পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- প্রবাসী । –ੇ ૨8 ૦ - [ ৫ম ভাগ 'A'. ৫ম সংখ্যা । ] s BBB SBB BBB BS BB BB BB BB BB BB B BBBB BBB BB BBB BB BBS -- ੇ ਵਾਂ डीझ আশা করা সৃষ্টিতে ও স্বশাসন না থাকিত, তুমি কি আজ নিরুদ্বেগে কলিকাতাতে জিনিসপত্র কিনিতে যাইতে পারিতে • আমি বে শিক্ষা পাটযাচ্ছি তাহা কি পাইতাম ? প্রশ্ন –ঠিক ঠিক। দেশ যে বিদেশীর হাতে আছে এটা ঈশ্বলের ইচ্ছা , এবং যতদিন দেশের লোকের চোক ন৷ ফোটে, যতদিন তারা আপনার কল্যাণ আপনি না দেখে, ততদিল এয়া থাকাই ভাল । উত্তর --থাকাই ভাল কি, থাকবেই , ঈশ্বর এদেশকে আবার তুলিবান জন্য এই আয়োজন করেছেন। ক্ষণিক কথোপকথনে আমার স্বগ্রামবাসী দোকানধারকে যাহা বলিয়াছিলাম, তাহ কি সত্য নহে? যদি কোনও দেশে সকলের শীর্ষস্থানে এক প্রবল রাজশক্তি বিদ্যমান থাকা অবিখ্যক হল্প তাহ এই ভারতবর্যে । ইহার বিভিন্ন প্রদেশর প্রজাপুঞ্জের মথো ধৰ্ম্মগত, ভাষাগত, সামাজিকরীতিনীতিগত কতই বৈচিত্র রছিয়াছে! সাম্প্রদায়িক বৈরভাব, সামাজিক বৈবৃভাব, প্রাদেশিক বৈরভাব এখনও ভস্মাচ্ছাদিত অনলের হার প্রধূমিত রহিয়াছে । এষ্ট সকলকে দমনে রাথিয়া, শান্তি ও সুশাসল স্থাপনপূৰ্ব্বক, অপক্ষপাতে স্থায়দণ্ড ধারণ করিবার জন্ত একটা শক্তি রহিয়াছে। ইছা কি দেশের বর্তমান অবস্থাতে মহোপকারক নছে ? ঈহ! কি ঈশ্বরের বিশেষ করণ লছে ? কেবল শাঙ্গি ও স্বশাসন নহে, এই শাসন শক্তির অধীনে আমরা জ্ঞান বিজ্ঞান, শিল্প বাণিজ্য, কলা সাহিত্য সকলি বিকাশ করিবার অবসর পাইতেছি । ইহারই সাহায্যে জাতীয় জীবনে লব আকাঙ্ক্ষার অভু্যদয় দেখিতেছি । গড়ের উপরে এ কথা কি সত্য নহে, দ্বে আমাদেয় দেশের প্রাচীন সামাজিক বিধি ব্যবস্থা যেরূপ দাড়াইয়াছে তাত জাতীর নব জীবনের অমুকু নহে বদ্ধ জলে নুতন স্রোত প্রবেশের স্তার জাতীয় চিত্তে নৰ ভাব ও নব আকাঙ্ক্ষার অভু্যদয় ভিন্ন জাতীয় লবঙ্গীবনের সম্ভাবন নাই। ইংলণ্ডের সমাগম সেই পুরাতন বাপ ভাঙ্গিয় নূতন চিন্ত প্রবিষ্ট কবিতেছে । - . ফলতঃ মঙ্গলময় ঈশ্বরের এই বিধি দেখা যাইতেছে, যে ভারতবাসী আবার উঠিবে , নবালোকে আবায় সব দিন দেখিবে ; –ইংরাঞ্জ তাঙ্কার সহায় মাত্র। ইংরাঞ্জ হইবে ; এবং তাহানা আপনাদের অন্যায়কারিতার পত্তি যদি হার এদেশীয়দিগের অনুকূল হইয় তাহাঙ্গের উন্নতিসাধনে প্রবৃত্ত হন, তাহাতে এই নবদিনকে শান শায় আনিবে , এবং তাঙ্গর জগতের ইতিবৃত্ত্বে পরাজিত জ্ঞান্তিয় । নবজীবনদাতা বলিয়া প্রতিষ্ঠা লাভ করিবেন . অব বf আমাদের প্রতিকুল হইয়। সমুদয় উন্নতির পথে ...th দণ্ডায়মান হন, তাহাতে নবজীবনের দিন আসিতে বিলম্ব পারে। তবে এই সকল অধিকার আলাদিগকে নিয়মতত্ত্বাধীন আন্দোলন স্থার লাভ করিতে হইদে। বিপ্লব ও অরাজকতা ঈগল প্রকৃষ্ট পথ নহে। তদুীর হঠকারী ব্যক্তিদিগের স্বার্থগাধনের সুযোগ দেওয়া হয় ; এবং স্বাধীনতার নামে পর্যদীনতাঁকে আনয়ন কৰা হয়। নিয়মতম্বাধীন আন্দোলন বহুকালসাপেক্ষ তাঙ্গাতে সন্দেহ নাই , তাহাতে বিশেষ ধৈৰ্য্য ও সহিষ্ণুতাব প্রয়োজন ; কিন্তু তার জাতীয় চরিত্রে কর্তব্যনিষ্ঠ ও দৃঢ়তা বৃদ্ধিত হয় ; এবং জাতীয় জীবনে স্বায়ত্ত্ব-শাসনের শক্তি মিকাশ প্রাপ্ত হয়। ইংলণ্ডের ইতিহাস ইতাব সৰ্ব্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ । । ইংরাঞ্জ অনিচ্ছাসত্ত্বেও আই একট কাজ করিতেছেন। ভারতীয় স্থতি সকলের মনে একতা-প্রবৃত্তি প্রবল কবিয়া দিতেছেন। অনিচ্ছাসত্ত্বে এই ভ্ৰষ্ঠ বলিতেছি,ক্টাচাদের রাজনীতির গতি যেরূপ দেখিতেছি, তাহতে এরূপ একতা-প্রবৃত্তি যাহাঁতে বৰ্দ্ধিত না হয়, ভারতের ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের অধিবাসিগণ যাহাতে পরম্পরের প্রতি ঈর্ষ ও বিদ্বেষ ভাবাপন্ন হয়, সেই যেন ঠাহাদের চেষ্ট৷ কিন্তু এই ভেদ-ক্রিয়ার সাহায্যে দেশকে শাসন করা যতট তাহাদেল লক্ষ্য হউক না কেন, দেশের সকল শ্রেণীর লোকের মনে ইটভাব দিনদিন বদ্ধিত হইতেছে দেখিতে পাইতেছি । প্রথম ভাবট এই,-দেশের বিকাশ ও উন্নতি বিষয়ে রাজাদের - সাহায্যের আশা অল্প ; সুতরাং আমাদিগকেই আত্মোন্নতিসাধনে প্রধানরূপে মনোযোগী হইতে ইষ্টবে। দ্বিতীয় ভাবটী এইgউীয় একতাসাধন করিতে না পারিলে আমরা দাড়াইতে পারিব না। যতদূর বুঝিতে পারিতেছি লর্ড কর্জনের গবর্ণমেণ্ট অজ্ঞাতসালে এই দুইটা ভাব জাতীয় চিত্তে বিশেষ রূপে বৰ্দ্ধিত * নকিয়নে । এই গবৰ্ণমেণ্ট দেশের লোককে জানিতে দিয়াছেন, যে ব্রিটিশ রাজ্য স্থাপনাবধি বিগত দেড় শত বৎসর উীতির অভিমুখে দেশের যে গতি হইয়াছে, সম্ভব হইলে, অনেক বিষয়ে তাহার রোধ করিতে র্ত্যহায় ইচ্ছুক। তাহার -পরিষ্কাররূপে এদেশবানীদিগকে বুঝিতে দিয়াছেন, যে তাহাদের স্বার্থের সঙ্গে যেখানে বিরোধ, সেখানে তাহার এলেয় ভোগ কবিবেল। সংকীর্ণচেত। রাজ-পুরুষদিগের রাজনীতি | এখন যতষ্ট পশ্চাদগামিনী ষ্টতে চাচক না কেন, আমরা : দেখিতেছি ভারতকে নবজীবন দিবার জন্ত এত প্রকায় | শক্তি কাৰ্য্যক্ষেত্রে প্রবেশ কলিয়াছে, যাহার সকল গুলিকে সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত্বাধীন কলা তাহাদেব ও সাধ্যায়ন্ত নচে। প্তাহীদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারত নবজীবন পাইবে । এরূপ আশা করিবার আর একটী বিশেষ কারণ আচে। সকলেই চিন্তা করিলে দেখিতে পাইবেল বে, স্বায়ত্ত্ব-শাসন শিক্ষা করিবার একটি প্রধান উপায় ইংলণ্ডর সংশ্রধ। প্তাহারা স্বায়ত্তশাসনে বৰ্দ্ধিত, স্বায়ন্ত শাসনের ভাল তাহাধের অস্থিমাংসে, স্বায়ত্ত্ব-শাসনের ভাব তাহাদের রাজনীতির শিরাতে মজ্জাতে, তাহারা যতই সাম্রাজ্য-লোলুপ হউন লা কেন শাসনকার্যো সে সকল ভাল একেবারে বর্জ্জন করিতে পারিবেন না। তাঙ্গার প্রমাণ, রলিয়া আজিও স্বীয় প্রজাবৰ্গকে যে সকল অধিকার দিতে সাহস কবিতেছেন না, তাছা আমরা পাইয়াছি। ধৰ্ম্মবিশ্বাসের স্বাধীনতা, মদ্রান্ত্রের স্বাধীনতা, প্রকাশ সভাধি কলিবার স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ তাটন আদালত প্রভৃতিল আশ্রয় এ সমৃদয় আমলা প্রাপ্ত হইয়াছি। আমরা যদি সজাগ থাকি, আমাদের থে দুঃখ যথাযথক্রপে যদি বিদিত করিতে পালি, তাহদের প্রশষ । অধিকার ও তজ্জনিত দায়িত্বের সমচিত ব্যবহtয যদি কবিতে পারি, জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতির দ্বার জগতের অগ্ৰসৰ চিন্তা সকলের অংশী যদি হইতে পারি, স্বার্থনাশ ও স্বদেশ-হিতৈষণার দ্বারা যদি শঙ্কেয় ইষ্টতে পারি, আমাদিগের প্রাপ্য অপরাপর অধিকার না দেওয়া তাহদের পক্ষে সম্ভব থাকিবে না। দলাদলিতে তাহদেল রাজকাৰ্যা চলে –সুতরাং এক দলে | যাচ ন দিবেন, আমরা সজাগ থাকিলে অপর দলের # দিগের উন্নতির প্রতি বিমুখ। এই সংস্কার যে পরিমাণ প্রকৃত উন্নতি হুইবে ন} । -

  • -

- - - - - - জাতীয় একতা । - Հ8> - - - প্রবল হইতেছে সেই পরিমাণে পূৰ্ব্বোক্ত দুষ্ট ভাব এদেশীয়দিগের মনে প্রবল হইতেছে। হয় ত আমরা তাহাদিগকে বুঝিতে ভুল করিতেছি ঠাহার হয়ত ভাবিতেছেন যে মিগত দেড় শত বৎসর অনেক বিষয়ে দেশ যেরূপ দ্রুতগতিতে চলিয়াছে, এতটা দ্রুতগতি ভাল হয় নাই ; প্রাচ্য দেশে প্রতীচ কাৰ্য্যপ্রণালী প্রতিষ্ঠিত করিতে হইলে আরও ধীরে ধীরে চলিতে হুইবে ; এই জন্ত তাহার কোনও কোনও বিষয়ে পশ্চাদগামী ইষ্টতে চাহিতেছেন । উদেখা যাহাই হউক,তাহাদের অবলম্বিত রাজনীতির ফল এই ফলিতেছে, যে প্রজাগণ তাহানের উপরে আশা রাপিতে পারিতেছে না। জেত। বিজিতের পার্থক্য আমরা এখন যেমন উজ্জলন্ধপে অনুভব করিতেছি, অগ্রে কখনই এরূপ করি নাই । যাহা হউক, এই যে জাতীয় স্বাবলম্বন-প্রবৃত্তি ও জাতীয় একতা-প্রবৃত্তি, জাতীয় নব জীবনের পক্ষে এই দুইটাই অভাব প্রয়োজনীয়। জাতীয় স্বাবলম্বল সম্বন্ধে মনের ভাব অগ্ৰে “স্বদেশ ধয়া" নামক প্রবন্ধে ব্যক্ত করিয়াছি ; জাতীয় একত। সম্বন্ধে অল্প কিছু বলিবার অভিপ্রায় আছে। জাতীয় একতার অশেষ গুগ । মনে কর এদেশের সাধারণ লোকে ধৰ্ম্মঘট করিয়া ধধি আজ প্রতিজ্ঞা করে বে, কেই ইংরাজের ঘরে চাকর হুইবে না, পিন্থাগার চাপরাশ্ম বা থানসামা হইবে না, তাহা হইলে ইংরাজদিগকে হস্থ দাসত্বপ্রথা প্রবর্ধিত করিয়া প্রাচীন রোমানদিগের স্থায় কণ্টকশয্যায় শয়ন করিতে হয়, না হয় আফ্রিকা প্রভূতি দেশ হইতে ভূতা আমদানী করিয়া কাজ চালাইতে হয় , ফলত: চাহাদের এখানে বাস করিয়া কার্যা করা কঠিন হয়। আমরা বঙ্গদেশে দেখিয়াছি কৃষকগণ এইরূপ ধৰ্ম্মঘট করিয়া দেশকে নীলকরঅত্যাচার হইতে মুক্ত করিয়াছে। হাজার নীলকরদিগের পৃষ্ঠপোষক হইয়াও কিছু করিতে পারেন নাই। অত্যাচারের শাস্তি আপনাআপনি আসিয়াছে। ভারতীয় সাধারণ প্রজাকুলের পক্ষে এরূপ করা সম্ভব বা করা কর্তব্য তাহ বলিতেছি না । কেবল মাত্র একতা দ্বারা কি হইতে পারে, তাহার দিছাত্র প্রদর্শন করিতেছি । ফল যথা এই--সহস্র প্রভেদসত্ত্বেও দেশবাসিগণ যতদিন স্বদেশের উন্নতিসাধন বিষয়ে সকলে সমবেতভাবে চেষ্টা করিতে প্রবৃত্ত না হইবুেন, ততদিন দেশের