পাতা:প্রবাসী (পঞ্চদশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


फेशं ब्रां७ भlicनभिग्ना यcब्रग्र धष्ठिtष५क। बप्प्रब्र ८१भ श्रोनिनात्र नभग्न পর্যন্ত ৰদি উপবাস করা যায় তাহ হইলে কুইনাইনের সর্বাপেক্ষ উত্তম ফল হয়। প্রত্যক্ষ দেখা গিয়াছে যে ম্যালেরিয়া জ্বরের পরাঙ্গপু? জীবাণুগণ উপবাসে নষ্ট হয়, বিশ্রামেরও জীবাণু নষ্ট করিবার ক্ষমতা আছে। হতরাং জ্বরে উপবাস ও বিশ্রাম একান্ত প্রয়োজনীয়। খালি পেটে ঔষধ খাওয়ার উপকারিতা অধিক । ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা। সকল রোগই ভোগকাল শেষ হইলেই আরোগ্য হইয়া থাকে। ম্যালেরিয়াও সেইরূপ আপনা-আপনি আরোগ্য হয়। ম্যালেরিয়াজীবাণু রক্তের লালকণিকাৰে আক্রমণ করিলে শ্বেতকণিকাগুলি সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় এবং ম্যালেরিয়া-জীবাণুকে ধ্বংস করিতে যথাসাধ্য dफ़हे कtद्र । १३ cs४itठ३ भाiएलब्रिग्न बग्न पाठां१िक ॐitण विना सेव८ष अर्ष९ि दूश्नाश्न पायशत्र गाठौऊ श्रांरब्रभा श्ग्र । ঘরে জামাদের দেশে লঙ্ঘনের প্রথা আছে। উপবাস করিলে ম্যালেরিয়-জীবাণু, নিস্তেজ হইয় পড়ে এবং শ্বেতকণিকাগুলি শীঘ্রই তাহাদিগকে বিনাশ করে। এইরূপে বিন ঔষধে কেবল উপবাসন্ধার DDDD DBBDD DDD DD S BBBBBB BBB BBBB বহুসংখ্যক রক্তকণিকা ধ্বংস হই থাকে। এইজষ্ঠ কেবল উপবাসबांद्राश्रांcब्रांभ श्रल ८5ठे। न कब्रिग्न, थभभ श्रङ३ कूश्नाश्न ८गगन कब्र शक्रलब्रई कéदा। (স্বাস্থ্য-সমাচার, শ্রাবণ) - ত্যাগ ( श्रघ्न ) - জীবনে লোকের কতই ন বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করিতে - হয় -কত বিপদের গ্রাস হইতে নিজেকে রক্ষা করিতে হয়-কত কঠোর পরিশ্রম সহ করিতে হয়—তবে ত লোকে বড় হয়। কিন্তু বাধা অনেক আছে—বিপদও অনেক আছে-পরিশ্রমও অনেকেই করে—উপেনের ভাগ্যে যে এমন ছিল তাহা সে বেচার পূৰ্ব্বে জানিত না। বিপদ-বাধা নানা মূর্তি ধরিয়া লোকের কাছে দেখা দেয় – উপেনের কাছে সে বিবাহের রোশনচেীকী বাজাইয়৷ আলোকের ঘটা করিয়া চেলীর ঘোমটা টানিয়া বধূর রূপ ধরিয়া আসিল। যে রজনী হইতে অশিক্ষিত। গ্রাম্যবালিকা অমলার সহিত উপেনের বিবাহস্বত্র গ্রথিত হইল-সে রজনী হইতে—সেই মুহূৰ্ত্ত হইতে তাহার জীবনের সব আশা সব উদ্যম কোথায় দুর্ভেদ্য অন্ধকারের মধ্যে মিশ - ইয়া গেল। সে দেখিল একটা বালিক তাহার অবগুণ্ঠনাবৃত - মুখ ব্যাদান করিয়া তাহার জীবনের শ্রেষ্ঠ আদর্শগুলিকে প্রবাসী—কাৰ্ত্তিক, ১৩২২ `S८** एठ(१, २झ ९७ I [ ' ' " " `. ১ম সংখ্যা ] --২২:৩৬, ৩০ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি)TarunnoBot (আলাপ) ২২:৩৬, ৩০ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি) গ্রাস করিতে আসিয়াছে। জীবন-প্রভাতে ভগবানের --- এ শাস্তি উপেনের বড়ই কঠোর বলিয়া বোধ হইল। অমলার দোষ কিছুই ছিল না। দোষ তাহার ভাগ্যের। রূপ ত যথেষ্টই ছিল, গুণ ছিল কি না সে পরিচয় কেহ চাহিল না। যাহা হউক—রুপ গুণ থাকুক আর নাই থাকুক— অমল তাহার জীবনের একমাত্র আরাধ্য দেবতা স্বামীর সকল কার্ধ্যে একটা বিশ্বস্বরূপ হইয়া দাড়াইল । সে কিন্তু কিছুই বুঝিতে পারিল না—শুধু উপেন নিজের দুর্দশা ভাবিয়া মৰ্ম্মাহত হইয়া গেল । করিত, কোনও কারণে কেহ তাহাকে বাহির করিতে পারিত না। ঘরে বসিয়া সে খানিক পড়িত, খানিক ভাবিত। পড়িয়া পড়িয়া ভাবিয়া ভাবিয়া উপেন একটা অসাধারণ লোকের মত সেই মেসে বাস করিত। সকলে তাহাকে sentimental বলিয়। বিদ্রুপ করিত, সে তাহদের কথাতে কৰ্ণপাতও করিত না। অবশেষে ভাবিয়া ভাবিয়া উপেন একটা সিদ্ধাস্তে উপনীত হইল। সে পুরাতন মহাবাক্য "What man has done man can do* বারংবার স্মরণ করিতে লাগিল। মনে মনে বলিল “আমিও ত একটা মানুষ—আমার জীবনটা সামান্য অকিঞ্চিৎকর কার্য্যে কেন নষ্ট করিব ? আমি সমগ্র দেশের মধ্যে জগতের মধ্যে কেন না এমন কিছু করিতে সক্ষম হইব যাহাতে বংশপরম্পরায় আমার দৃষ্টান্ত সকলের পক্ষে একটা দুল্লভ দৃষ্টান্ত হইয়া থাকিবে!" একদিন সন্ধ্যায় সে মেসের ছাদে বসিয়া উৰ্দ্ধে নীলাকাশ– চতুষ্পার্শে অট্টালিকাশ্রেণী—নিম্নে পুণ্যবঙ্গভূমি—সকলকে সাক্ষী রাখিয়া এই সৰ্ত্তে একটা প্রতিজ্ঞা করিয়া ফেলিল । উপেনের এরূপ মহৎ উদ্দেশ্য খুবই ভাল ছিল। কিন্তু কে তাহার কানে কানে বলিয়া গেল "বাপু সাবধান! বিবাহ এসকল কার্য্যে একমাত্র বাধা-বিবাহ করি ৪ না।" সব গোল বাধিল এইখানে। কথাটা সে হৃদয়ে গাথিয়৷ বালি এবং প্রতিজ্ঞ করিল-যতদিন না সে একটা মামুযের মত মানুষ হইতে পরিবে, যতদিন না সে তাহার উচ্চ আদর্শলাভের পথে যথেষ্ট অগ্রসর হইবে, যতদিন নী প্রকৃত সহধৰ্ম্মিণী পাইবে, ততদিন সে কিছুতেই বিবাহ করিবে না। না কিছুতেই নহে। 'সাধিতে প্রতিজ্ঞ যদি প্রয়োজন—উপাড়ি পাড়িব নভো নক্ষত্রমণ্ডল। কিন্তু হায়! প্রতিজ্ঞ। তাহার থাকিল না—বিএ পাশ করি। ষেবার সে মেডিকেল কলেজে চুকিল সেই বারই তাহার পিতা তাহার বিবাহের সম্বন্ধ স্থির করিয়া ফেলিলেন। এই নূতন ঘটনার খরস্রোতের মাঝে পড়িয়া তিস্থির করিবার পূৰ্ব্বেই সে দেখিল ইতিমধ্যে কখন, লে বিবাহের ঘূর্ণিপাকের ভিতর পড়িয়া হাবুডুবু থাইতেছে। সে যাত্র সে অার সামলাইতে পারিল না। স্রোতের মাঝে ৎি কোনও গতিকে নিজেকে ভাসাইয়। রাখিতে চেষ্ট৷ ( २ ) উপেন যখন প্রথম কলিকাতায় আসিয়া কলেজে ভৰ্ত্তি হয় সে আজ অনেক দিনের কথা। উপেনের পিতা নিজ গ্রামেই থাকিতেন—পড়াশুনার সুবিধার জন্য উপেনকে তিনি কলিকাতায় পাঠাইলেন । পাঠ্যাবস্থায় নানা রকমের পুস্তকাদি পাঠ করিয়া বিশাল কলিকাতা সহরের নিত্য নূতন কাণ্ডকারখানা দেখিয় দেশবিদেশের কাহিনী পাঠ করিয়া উপেন তাহার নবলব্ধ জ্ঞান-ভাণ্ডারকে বেশ করিয়া একটা সামঞ্জন্তে আনিতে পারে নাই। ইতিহাসের পৃষ্ঠায় যখন সে পড়িত কত দরিদ্র অসহায় অনাথ লোক তাহাদের ধৈর্য্য ও মনের জোরে জগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠস্থান অধিকার করিয়া তাহাদের অমর কীৰ্ত্তি-গাথা দেশবিদেশে প্রচারিত করিয়া গিয়াছে— কত দীনা সামান্য নারী সমগ্রদেশের পূজ্যস্থানীয়া হইয়াছে— কত পিতৃমাতৃহীন শিশু পথের ধুলায় মানুষ হইয়া শেষে, স্বোপার্জিত যশোমহিমায় নিজেকে ও সমস্ত জগৎকে ধন্য করিয়াছে—তখন বাস্তবিকই উপেন তাহার মনটাকে সেই সকলের মধ্যে একেবারে হারাইয়া ফেলিত। পড়িতে পড়িতে তাহার মনে হইত সে যেন চোখের সম্মুখে সেই অতীতের কাহিনীগুলার পুনরাবৰ্ত্তন দেখিতে পাইতেছে। শুধু তাহাই নহে—সে যতই নূতন জ্ঞান পাইতে লাগিল ততই যেন তাহার হৃদয়ে সেগুলার প্রতি একটা দুৰ্দ্দমনীয় আকর্ষণ আসিয়া পড়িতে লাগিল। উপেন মেসে থাকিত বটে কিন্তু সে কাহারও সহিত মিশিত না-কলেজ হইতে আসিয়া নিজের ঘরে প্রবেশ ত্যাগ করিত—কিন্তু তাহার গলায় একটা প্রকাও পাথর বাধাপাথর অমলা। মগ্নপ্রায় উপেন প্রাণপণে পাথরটা ছুড়িয়া ফেলিল । - ( o ) অনেক দিন অতীত হইয়া গিয়াছে—উপেন তাহার জন্মের স্বখময় স্মৃতি, যৌবনের উচ্চ আশা, সমস্তই দুর্ভেদ্য রহস্যের অন্ধকারের ভিতর হারাইয়া ফেলিয়াছে। এরূপ অবস্থায় যাহা সচরাচর ঘটে এক্ষেত্রে তাহাই হইল। উপেনের বিবাহ হইয়াছে প্রায় ছয় বৎসর—এই দীর্ঘ ছয় বৎসরের ভিতর তাহার স্ত্রীর সহিত দেখা করা দূরে থাকুক এপর্য্যস্ত তাহাকে একখানা পত্রও লেখে নাই। সে বাড়ীতে বড় যাইত না-পিতা যাইতে লিখিলে অবকাশের অভাব ইত্যাদি নানা ওজর আপত্তি দেখাইত ; যদিও কখনও বাট যাইত—যখন যাইত তাহার পূর্বে অমলাকে পিত্রালয়ে পাঠাইবার বন্দোবস্ত করিত। উপেন সবই ক্ষমা করিতে পারিত, না হয় একটা স্কুল হইয়াছে কি হইবে, কিন্তু যখন সে ভাবিত যে জীবনের প্রথমে যে একটা সামান্য প্রতিজ্ঞা লইয়া কৰ্ম্মক্ষেত্রে অগ্রসর হইবে স্থির করিয়াছিল তাহাই যদি সে রাখিতে পারিল না, তবে ভবিষ্যতে কোন ভরসায় সে কার্ষ্যে সফল হইবার আশা করে। সে যতই ভাবিত ততই যেন অমলার প্রতি, পরোক্ষে পিতার প্রতি, তাহার ক্রোধ কেন্দ্রীভূত হইয়৷ আসিত। সে হৃদয় হইতে মায়ামমতা সব এক একে বিসর্জন দিয়া আচল অটল হইয়া বসিয়া রহিল। o উপেনের বন্ধুবান্ধব বিশেষ ছিল না। मंड़ा उशनः। সহপাঠী, যদি কিছু সে কাহাকেও বলিত, তবে তাঁহাকেই বলিত। তাহার বিবাহ হইয়াছে একথা সন্তোষ জানিত ; অথচ সে বাট যায় না, আজ পর্য্যন্ত তাহার স্ত্রীর একখানাও পত্র সে দেখে নাই, এসব ব্যাপার তাহার নববিবাহিত জীবনে যে খুবই রহস্যময় তাহা সে বেশ বুঝিতে পারিত। একদিন উপেন কলেজ হইতে আসিয়া তাহার ঘরে নিত্যকার মত ঘোর চিন্তামগ্ন হইয়া বসিয়া রহিয়াছে, এমন সময় সন্তোষ প্রবেশ করিল। উপেন তাহাকে লক্ষ্যই করে নাই । অতি ধীরে ধীরে অগ্রসর হইয়। সে তাহার পিছনে