পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


:ు প্রেম ও পূৰ্ব্বরাগের কবিতা রচনা করেন না। তিনি অধুন যেমন মচৎত্রত অবলম্বন করিয়াছেন, তাহারই অমুকপ নৈতিক, আধ্যাত্মিক ও মহৎভাবোদীপক কবিতা এবং সঙ্গীত রচনায় প্রবৃত্ত্ব হইয়াছেন। অল্পাষ্ঠ কবিগণ অনেকটা তাহারই আদশের অনুসরণ করিতেছেন। ইতাতে শুভ ফলষ্ট উৎপন্ন হইবে। প্রণয়ের কবিতা পড়িয়া পড়িয়া আমরা হয়রান হইয়াছি ; আর ভাল লাগে না। এখন “নৈবেশ্বের” ন্যায় কতকগুলি আধাত্মিক কাব্য পাঠ কলিতে পাইলেই আমরা তৃপ্তিলাভ করি । শ্ৰীঅমৃতলাল গুপ্ত । বিবাহের বিজ্ঞাপন । প্রথম পরিচ্ছেদ । সহ গাজীপুর, মহল্লা গোরাবাজারে, বাম অওতার নামক একটি লালাজাতীয় যুবক বাম করে। তাহার বয়ঃক্রন arবংশতি বৎসল হইবে । লোকটার কিঞ্চিৎ ইংরাজী লেখাপড়া জানা আছে কয়েকবার উপযুপরি প্রবেশিক পরীক্ষায় ফেল করিয়া লেখাপড় ছাড়িয়া, এখন সে ঘরে বসিয়া অাছে । বৈশাখ মাস। সমস্ত দিন প্রচও গ্রীষ্মের পর এখন সন্ধাবেল একটু শীতল বাতাস বহিতে আরম্ভ করিয়াছে। চপ্তিদন্তের বোলাযুক্ত এক জোড়া খড়ম পায়ে দিয়া, নগ্ন গাত্রে, রাম অঙতার তাঙ্গদের সদর বাড়ীর বারানায় আসিয়া গড়াইল। ভূত একটি চেয়ার আনিয়া দিল। রাম অও জর উপবেশন কঞ্চি বলিল—“চতুরি-ভাও তৈয়ারি হইয়াছে ? ੋਂ কিং পরে চতুরি ওরফে চতুভূজ, একটি রূপার arালে করিয়া গোলাপ দেওয়া সিদ্ধি আনিয়া দিল । বাম مw আওতাল অবস্থাপন্ন লোক । রাষ্ট্রীট ঠিক মঙ্গর বাস্তায় উপর। স্বামটা বাজার হইতে কিছু পুত্ব, স্বতরাং কিছু নিরিবিলি। পথচারী লোক বেশী লক্ষ্ম, জয় নেদয়ে দুষ্ট একখান এক স্বয় কম শক করির চুটিয়া যাইতেছে। রাস্তার মোড়ে একটি শিরীষ প্রবাসী । ৫ম ভাগ । গাছ তাহাতে অজস্র কোমল ফুল ধরিয়াছে। অপব পক্ষ্মে মিউনিসিপালিটির একটি লণ্ঠন ক্ষীণ আলোক বিতরণ কবিতে চেষ্টা করিতেছে । রাম আওতার বসিয়া আরাম করিয়া সিদ্ধি পান করিতে লাগিল। সহসা অদূরে চাচা গলায় শব্দ উত্থিত क्ष्ठेल • গুলার-ছড়া।” গুলাব-ছড়ি-ওয়াল তীব্র কেরোসিনের আলোকসঙ্গ পশর স্বন্ধে লষ্টয়া, বাড়ীর সম্মুখে আসিয়া হাকিল কা মজাদার গুলাব-ছড়ি ! যো থাওয়ে, মজ পাওয়ে ; যে চাথে, ইয়াদ রাখথে । গুলব-ছড়ী ! o বটার মধ্য হইতে তৎক্ষণাৎ একটি পঞ্চবর্ষার বালক বাহির হইয়া আসিল। রাম অওতারের কাছে আসিয়া বাহানা ধরিল—“ভাইয়া, তামি গুলাবছড়ি খাইব।" একথা শুনিবামাত্র ফিলিওয়াল রাস্তায় দাড়াইয়া, বারান্দার উপর তাঙ্গর পশরা নামাইল। বালক মোহনলালের প্রভি চাহিয়া বলিল—“গুলাব ছড়ি-লানখাটাই— লোতন হালুয়,—কি হইবে বল। বালক গুলাব-ছড়িরষ্ট বেশ পক্ষপাতী—তাগষ্ট কয়েকটা aয় করিল। ফিরিওয়াল স্বীয় কক্ষতল তুষ্টতে একথানা হিন্দী সংবাদপত্র বাচির করিয়া, তাহার কিয়দংশ ছিা করিয়া, গুলাবছড়িগুলি জড়াই। মোহনলালের হাতে দিল । তাহার পর পশরা উঠাইয়া লষ্টয়া, পূৰ্ব্ববৎ কড়িমধ্যম স্তরে “গুলারছড়ি স্থাকিতে হাকিতে সে প্রস্তান করিল। মোহনলাল পরম আনন্দে বরাদাময় মূর্তা করিতে করিতে ভোজনে প্রবৃত্ত হইল। কিয়ৎক্ষণ পরে ভ্রাতার কাছে আসিয়া ছিন্ন কাগজটা দেখাষ্টয়া বলিল-“দেখ ভাইয়া, - একটা স্থাথির তসবীর।" রাম অওতার কাগজখানি হাতে লইয়া দেখিল, একটা হস্তীমার্ক ঔষধের বিজ্ঞাপন। কিন্তু তাহার পাশ্বেই যাহা দেখিল, তাহতে রায় অওতারের কৌতুহল অত্যন্ত উদীপিত চষ্টয়া উঠিল। পর্শে সহিয়াছে –“বিবাহের বিজ্ঞাপন।” কায় হস্তে সিদ্ধির গেলাস পরিয়া, দক্ষিণে ছিন্ন কৗগম্ভ བྷུ་མི་ সংখ্যা । ] o থানি লইয়া, রায় অওতার বৈঠকখানা ঘরে প্রবেশ করিল। i. আলোকেল কাছে পড়াইয় পড়িল - বিবাহের বিজ্ঞাপন । প্রাপলাসমাজদুক্ত ভদ্রলোকের একটি সপ্তদশবর্মীয়া সুন্দরী কণ্ঠা আছে । বিবাহের জন্ত একটা সচ্চরিত্র স্বশিক্ষিত কায়স্থলীগ পায় আবগুক। বিবাহন্তে যুবকটিকে শিক্ষালাভের জন্য আমরা বিলতে পাঠাইতে ইচ্ছা করি। পুৰ্ব্বে পত্র লিগিয়া পাত্র বা অভিভাবক আমার সঙ্গিত আসিয়া সাক্ষাৎ করিবেন। লাল মুরলীধর লাল । মহাদেও মিশের বাট, কেনারঘাট, বেনারস্ সিটি। রাম অগুতার বিজ্ঞাপনটি দুইবার পাঠ করিল। পাঠান্তে তাহার মুণে কিঞ্চিৎ হাসি দেখা দিল। বারান্দায় ফিরিয়া গিয়া, চেয়ারে বসিয়া, সিদ্ধিপান করিতে করিতে সে মামাপ্রকার ভাবিতে লাগিল । ভাবিল, ইহা ত বড় মজার বিজ্ঞাপন ! তাহার যে খালাকালেই বিবাহ হইয়া গিয়াছে –নহিলে এই একটা ঘেশ স্নযোগ উপস্থিত হইয়াছিল। সপ্তদশবর্ষীয় সুন্দরী কস্তা না জানি দেখিতে কি রকম : “প্রার্থনাসমাঞ্জী’র কল্প । বাঙ্গল দেশে যে “বল্পমূসমাজী”র আছে—“প্রার্থনাসমস্ত্রী’রও সেইরূপ তাহ রাম অশুতীর শুনিয়াছে। এতদিন অবধি যখন সে কন্তী অবিবাহিতা আছে, তখন নিশ্চয়ই শিক্ষিতা, এবং গাহিতে বজাইতে জ্ঞানে । এই প্রকার মহিলাগণের সশ্বন্ধে রাম আওতারের মনে বহুদিন হষ্টতে হানস্থ কৌতুহল সঞ্চিত ছিল । সিদ্ধিপান শেষ হইলে, গেলাসটি নামাইয়া রাখিয়া রাম অওড়ীর ভাবিল-“একটা কাজ করা যাউক । উহাদিগকে পত্র লিখিয়া, গিয়া দেখা করি। কিছুদিন উহাদের বাড়ী • যাতায়াত করিয়া, মজাটাই দেখা যাউক না কেন । তাহার পর সমর বুঝিয় মটকাইলেই হইবে।” সিন্ধিল নেশায়, এষ্ট মজার মতলব মনে আঁটিতে অীটিতে, রাম অ গুতারের অত্যন্ত হাষি পাইতে লাগিল। তাহলে বিবাহ যে হইয়াছে, তার্থ উহারা জানিবে কেমন করিয়া । বিবাহের বিজ্ঞাপন। »ማ কিছুদিন কোর্টশিপু করিয়া তাহার পর চম্পট। রাম অও তার হা হা করিয়া ক্রমাগত হাসিতে লাগিল । ভাবিল আর বিলখ করা নয়। চিঠিটা এথনি লিখিতে হইবে। রাম অজ্ঞতার উঠিয় বৈঠকখানায় প্রবেশ করিল। তক্সপোষে বসিয়া বাক্স সম্মুখে লষ্টয়া চিঠি লিখিতে আরম্ভ করিল। অভ্যাসমত প্রথমে লিপিল--পঐশ্ৰীগণেশায় নমঃ।” তাহার পর মনে হইল, ইহারা “প্রার্থনাসমাজে”র লোক, হিন্দু দেবদেবীর নাম শুনিলে ত চর্টর বাইতে পারে! তাহাকে ত নিতান্ত অসভ্য মনে করতে পারে। স্বতরাং BB BB BB BBBSTyBBB BBBS BBBS BBB করিল । প্রবেশিকার দোল শুনিলে পাছে তাহারা যথেষ্ট শিক্ষিত বলিয়া মনে না করে, তাই লিথিয় ৰিঙ্গ সে বি এ পরীক্ষায় ফেল করিয়াছে। নিজের সচ্চরিত্রতার কথা লিখিবার সময় তাহার মুপে হাঁসি লেখা দিল । কলম রাখিয়া, কিছুক্ষণ ধরিয়া হাসিল। পরে লিখিল, সে জাতিভেদ মানে না, বিলাভ ধাইতে কিছুমার আপত্তি নাই । কুমারীর একখানি ফোটগ্রাফ বাদ থাকে, তাছা প্রার্থন করিয়া পত্র শেষ করিল। সে দিন রায়ে রাম আওতারের ভাল করিয়া নিদ্রা হইল না । ভবিষ্য ঘটনা সম্বন্ধে বতষ্ট সে কল্পনা করে, ততই তাতার হান্ত সম্বরণ করা কঠিন ইয়া উঠে । দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ । কাশী কেদারঘাটের নিকট, একটি ক্ষুদ্র গলির মধ্যে একটি ত্রিতল অট্টালিক । বেল দ্বিপ্রহরের সময় তাহার একটি কক্ষে, মেঝেতে সতরঙ্ক বিছাইয়া, দুষ্ট মঞ্চ বশি। দাবী গেলিতেছিল। এক জনেল শরীর কিছু স্থূল, গৌরবণ পুরুষ। অপরটির নেই ক্ষীণ হইল ও শারীরিক বলের পরিচয় তাহার অঙ্গ প্রত্যঙ্গে দৃশ্বমান। এই স্ট্র বাঞ্জি কাশীর দুষ্টজন প্রসিদ্ধ গুণ্ড । প্রথম বষ্টি করুন নাম মহাদেও মিশ্ৰ-সে এই বাড়িটার অগিরী। দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম কানাইয়া লাল,—সে মহাদে গুলি শল একজন প্রিয় সাকিরাদ । ভূত আসি তামাক দিল। তারপর লিঞ্জোইপকেট চইতে একখানি পত্র বাঠিৰ কাৰণ সলিল চেষ্ট্র o আসিয়াছে ।" -