পাতা:প্রবাসী (পঞ্চদশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


o 1. 8br ヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘ Mme Casimir-Parier, Francois Berge, "şfs Hitzatxi ব্যক্তির। এই কাগজের নিয়মিত গ্রাহক। সাত বৎসর বয়সে এলেন এক ত" কাগজে “The Echo of Auteuil” নামে কাগজ লাহির করিতে আরম্ভ করেন। তখন কাগজে বিজ্ঞাপন আদৌ ছিল না, প্রথম হইতেই কাগজখানিতে নানাপ্রকার আলোচনা ছিল। রাজনীতি, সমাজনীতি, সংগীত, নাট্য, ছোট গল্প, হাসির গল্প, রঙ্গচিত্র প্রভৃতি বাহির হইতে থাকে। বালক চিত্রবিদ্যায় দক্ষ-রঙ্গচিত্রে অসাধারণ ক্ষমতা*ाजौ, एांtअब्र थाग्र नभए निशाऊ cजाप्कद्रश् इति श्नि कब्रिग्रांtश्न । কাগজখানি এখন মাসে মাসে বাহির হয়, এই দীর্ঘ দশ বার বৎসরের মধ্যে কোন দিনও ইহার এক সংখ্যা অপ্রকাশিত কিম্ব বিলম্বে প্রকাশিত হয় নাই। প্রথমত: কাগজখানি একটিমাত্র গ্রাহক লইয়া বাহির হয় । সেও বালকের বন্ধু । কাগজখানি চালাইতে বালক আর দ্বিতীয় ব্যক্তির সাহায্য পান নাই। সম্পাদক প্রক রিডার রিপোর্টার চিত্রকর সকলই নিজে। ইনি এখনও ছাত্র , চিত্ৰ-বিদ্যা শিক্ষা করিতেছেন। বালকের মাতা একজন উংকৃষ্ট গল্প-লেখিকা। পিতা সহরের পত্রিকসমূহের নামজাদ সম্পাদকীয় স্তষ্কের লেখক। ঐজ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবত্তী । “অন্ধজনে দেহ আলো” - গন্তের চিত্র সৌন্দৰ্য্য মানুষ চক্ষু-কর্ণাদি ইন্দ্রিয়ের शरश३ পভোগ করিয়া থাকে। সেই-সকল ইন্দ্রিয়ের একটির অভাব হইলেই সে বহুল পরিমাণে বঞ্চিত হয়। এই জ্ঞানলাভ ও সৌন্দৰ্য্য-উপভোগে চক্ষু যেমন করিয়া মাহুষের সহায় হয় তেমন করিয়া কোন ইন্দ্রিয় কি অন্য কোন বস্তুই হইতে পারে না। কাজেই অন্ধের নিকট জগং যে কি ষ্টি ধারণ করে তাহ আমরা সহজেই বুঝিতে পারি। প্রভাতস্বৰ্য্য তাহার নিকট কোন রহস্যই উদঘাটন করে না, সন্ধ্যার অন্ধকার পৃথিবীর কোন নূতন রূপ তাহাকে দেথায় না। প্রতিদিন প্রতিমাস প্রতিঋতু কত বিচিত্র শোভা-সৌন্দর্ঘ্যে ধরণীকে সাজাইয়৷ চক্ষুষ্মানের চক্ষু সার্থক করে ; কিন্তু চক্ষুহীনের জগং চির-তিমিরেই আবৃত থাকে। শীতপ্রধান দেশ অপেক্ষা গ্রীষ্মপ্রধান দেশেই এই দুর্ভাগ্যদের সংখ্যা বেশী। প্রখর স্বৰ্য্যালোক, ধূলির আধিক্য ও বায়ুর শুষ্কতাই বোধ হয় ইহার কারণ। সমুদ্র-উপকুলবাসীদের মধ্যেও অন্ধের পরিমাণ কিছু বেশী। এমন শত শত অন্ধ ও অল্পবৃষ্টি মানুষ আছে, যাহাদের অন্ধত চেষ্টা করিলেই দূর করা যাইত। জন্মের সময় প্রবাসী—কাৰ্ত্তিক, ১৩২২ JSJMSMSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSS [ ১৫শ ভাগ, ২য় খণ্ড ヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘ দূষিত পদার্থের সংস্পর্শে অনেক শিশুর চক্ষু নষ্ট হইয়া যায়। অঞ্জ ধাত্রী ও পিতামাতা না বুঝিয়। অবহেলা করিয়া এইরূপে অনেক সন্তানের জীবন ব্যর্থ করিয়াছেন। এই জাতীয় অন্ধের সংখ্যা অন্য প্রকার জন্ধের সংখ্যা অপেক্ষা অনেক বেশী । এইজন্য জন্মের পর দুই সপ্তাহের মধ্যে চোখের কোন দোষ কিম্বা যন্ত্রণ দেখিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত । - অন্ধদের দুঃখ কিয়ং পরিমাণে দূর করিবার জন্য এবং তাহাদিগকে মানুষ নামের যোগ্য করিবার জন্য সহৃদয় ব্যক্তি মাত্রেরই চেষ্টা করা উচিত। কি প্রাচীনকালে কি আধুনিক যুগে সকল সময়েই হৃদয়বান মানুষের দুর্ভাগ্যের দুঃখ নিবারণের চেষ্টা করিয়া আসিতেছেন। কাজেই দেড়হাজার বৎসর পূৰ্ব্বেও অন্ধ-চিকিৎসালয় ছিল শুনিলে আশ্চৰ্য্য হইতে পারি না। তবে ১২৬০ খৃষ্টাব্দে পারী নগরেই সাধারণের চেষ্টায় প্রথম আন্ধাশ্ৰম । প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিল বলিয়া শোনা যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীর বহুপূৰ্ব্ব হইতেই ইয়োরোপে মাঝে মাঝে দুই একজন শিক্ষিত অন্ধের কথা ও স্পর্শের সাহায্যে | তাহাদিগকে শিক্ষা দিবার নানাপ্রকার যন্ত্র আবিষ্কারের . . চেষ্টার কথা শুনিতে পাওয়া যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীর কিছু পূৰ্ব্বে ফ্রান্সে অন্ধভিক্ষুকের অত্যন্ত প্রাচুর্য্য ছিল। রাস্তার ধারে ভিক্ষা করিবার জন্য জায়গা লইয়া তাহারা প্রায়ই তুমুল কলহ বাধাইয়া তুলিত। তাহদের দুঃখে । সহাহভূতি না করিয়া লোকে তাহদের লইয়াই নানা । প্রকার মজা করিত। ১৭৭১ খৃষ্টাব্দে পারীর কোন | মেলায় এক সরাইওয়াল প্রত্যহ একদল অন্ধ ভিক্ষুককে লম্বা লম্বা গাধার কান, ময়ূরের লেজ, কাগজের চশমা প্রভৃতি পরাইয়৷ বাদক সাজাইয়া তামাস দেথাইত ; দলে দলে লোক আসিয়া এই আমোদে যোগ দিত ও হাসি ঠাট্টায় coal isofoil of its fog ( Valentin Hany) - ¥ থাকেন। ইহাতে তাহারা আত্মনির্ভরে অক্ষম হয় এবং ভালার্ত্যা আনী নামক একজন সদয় ভদ্রলোকের হৃদয়ে এই অমানুষিক আমোদ অত্যন্ত আঘাত করিয়াছিল। তিনি আন্ধদের উন্নতির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা আরম্ভ করিলেন। প্রথম চেষ্টা সফল হওয়াতে তিনি ১৭৮৫ খৃষ্টাব্দে প্রথম অন্ধ-বিদ্যালয় স্থাপন করিলেন। | শাস্ত্ৰীয়ের কার্য্য, দয়া করিয়া অলস ও নিজীব করিয়া তোলা ১ম সংখ্যা ] · অন্ধজনে দেহ আলো TarunnoBot (আলাপ) ২২:৩৫, ৩০ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি)ാ... --م۔۔ - ^ヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘヘし - TarunnoBot (আলাপ) ২২:৩৫, ৩০ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি) S S S S S S S SMSAAA AAAA AAAA AAAAA عیسی مسیصیصم প্রথম প্রথম অস্কদের জন্য কেবল আশ্রমই প্রতিষ্ঠিত হইত। বিদ্যালয়ের একান্তই অভাব ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর পর হইতে ইয়োরোপের নানা দেশে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বচনা হইয়াছে। আমরা বিশেষ করিয়া চক্ষুর সাহায্যেই অহুভূতি লাভ করিয়া থাকি ; স্বতরাং চক্ষু না থাকিলে মনের অবনতির সম্ভাবনা খুবই বেশী। এইজন্য শিশুকাল হইতেই অন্ধের মানসিক উন্নতির চেষ্টার আবশ্বক। অন্ধের প্রতি দয়া 8x, ു. প্রযুক্ত অরুণকুমার শাহ, কলিকাতার অন্ধবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হয়। কোন কাজ না করিতে পাওয়ায় ও চিন্তা করিবার কোন বিষয় না থাকায় তাহারা প্রায়ই অত্যন্ত দুৰ্ব্বল শক্তিহীন ও জড়বুদ্ধি হইয়া উঠে। এই-সকল বাধা অতিক্রম করিবার জন্য স্পর্শ ও শ্রবণশক্তি প্রভৃতির সাহায্যে তাহাদিগের দেহ ও মনকে যতদূর সম্ভব সজীব করিয়া তুলিবার চেষ্টা করা দরকার। নানাপ্রকার ক্রীড়া, ভাষাশিক্ষা, মনে মনে অঙ্ক-কষ, গীতবাদ্য শিক্ষা ও শিল্পশিক্ষা : তাহাদের দেহ মনকে উন্নতির পথে অগ্রসর করে। শুধু উন্নত হইবার জন্যই যে অন্ধদিগকে শিক্ষা দেওয়া উচিত ইহা যেন কেহ মনে না করেন। জীবিক অর্জনের উপযোগী শিক্ষারও একান্ত প্রয়োজন। তাহা না লইলে পরের গলগ্ৰহ হইয়। অন্ধতার দুঃখের উপর আরও দুঃখের কারণ স্বষ্টি হইতে থাকে। নিজের জীবিকা নিজে উপার্জন করিতে পারিলে অন্নকষ্ট ত দূর হয়ই তদুপরি একটা আত্ম -- ঐযুক্ত লালবিহার শাহ, কলিকাতার অন্ধবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। করি। তাহার আত্মীয় স্বজনের অন্ধের নড়ি সাজিয়া সচরাচর উপকারের পরিবর্তে অপকারই বেশী করিয়া দয়াল আত্মীয়ের অভাব হইলেই অনন্ত ছৰ্দ্দশাগ্রস্ত হয়। তাহদের কার্য্যতৎপর ও আত্মনির্ভরশীল করিয়া তোলাই শত্রুর কার্য্য। অন্ধের দৈহিক ও মানসিক অবস্থা প্রায়ই अडाठ् शैन