পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১০০

From উইকিসংকলন
Jump to navigation Jump to search
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- - م--سے . - কোন নিদর্শন পাওয়া যায় না । >brと নাই। গীতায় যেখানে অতি কুম্পষ্টভাবে পতিমাপূজার সমর্থন আছে, সংস্কারকের সেখানে তাহান আশ্চৰ্য্য নুতন অর্থ করিয়াছেন : এবং স্মৃতিতে যেপানে গোমাংস ভোজনের অমুকুল ব্যবস্থা আছে, সংস্কার-বিরোধিগণ সেখানে গো শব্দের নানা অর্থ ঘটাষ্টয়া বিদ্যালাভ করিতেছেন । যাহার নতন বিধি অবলম্বন করিয়া অথবা সকল বিধি তাগি করিয়া নতন রীতিনীতি স্থাপন করিতেছেন, তাহার প্রকৃত পক্ষে যে শাস্ত্র মানিয়া চলিবার জন্য বড় উৎসুক তাহা নহে ; কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দুই একটা শাস্ত্রবচন ন স - নেন গেীয়বরক্ষণ হয় না বলিয়াই ঐ প্রকার কাৰ্য্য করিয়া থাকেন। যুগে যুগে কালধৰ্ম্মে আচার ব্যবহার পরিবৰ্ত্তিত হয় ; অতএব শাঙ্গে থাকিলেও হিন্দুরা সকল প্রাচীন ব্যবস্থা মালিতে পারেন না। তাহার উপর আবার দেশাচাৰ আছে, কুলাচার আছে। এরূপ স্থলে যে ধৰ্ম্মবৃক্ষকের কেনষ্ট অযথা প্রাচীন প্রথার নূতন অর্থ করিয়া ইতিহাসের পথে কণ্টকরোপণ করেন তাহা বুঝিতে পারি না। অতি প্রাচীন বৈদিক ব্যবস্থায় ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় এবং বৈtশুর মধ্যে আহারাদি বা লিবাহুবন্ধন সংস্থাপনের পক্ষে কোন প্রতিকূলতা নাই ; এবং গঁজাতির শৈশব-বিবাহের সকলেই একথা স্বীকার করিয়া থাকেন বটে, তবে অনেকে বলিয়া থাকেন যে, এটা সত্যযুগের কথা : সেকালের ধৰ্ম্ম এবং সমাজ সাবাবণ মন্বয্যের ধৰ্ম্ম এবং সমাজ নহে। হউক সত্যযুগের কথা, কিন্তু সে যুগে যে একালের নিয়ম ছিল না, সেই টুকুই ইতিহাসের জন্ত প্রয়োজন । মহাভারতের কুত্রাপি শৈশব-বিবাহের অনুষ্ঠানের কথা নাই ; সকল বিবাহই যৌবনে। অসবর্ণবিবাহের উপন্যাসও ঐ সংহিতায় অনেক পাওযা যায় ; কিন্তু অসবর্ণ বিবtছ যে প্রশস্ত নহে, ইহাও মহাভারতেই যথেষ্ট পরিমাণে লিপিত আছে । মহাভারত গ্রন্থ যখনই রচিত হউক না কেন, — গ্রন্থে যখন মূলত দ্বাপর যুগের ঘটনা লিপিবদ্ধ, এবং পুরাণেতিহাসচ্ছলেও সত্য এবং ক্রেতা যুগের রীতিনীতি বর্ণিত, তখন কেহ কেহ বলিতে পারেন যে উহা হইতে কলিকালের প্রাচীন সামাজিক অবস্থা জানিতে পারা যায় প্রবাসী । --- - - - { ৫ম ভাগ । --- --- - না। একথা লইয়া ও কোন তর্ক তুলিবার প্রয়োজন নাই । ত্ৰেত হউক চাপর হউক, এক সময়েব প্রাচীন অবস্থা জানিতে পারা গেল, ইহাই যথেষ্ট । বায়পুরাণেল ৫৮ তম অধ্যায়ে, যেখানে কলিল দোষ সম্বন্ধে ভবিষ্যৎ বাণী আছে, সেখানে লিখিত আছে, যে কলিকালে অনেক দুর্নীতি এবং ভ্রষ্টাচার দেখিতে পাওয়া যাইয়ে ; তাহার মধ্যে একটি এই যে ষোড়শী হইবার পূৰ্ব্বেষ্ট অনেক রমণী গর্ভধারণ করিবেন । যাহারা পাষণ্ডেল মত ভবিষ্যৎ বাণীর অর্থ বুঝিয় থাকেন, তাহাব বুলিবেন, যে বায়ুপুরাণের যুগে ষোড়শের পূৰ্ব্বে ৰুচিৎ কচিৎ লমণীল বিবাহ এবং গর্ভধারণ আবস্তু ইয়াছিল ; অর্থাৎ তখনও পুীেবন রমণীষ্ট বিবাহিত হইতেল যাগ উক, আমাদের এই ঘোল কলিতে যে সদ্যজাত শিশুর ৪ বিবাহ হয়, এবং দ্বাদশের পূৰ্ব্বেষ্ট গর্ভাধান ন হইলে অনেকের পিতৃপুরুষের নরকগমনের আতঙ্ক উপস্থিত হয়, সে কথা পুরাণকৰ্ত্তার ধ্যানে প্রভাসিত হয় নষ্ট । খৃষ্টপূৰ্ব্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে মহর্ষি পতঞ্জলির মহাভা রচিত। ঐ মহাভাষে শূদ্রেয় সংজ্ঞ এবং বর্ণনায় উক্ত হটমাছে, যে, যেসকল শূদ্ৰ আৰ্য্যজাতির সেবক এবং আগা গ্রামবাসী, আর্য্যের তাঁহাদের অন্নভোজন কলিতেন। মহাভাষে একথায়ও নিদর্শন পাই, যে ব্রাহ্মণের শুদ্ৰপত্নী ব্ৰাহ্মণের সঙ্গে যজ্ঞকায্যে ব্যাপুত হঠতে পারিতেন না। অসবর্ণ বিবাহ প্রচলিত ছিল বটে, কিন্তু ঐ বিবাহ যে সবর্ণবিবাহের মত প্রশস্ত বলিয়া গণিত হষ্টত না তাঙ্গ ও জানিতে পারা যায়। কিন্তু কন্যাব বিবাহের বয়স সম্বন্ধে ঐ গ্রন্থে কোন আভাস পাই নাই। মহাভাধে যাহা আছে, মনুসংহিতাতেও তাহাঁই। ভূণ্ডব্যাখ্যাত মনুসংহিতায় লিথিত আছে, যে ব্রাহ্মণাদি । দ্ধিজাতীয়ের অতিশয় অস্ত্যঙ্গ যে চণ্ডালাদি, তাহদের নিকট হইতেও ধৰ্ম্মশিক্ষা করিতে পারেন, এবং অল্পরূপ হইলে অতি স্কুল হইতেও প্লীসংগ্ৰহ করিতে পারেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের এক্ট সাধারণ বিধি অপেক্ষ। পরবর্তী অধ্যায়ে আরো সুস্পষ্ট কথা আছে । প্রথমতঃ বলা হটয়াছে, যে ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় এবং ঘৈণ্ঠদের সংস্থানের মধ্যে জন্মসংস্কৃগ্রিাদির পর প্রথম বড় সংস্থার . ৪র্থ সংখ্য' । । ~ * iJSBBBB SBBB BBS BBBS BS BBBB BB BBBT BBBB BBBS BBBBBBB BBBB BBB উপনয়ন, তৎপরবর্তী সংস্কার কেশাস্ত কৰ্ম্ম, এবং তৎপরবত্তা সংঙ্গার বিবাঙ্গ। এই কেশান্ত সংস্কার, ব্রাহ্মণের ঘোল বৎসর বয়সে, ক্ষত্তিরের ২১ বৎসরে এযং বৈশ্বের ২৪ বৎসরে নিৰ্দ্দিষ্ট ছিল। কেশাস্তের পর যখন বিবাহ, তখন ব্রাহ্মণ বালকের পক্ষে ১৬ বৎসরের পূৰ্ব্বে বিবাহ হইতে পারিত না, কিন্তু গুরুগুচবাসের জন্য যে ঐ বাসেও ঘিবাহ হইত না তাহীও ঠিক । এ বিষয়ে মল্লতে যেমন আছে, অন্যান্ত সকল স্মৃতিতেই তেমনি আছে । এ ত গেল পুরুষের বিবাহেব বয়সের কথা। উহাতে কল্লাল বয়সেল কথা কোথায় ? সে কথাও পরে বলিতেছি । গুরুগৃহ হইতে প্রত্যাগত ধিঙ্গ, “সবৰ্ণাং লক্ষণাস্থিতাং" ভাৰ্য্যাকে বিবাহ করবেন ; এবং ইহাই দ্বিজার্তারের বিবাহ ফৰ্ম্মে “প্রশস্ত” বিবি। সবর্ণ বিবাহ করাটা প্রশস্ত বিধি ছিল; অর্থাৎ অসবর্ণ যে হইতে পারিত না তাঁহা নহে। ব্রাহ্মণাদি দ্বিজাতায়ের প্রথমে সবর্ণ এবং পরে পরে অন্তবর্ণ স্ত্রী বিবাহ করিতে পারিকেন এ নির্দেশও আছে। কিন্তু একথাও আছে যে ব্রাহ্মণের যদি শূদ্ৰপত্নী থাকে, তাহা হইলে সেই ব্রাহ্মণকে শাস্কের নিমন্ত্রণে আহবান করা হইবে না। কাজেই অসবর্ণ বিবাহের অপ্রশস্ততা বুঝিতে পার গেল। মচু এবং অন্যান্য সকল স্মৃতিতেই ব্রাহ্মণেব শূদ্রাণী পত্নীর গর্ডঞ্জাত সস্তান এবং অন্তপূৰ্ব্ব বা পুনৰ্ব্বিবাহিতা বিধবার গর্ভজাত সন্তানের দায়াধিকার নির্দিষ্ট আছে। ঐ সকল পত্নী চলিত, তবে প্রশস্ত বলিয় গণিত হইত না । সুবর্ণ এবং লক্ষণান্বিত কন্যার কথা বলা হইয়াছে। এস্থলে শীবাবয়সের সৌষ্ঠৰ অৰ্থে সাধারণ সুলক্ষণের কথা ছইল, ন, ঐ শব্দটির কোন বিশেষ অর্থ আছে ? এইস্থলে ঠিক এই বিষয়ে অন্তান্ত স্থতির বচনের প্রতি লক্ষ্য করিলে অর্থবোধের সহায়তা হইতে পারে। সংবর্ত এইস্থলে লিথিয়াছেন, “লক্ষণেশ্চমমন্বিতাঃ” এবং যাজ্ঞবন্ধ্যে আছে "লক্ষণা:” । এখন যাজ্ঞবল্ক্যের অতিপ্রাচীন টকাতেও দেখিতে পাই, যে ইহার ব্যাখ্যায় লিখিত হইয়াছে, যে ধাহাতে পরে “নপুংসকাদি” দোষদুষ্ট ল হয়, তাহার জন্ত পরিষ্কার লিখিত আছে যে “অঙ্গীতব্যঞ্জন”কে বিবাহ করিবে না । [কাত্যায়ন—২৮ অধ্যায় ৪র্থ শ্লোক দ্রষ্টব্য ] প্রাচীন বিবাহপ্রথা । - به سbلا - --- - - সংবrওঁ কিন্তু একথাও আছে, যে কল্পীর প্রথম তিনবার ঋতুর পর বিবাহের বয়স হয় ; এবং যৌবন-লক্ষণ প্রকাশ পাইলে দেবতারা ভোগ করিয়া তাহার অঙ্গগুদ্ধি বিধান করেন এবং তাঙ্গার পর সে পতিভূক্ত হইবার উপযুক্ত হয় । দেবভোগ সম্বন্ধে লিখিতআছে – রোমদর্শন সংগ্রস্তে সোমোহভু8ক্রেহপ কস্তকা ব্লজে দুষ্ট, তু গন্ধৰ্ব্ব কুচোদৃষ্ট, ভু পাবক: | তাহা হইলেই দেগা গেল, দে কন্যাকালেই রমণী “লক্ষণসমন্বিতা" হইবেল। সংবর্তের যিধানটির সহিত বশিষ্ট সংহিতার বিধিটি মিলাইলে দেখিতে পাওয়া ধায়কস্থার ঋতুর পর তিন বৎসর অতিবাহিত হইলে বিবাহের কাল। সপ্তদশ অধ্যায়ে লিখিত আছে, যে কুমারী ঋতুমতী হইলে তিন যৎসর অতিবাহিত হইবার পর উপযুক্ত পতিলাভ করিবেন। “ত্রিভ্যোবর্ষেভ্য: পতিং বিলোৎ তুল্য", কপায় “বিধি" নির্দিষ্ট হইয়াছে। কিন্তু ঐ সকল বিধানের সঙ্গে সঙ্গে, ঐ স্মৃতিগুলির কোন কোন দেশেয় পাঠে অতিরিক্ত কথা আছে। সেই অতিরিক্ত কথায় উক্তবিধ যিধানের বিরোধী কথা আছে। বিরোধী শ্লোক একসঙ্গে দেখিলেই সন্দেহ হয়, যে পরবর্তী সময়ে পূৰ্ব্বের বিধানগুলিকে পরিবর্তন করিবার চেষ্টা হইয়াছে। প্রথমতঃ বশিষ্টস্কৃতির কথা বলতেছি। বশিষ্টস্মৃতি প্রথম হইতে শেষ পর্য্যন্ত স্বত্রকারে গঙ্কে রচিত - উহা ঐ স্মৃতির প্রাচীনতার প্রমাণ । যে সকল স্থলে প্রাচীন বিধির পরিবর্তন অথবা প্রাচীমবিধির বিরোধী মত লিথিত হইয়াছে, সেষ্ট সেই স্থলেই পদ্ধরচনা। এটা কি রকম ? সপ্তদশ অধ্যায়ে যেখানে বিবাহের বয়সের কথা উল্লিপিত হইয়াছে, তাঁহার পূৰ্ব্বে ধী পরে এমন কথা নাই, যে ঋতুর পূৰ্ব্বে বিবাহ হউক, এবং যদি ঋতুমতী হইলেও বিবাহ না হয়, তবে তিন বৎসরের পর কস্তা নিজে” পতি খুজিয়া লইবেন। গল্প অংশে ঐ প্রকার অর্থ কোন প্রকারে করা যায় না। বিবাহ-বসুসের বিধির পরে, এবং বিধবা-বিবাহের বিধির পূর্কে, পদ্ধ রচনায় পাঁচটি শ্লোক পাওয়া যায় ; এবং ঐ শ্লোকগুলিতে ভিন্ন রকা ভাষায়-ঋতুর পূৰ্ব্বে কন্যাদান না করিলে এবং কলু। আছে । ংবৰ্ত্তেও যেখানে দেখা গেল, যে স্ত্রী লক্ষণসম্পন্ন