ্যশ । ওএল। - * ব্রিটিশ-দ্বীপপুঞ্জ . স্পেন । ఫి জাৰ্ম্মানী : ইংলণ্ড । श्रोग्रांद्रज्ञll७ বেলজিয়ম, হল্যাণ্ড জাপান হাঙ্গেরী o আমেরিকার নিগ্রে। 8 to মেক্সিকো צ"ס כא পটুগাল २७*<> রুশিয়া २२"> ভারতবর্ষ >e"8 。 . এই অবস্থায় ভারতবর্ধের শিক্ষাবিস্তারের জন্য যে কোনো ॐ८5ठे। ও যে-কোনো লোকের দান স্বাগত ও - - প্রশংসার যোগ্য। সম্প্রতি বড়লাটের সভা হইতে হিন্দু

  • विश्वविनाॉलग्न ऋ*:नद्र-aखाद भश्च श्या शिप्रारश् : কোনোরূপ সাম্প্রদায়িক বিদ্যালয় আমাদের মনঃপূত নহে ; তবে বিদ্যালয় যদি যথার্থ বিদ্যা দিয়া কতকগুলি বেশী লোককে শিক্ষিত করিয়া তুলিতে পারে তবে সাম্প্রদায়িকত। আপনি খুঁচি যাইবে—কারণ কুসংস্কার বা সাম্প্রদায়িকতা ও শিক্ষা আলোক-অন্ধকারের ন্যায় একসঙ্গে থাকিতে পারে

প্রবাসী-কাৰ্ত্তিক, ১৩২২ চিন্তার ক্ষেত্র তাহার মধ্যে প্রচুর প্রসারিত আছে ; হিন্দু [ ১৫শ ভাগ, ২য় খণ্ড al હઃ প্রকৃত দ্বুিদ্ধ আতি মহৎ উচ্চ ধৰ্ম্ম, তাহার প্রকৃত শিক্ষায় সঙ্কীর্ণতা মনে জমিতে পারে না ; হিন্দুধৰ্ম্ম মানে কতকগুলি আচার বা অনুষ্ঠান নহে, জ্ঞানমূলক স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে জৈন ও শিখধৰ্ম্ম শিক্ষারও ব্যবস্থা হইতে পরিবে—উহার একটি নিরীশ্বর ও অপরটি একশ্বর-বাদী ; সুতরাং হিন্দুবিশ্ববিদ্যালয় যথেষ্ট উদার ভিত্ত্বির উপরই প্রতিষ্টিণ্ড ও পরিচালিত হইবে আশা কর মইতে পারে। হিন্দুবিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের কতকগুলি লোকের শিক্ষার - ব্যবস্থা হইতে পরিবে বলিয়া আমর উহাকে অভিন্ন - করিতেছি । ੈ। বিহারের জন্য দেড়লক্ষ টাক, বড়োদ চিমনাবাঈ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬ হাজার টাক, ও দিল্লির খ্ৰীচিকিৎসাবিদ ২৫ হাজার টাকা দান করিয়াছেন। - মহীশূরে বৎসরে ৭৬ হাজার টাকা বেশী ব্যয় করিয়া প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারের প্রস্তাব মধুর হইয়াছে; বর্তমান श्र%िशालासुलिद्र उंद्रउिद्र छछ ११ शऔ* টাকা মঞ্জুর হুইয়াছে। --- ------- কাশ্মীরের মহারাজ বলিয়াছেন যে, আমার বাসনা নেন দেশের প্রত্যেক বালক অস্তুত প্রাথমিক শিক্ষ *ाप्लेग्न উত্তম কারিগর, ব্যবসাদার, চাষী, দেশসেবক ও রাজকৰ্ম্মgরী হতে পারে। তাহার ইচ্ছ। ফলবতী হউক, এবং দীলোক ও যে রাজ্যের প্রজ এবং অংশ সে দিকেও যেন তাহার দৃষ্টি পড়ে। --- , রাণাঘাট মহেশগঞ্জের জমিদার পরলোকগত বিপ্রদাস পালটেণ্ডুর মহাশয় তাহার উইলে নির্দেশ করিয়া গিয়াছেন যে তাহার সম্পত্তির সিকি আয় নদীয়া জেলার শিক্ষা ও হিতকর কাৰ্য্যে ব্যয়িত হইবে। ॐ ;ांक श्रउ ऊँशित्र জমিদারীর মধ্যে র্তাহার প্রজাদের বালকবালিকাদিগের জন্তু পাঠশালা এবং সৰ্ব্বসাধারণের জন্য কৃষ্ণনগর সহরে একটি টেকনিক্যাল স্থল প্রতিষ্ঠিত হইবে। তাহার কিছু আছে ; সেই ঋণ শোধ হইয়া গেলে এই দানের পরিমাণ বড়োদার মহারাণী স্বামীর সহধৰ্ম্মিণী—তিনি স্ত্রীশিক্ষা | অনেক টাকা হইবে। নদীয়া যমশেরপুরের মিনার হাইকোর্টের উকিল ঐযুক্ত উপেন্দ্রনারায়ণ বাগচী মহাশ ১ম সংখ্যা ] এই কার্ধ্যের ট্রাষ্টি হইছেন ; আশা করি তাহার কর্তৃত্বে এই কাৰ্য্য সত্বর সুচারুরূপে সম্পন্ন হইবে। বিপ্রদাস বাৰু আদর্শ দেখাইয়া গিয়াছেন ; অপর জমিদারের এই পথে চলিলে দেশ অচিরে শিক্ষিত হইয়া উঠিতে পারে—এবং শিক্ষালাভ মানেই অশেষ দুৰ্গতির নাশ, অত্যাচার হইতে অব্যাহতি ! “এ নহে স্বপন, এ নহে কাহিনী, আসিবে সেদিন আসিবে ।” সাম্রাজ্য-সভায় ভারতের স্থান ।

  • ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বহু বিস্তৃত। তাহার অন্তর্গত যত স্ব শাসক দেশ আছে, ইংলণ্ডের সহিত তাহদের সম্পর্ক মাতা-কন্যার ; সেদিন যে বোয়ারদেশ ইংলণ্ডের সহিত যুদ্ধ করিয়াছিল, তাহাও ইংলণ্ডের স্নেহভাজন ; তাহদের দাবী

আবদার ইংলণ্ড গ্রাহ করিয়া চলেন। ভারতবর্ধও ব্রিটিশ । সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ; কিন্তু ইহার সম্পর্ক প্রভূতৃত্যের – কারণ ভারতবর্ষ Dependency বা অধীন দেশ ; যদিও ভারতবর্ষ স্বেচ্ছায় ইংলণ্ডর হিতকর শাসন মানিয়া লইয়াছিল, তথাপি তাহাকে সমানের বা প্রীতির মধ্যাদ। দেওয়া হয় না। সেই অধিকার লাভ করাই ভারতবাসীর মুখ্য উদ্দেশ্য। সেই মৰ্য্যাদা লাভ করিতে হইলে ভারতবর্ধকে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার লাভ করিতে হইবে— নিজের ভাগ্য পরের হাতে সপিয়া নিশ্চিন্ত হইয়া থাকিলে চলিবে না—নিজের মুখ সুবিধার ব্যবস্থা করিবার ক্ষমতা তাহার নিজের হাতেই থাকা চাই। এইজন্য কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠার সময় হইতে ভারতবাসী নানা প্রকারে স্বায়ত্তশাসনের দাবী করিয়া আসিতেছে। ইংরেজ রাজভৃত্যের এই বলিয়। ঐ দাবী এ পর্য্যন্ত অগ্রাহ করিয়া আসিতেছেন যে, ভারতবাসী অশিক্ষিত, স্বায়ত্তশাসনের অধিকার লাভে অধোগ্য। এই অশিক্ষার অথ্যাতি দূর করিবার জন্য মহামতি গোপলে সাৰ্ব্বজনীন শিক্ষার প্রস্তাব করিয়াছিলেন ; গভমেণ্ট তাহ। কিন্তু মঞ্জুর করিলেন না। তারপর এই সৰ্ব্বগ্রাণী মহাসমর আরম্ভ হইল। অনাদৃত ভারতবর্ষ ইংলণ্ডের হিতের জন্ম অকাতরে ধনপ্রাণ উংসর্গ করিতেছে --এক্ষণে ভারতবর্ষের কদর ইংলণ্ড ও অবজ্ঞাকারী ব্রিটিশ উপনিবেশগুলি কতক বুঝিতে পারিতেছে। কিন্তু এদেশ বিবিধ প্রসঙ্গ-সাম্রাজ্য সভায় ভারতের --م.v-م۔-م-۶.-- স্থান ** প্রবাসী ইংরেজরা একটা ধুয়া তুলিয়াছে যে, এই যুদ্ধের সময় ভারতবর্ষ আপনার দাবী করিয়া ইংলণ্ডকে বিত্রত করিয়া তুলিলে অন্যায় করিবে, যুদ্ধশেষের প্রতীক্ষা করিয়া থাকুক, খুদ-কুঁড়া কিছু বকশিশ মিলিয়। যাইবে ! আমাদের অতিসাবধান নেতার সেই কথাই মানিয়া লইয়া চুপ করিয়া বসিয়া আছেন—কি ভিক্ষ মিলে দেখা যাক ! আমরা চুপ করিয়া আছি, কিন্তু ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অপর অঙ্গগুলি ত চুপ করিয়া নাই—খাস ইংলণ্ডে ও উপনিবেশে সকলেই আলোচনা করিতেছে, যুদ্ধশেষে কে কি অধিকার পাইবে। সকলেই আপন-আপন দাবী পেশ করিয়া রাখিতেছে। কেবল ভারতবর্ষই কি চুপ করিয়া থাকিবে ? যুদ্ধশেষে বিজয়ী রাজ যখন প্রতিদানে পারিতোষিক বিতরণ করিবেন, তখন অপর সকলে প্রার্থিত কাম্য ধন লাভ করিয়া হৃষ্ট মনে ধনী হইয়া ঘরে ফিরিবে, আর ভারতবর্ষ কি চাহে তাহা না জানিয়া রাজা যে অনুগ্রহ-দান দিবেন তাহাতে ভারতের চিত্ত ভরিবে কি ? সেইজন্য আবশ্বক হইয়াছে আমরা স্পষ্ট করিয়া বলিব—আমরা যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অঙ্গ, আমরা সুস্থ সবল স্বায়ুত্ত থাকিতে চাই; তাহাতে অঙ্গের ও অঙ্গীর উভয়েরই কল্যাণ অহম্ব পঙ্গু জড় অঙ্গ বহিয়া কোনো অঙ্গ আরামে স্বস্থ থাকিতে পারে না। অতএব আমাদের স্বায়ত্তশাসন চাই ; আমাদের আপনার पद्रकब्र। श्राभद्रा निश्छद्र 5लाश्cउ 5ाशें । श्राभद्रा देश বক্শিশ বলিয়া চাই না, ন্যায্য অধিকার বলিয়া চাই, বক্শিশ চাওয়া এবং লওয়া সম্মানের বিষয় নয়। সম্প্রতি বড় লাটের ব্যবস্থাপক সভায় মাননীয় ঐযুক্ত মহম্মদ সাক্ষী মহোদয় প্রস্তাব উপস্থিত করেন যে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সম্মিলন-সভায় ভারতবর্ষের স্থান হোক। মহামান্য লর্ড হাডিং ভারতবর্ষের বহু হিতকর কৰ্ম্মের প্ৰবৰ্ত্তক ; তিনি এই প্রস্তাব ন্যায়সঙ্গত বলিয়া গ্রাহ করিয়াছেন এবং সম্রাটের মন্ত্ৰীসভার অনুমোদনের জন্য পাঠাইয়াছেন। . মাননীয় ঐযুক্ত হরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় শ্ৰীযুক্ত সাফীর প্রস্তাব সমর্থনের প্রসঙ্গে এই ব্যবস্থা যে ফলে কিরূপ ভূয়৷ অন্তঃসারশূন্ত হইবে তাহা দেখাইয়াছিলেন —ব্রিটিশ-সাম্রাজ্য-সম্মিলন-সভায় ইংলণ্ডের প্রতিনিধিরূপে