পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఇరి8 .-- .من درهم....٢٠م করিলে?” সে দূরে সরিয়া গেল। তাছার সেই কয়টি তীব্র ভৎসনাবাক্য অজস্র টীকাভাষ্যমুখরিত নিগমান্ত বিষ্কার মত আমার নিকট কত নূতন, নূতনতর কথা ব্যক্ত করিয়া গেল। তাহার অকথিত বাণী যেন বলিতে লাগিল, ‘হায় মূর্থ, তুমি আজি কি ছাঁর মণিকাঞ্চনের ভিক্ষার্থ হইয়া স্বারে দ্বীরে ফিরিতেছ! অমূল্য নিধি তোমায় সাধিয়া দিতেছিলাম, তুমি তাই লইলে না। স্থামার প্রাণ শত ধিক্কারে কুষ্টিত হইয়া হায় হায় করিয়া উঠিল । দেখিলাম, সেই মূৰ্ত্ত সৌন্দর্য, মূৰ্ব যৌবন, মুর্ত মুখ, মূৰ্ত্ত আমন্দ সঞ্চারিণী পল্পবিনী লতার মত একখানি রথে আরোহণ করিয়া নগরাতিমুখে চুটিয়া গেল। সে বড় দূরে যাইতে লাগিল, তত আমার অন্তরে প্রবেশ করিতে লাগিল । হায় হায়, এই কি রমণী ? ঐ কি রমণীর স্পর্শ ? বুঝিলাম, রমণীই শরীর জ্ঞান, আমি বৃথাই পুথির কীটদষ্ট পত্রের অক্ষর পরম্পরায় জ্ঞান অন্বেষণ করিয়াছি। রমণী,তুমি আছ বলিয়া জগৎ আছে ; তুমি সৎ, আর সমস্ত মিথ্যা , তোমার রূপৈশ্বৰ্য্যের প্রতি কণিকায় জগৎ বাচিয়া আছে, সমস্ত তোমাতেই লয় হইতেছে। হায় হায়, এই ত’ বেদান্তের অদ্বৈতবাদ ও শঙ্করের মায়াবাদ । তুমিই ত প্রকৃত দর্শন’ ; তোমাকে জানিতে পারাই প্রকৃত বিজ্ঞান। তুমি লক্ষ্মী, তুমিই সরস্বতী। হে চিত্রকর, তোমার তুলিকারেখায় রমণীরূপের কণামাত্রও তুমি প্রকট করিতে পার না। হে রমণীরূপের ব্যর্থটীকাকার কবি, তোমার লেখনী রমণীমহিমার ক্ষীণ ছায়াও আমাদের সম্মুপে ধরিতে পার না। আমি বুঝিলাম রমণীই পরীরিণী কবিতা । রমণী স্বয়ং রুচির ও ‘প্রহর্ষিণী, তাহার কবরীষ্ট পুষ্পিতাগ্রা’। তাহার চক্ষে শাৰ্দ্দলবিক্রীড়িত, ললাটে বসন্ততিলক, কণ্ঠমালিকায় ‘মালিনী, বাহুবিভঙ্গে ত্ৰোটক, তৃণক প্রভৃতি ছন্দ সকল থেলা করে ; 'ইঙ্গ-বঙ্গা ও উপেন্দ্রবঞ্জা তাহার বক্ষে ফুটিয়া উঠিয়াছে ; তাঁহারই চরণভঙ্গে গজগতি’ ও ‘মন্দাক্রান্তা' ছন্দ বাধা রহিয়াছে । তাহার বিরহে আমার অন্তরে "বিয়োগিনী’ ছন্দ ধ্বনিত হইয়া উঠিল, তাহার খুচক্রের ধূলিতে রথোদ্ধতা’ ছন্দ নৃত্য করিতে লাগিল। সে কি প্রদার, কি মহানু জ্যোৎস্নালোকের মত অতীন্দ্রিয় রূপ, বাসষ্ঠী শোভার মত সঞ্জাব চক্ষুদ্বয়, ঘোর বর্ষার মেঘের মত স্বদীর্ঘ প্রবাসী। ৫ম ভাগ । নিবিড় চিৰণ চিকুরজাল, মুক্তফলসদৃশ স্মিত-বিকশিত দন্তপাতি, তাহার গণ্ডে গোলাপফুল্লতা ! সে হেমস্তের মড় কুহেলিকায় প্রচ্ছন্ন, প্রহেলিকাময়। এই নারী এমন, আগে शनेि छागेिडाम ! हेश्ाङ्गहे मश्ठि जस्त्रक श्विाश् ? हेशद्र সহবাসই ফি সংসারাশ্রম ? হায় হায়, আমি কি করিয়াছি । হে অপরিচিত, তুমি এমন অসমরে মামার নিকট চিল্পপরিচিতার মত আসিলে কেন ? আমার অবস্থা বড় শোচনীয় হুইয়া উঠিল ; আমি ক্ষণে আরক্ত, ক্ষণে পাণ্ডুর, ক্ষণে দৃপ্ত, ক্ষণে অবসর হইতে লাগিলাম। আচাৰ্য্য তীক্ষ রূঢ় দৃষ্টিতে আমার প্রতি চাহিয়৷ রছিলেন। আমার এক সতীর্থ কৃপাপরবশ হষ্টয়া আমাকে ধরিয়া লইয়া ভিক্ষাসংগ্ৰহাৰ্থ নগরাভিমুথে লইয়া চলিল। আমার সতীর্থ জাঙ্গালি আমাকে নগরের বহুস্থানে লইয়৷ বেড়াইল। এই নগর ? অনাৰ্দ্ধনস্ত সৌধশ্রেণী—শ্বেত, পীত, লোহিত, হরিং, নানা বর্ণের, নানা ছন্দের। বিপণি, কত ক্রেতা বিক্রেত ; কি বিশাল জনসঙ্ঘ ; কি অধিশ্রাম কৰ্ম্মস্রোত! এই নগর, এই সংসার। এতদিন আমি অন্ধের মত কিছু দেখি নাই, কিছু বুঝি নাই। বোধ আসিল, কিন্তু এমন অসমরে মাসিল কেন ? সুবিধা যদি আসে, তবে অসুবিধা সঙ্গে লইয়া আসে কেন ? আমরা ঘুরিতে ঘুরিতে স্বাঞ্জপ্রাসাদের নিকট আসিয়া উপস্থিত হইলাম। কি বিশাল অট্টালিকা ! কি স্বরম্য উদ্ধান ! কি বিপুল ঐশ্বৰ্য্য ! কাষীয়বস্ত্রপরিহিত সন্ন্যাসী আমি, আমার নিজের, আমার জ্ঞানের ক্ষুদ্রত্ব উপলব্ধি করিয়া নিতান্ত থিয় ও ম্ৰিয়মাণ হুইয়া পড়িলাম। রাঙ্গপ্রাসাদ ছাড়াইয়া কিছু দুর যাইয়। প্রাসাদতুল্য আর একটি স্বয়মা অট্টালিকা দেখিলাম । সতীর্থ জাগুলি সেদিকে না গিয়া অঞ্চ পথ অবলম্বন করিলেন দেখিরা আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, 'ভ্রাতঃ, সম্মুথের ঐ অট্টালিকা কাহার ? চল, ঐ দিক্ দিয়া যাই। জাঙ্গালি আপনার মুখ ফিরাইয়া লষ্টয়া বললেন, ‘তাত ইন্দ্রভূতি, তুমি ঐ দিকে আর দেখিও না ; ঐ অট্টালিকার নাম "পারাবত-ভবন, উহা পাপনিকেতন - উহার অধিষ্ঠাত্রী রাজনৰ্ত্তকী। উহা দূর্শন করিও না, উহাতে পাপ ম্পর্শ করিবে" । যেখানে ত্বাধ, যেখানে আবরণ, সেইখনেই কত


৪র্থ সংখ্যা । ]

  • ইংল্লকাভরে সেই লটালিকার দিকে চাছিল। তথন

| পথের বক্রতায় সেই অট্টালিকায় প্রায় সব খানি অন্তরালে পড়িয়ছিল, কেবল একটা গবাক্ষ দেখা গেল । ঐ না আমার বাঞ্ছিত বন্দিত গবাক্ষীনা। সে গবাক্ষও অংশু হুইল, কিন্তু সে মূৰ্ত্তি আমার দক্ষিণে বামে, সম্মুখে পশ্চাতে, উন্ধে সঞ্জয় বিরাজিত দেখিতে লাগিলাম। অনুভব করিতে লাগিলাম, আমার হস্তে হস্ত দিয়া সে করণ কঠোর স্বরে বুলিতেছে হতভাগা যুবক, তুমি কি করিলে ! আগে জাজালি, পশ্চাতে আমি "ভিক্ষাং দেহি’ বলিতে বলতে পথ অতিক্রম করিতেছি। যাহার যাহা ইচ্ছা আমার বুলিতে দিয়া মাইতেছে ; আমার ঝুলি আমার মনের মত ভারাক্রান্ত হইয়া উঠিয়াছে, তথাপি আমার চিন্তু ত ভরে না। ক্রমে নগর-উপকণ্ঠে মাসিয়া উপস্থিত হইলাম ; আশ্রমের পথে চলিলাম। রাজপথ ছাড়িয়া বল্পপথে যেমন কিরিব, একটি বিবিধভূষণমণ্ডিত রমণী সত্বর আসিয়া আমার কুলিতে কি দিয়াই দূরে চলিয়া গেল ও ইসারায় তাহ গোপন করিতে বলিল। জাঙ্গালি তথল পথের বক্রতায় আমাহষ্টতে পৃথক, সে কিছু দেখিল না। মাশ্রমে আসিয়া আমি একক হইবার অবসর খুজিতে লাগিলাম। সে অবসর সন্ধ্যার পুৰ্ব্বে ঘটল না। সান্ধাকৃত্য সমাপনের পর আমি একাকী আমার একখানি স্বতন্ত্র ক্ষুদ্র কুটীরে যাইয়া একটি প্রদীপ জালিলাম। সত্বর সেই রমণীপ্রদত্ত দ্রব্য আমার বস্ত্রাস্তুরাল হইতে বাহির করিলাম— একটি স্বর্ণপেটিকা, বিচিত্র কারুকার্য্যময়। উহা খুলিলাম, —ভিতরে এক থওভূৰ্জপত্রে লিখিত,–“কুবলয়,–পারাবতভবন” ; পেটকার ঢাকনীতে একটি নারীমূৰ্ত্তি বিবিধ বর্ণে চিত্রিত। এই ত’ আমার বাঞ্ছিত, আমার বন্দিত । সে পতিতা, জগৎ সংসারের চক্ষে, আমার চক্ষে নহে ; আমার ঘুণ আসিল না। আমি বুঝিলাম কি দারণ প্ৰেম-পিপাসায় জঞ্জরিত হইয়া আমার কুবলয়া বহু অঙ্গার দ্বাটিয়া, সিজে মসীলিপ্ত হুইয়া একখানি হীরকের মত উজ্জ্বল, নিৰ্ম্মল মহাস্থা প্রাণ অন্বেষণ করিতেছে। আমি দিব গে, তোমায় তৃপ্তি দিব ; আমার প্রেম দিয়া তোমার ক্ষুধ মিটাইব, তোমার কালিম দূর করব, প্রেমে তোমার দেবী কৰিব। আগ্রহ। আমাকে বারণ করা হইল বলিয়াই যেন আমার চক্ষের সমক্ষে পাপ্পাবত-ভবন তাহার উচ্চচুড় অলিন ২৩৫ --Info-farmerBot (আলাপ) ১৩:১৪, ২১ মে ২০১৬ (ইউটিসি)-e MMAM SMS MMM SMMMS চত্বর সহ তালিয়া উঠিল, তাহারষ্ট একটি গবাক্ষলীন আমার আরাধা-যেন আমায় বলিতেছে, হতভাগ্য যুবক, কি করিলে।" নহি, নহি, আমি হতভাগ্য লহি। স্থল দেহের মিলন প্রকৃত মিলন নষ্ঠে । তোমার আমি মনোমন্দিরে পাইয়াছি, আমার জ্ঞানচর্চিত কঠোর চিত্ত প্রেমপ্লাবনে দ্রব হইয়াছে, তোমার ব্যগ্র ক্ষুধিত আত্মা তৃপ্তি পাষ্টবে। আমি তোমায় না পাইলে হতভাগ্য থাকিস্তাম। আর আমি হতভাগ্য নহি, তুমিও পতিত নহ। পরমুহূর্তে সব অস্তুষ্ঠিত হষ্টল। তপন আমি উন্মত্তবৎ যেখানে তাঙ্গার তস্তম্পর্শ হইয়াছিল, আমার হস্তের সেক্ট স্থান চুম্বন করিতে করিতে লাল করিয়া তুলিলাম। “কুবলয়, কুবলয়া" বলিয়৷ পেটকাচিত্রিত মূৰ্ত্তিকে বক্ষে চাপিয়া ধরিতে লাগিলাম। এই চুম্বন ? এই আলিঙ্গন ? আমার কে শিথাইল ? তাহার চাক্ষর একটি দৃষ্টিতে আমার প্রাণে অযত্নসঞ্চিত প্রচ্ছন্ন প্রেমের প্লাবন আসিবাছে ; আমার যৌবল এক মুহূৰ্ত্তে আমার দেহ মন অধিকার করিয়া বসিআছে ; মৃতসঙ্গীবনী একটি দৃষ্টিতে আমার নব-জীবন লাভ হইয়াছে। মন্মথ কি তাহার ইঙ্গিতামুৰঞ্জী ? শুনিতেছি কুটীরে মশক গুঞ্জন করিয়া বলিতেছে, হতভাগ্য যুবক, কি করিলে। শৃগাল, পেচক চীৎকার করিয়া বলিতেছে, হতভাগ্য যুবক, কি করিলে। আমি নৈষ্টিক ব্রহ্মচারী —আমার পক্ষে রমণীপ্রেম, রমণীসঙ্গ নিষিদ্ধ,-হায় হাঙ্গ, আমার এ দশা কেন হইল ? আমার কাষায়বস্তু আমারই শব-আবরণী বলিয়া মনে হইতে লাগিল, আশ্ৰমকুটার আমার চিতাশয্যা বলিয়া বোধ হইল। একটি ক্ষণিক চষ্টির বিনিময়ে এত একাগ্ৰতা, এত প্রেম, এত আগ্রহ কেন আমার সৰ্ব্বেক্রিয় অধিকার করিয়া বসিল ? নানাবিধ প্রতিদ্বী চিন্তায় ক্লান্ত হইরা নিদ্রাবেশ মালিল –সে নিদ্র স্বপ্রসস্কুল, স্বপ্নে সেই কুবলয়া । প্রাতঃকালে উঠিয়া নিতান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রাতঃকৃতা সম্পন্ন করলাম। তৎপরে যাইয়া তমসার তীরে বসিয়া চিস্থ করিতে লাগিলাম,—সেই কুবলয়ী। দেখিলাম “আধুধিরেফ: কুহমৈক পাত্ৰে পপে প্রিয়াং স্বামন্থৰপ্তমান: । শৃঙ্গেন চ স্পর্শনিৰ্মলিতাক্ষী স্বগীমৰুভূত কৃষ্ণসায়: ।