পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૨88 তল রীতি নীতি পুনরুথিত করিবার চেষ্ট হইতেছে। এইরূপে এই সকল পুনরুত্থান চেষ্টার গতি একতার দিকে না গিয়৷ পার্থক্যের দিকে যাইতেছে। তৃতীয়তঃ আমাদের এমনি ছড়াগ দে ধৰ্ম্মসংস্কারের জন্য যে আর্য্যসমাজ অভূদিত হইয়াছে, তাড়াও বৈদিক ধৰ্ম্মকে পুনরুথিত করিতে গিয়া হিন্দু মুসলমানের প্রাচীন বিদ্বেষকে ঘনীভূত করিতেছে ; এবং সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতাকে প্রসব করিয়া ভারতীয় একতার পথে অন্তরীয় স্বরূপ হইতেছে। এখন উপায় কি ? এই সকল বিরুদ্ধ শক্তিকে ভুলিয়া উপায় চিন্তাতে প্রবৃত্ত হইলে হইবে না। এগুলি মনে রাশিয়া উপায় চিন্তাতে প্রবৃত্ত হইতে হইবে । ইংলওে দুইশত প্রকার সাম্প্রদায়িল সাম্প্রদায়িক বিবাদ সত্ত্বেও একতা আছে। জাপানে শিটাে ধৰ্ম্ম, বৌদ্ধ ধৰ্ম্ম, খ্ৰীষ্টীয় ধৰ্ম্ম প্রভৃতি সহস্র প্রভেদ সত্বেও একতা আছে। স্বদেশ-প্রেমেব উল্পীপনার উপায় অবলম্বন করিতে পারিলে, অনিবাৰ্য্যন্ধপে একতা-প্রবৃত্তি বদ্ধিত হইবে। অথে একতা-প্রবৃত্ত্বির উন্মেষের যে সকল কারণ উল্লেখ করিয়াছি, তাঙ্গ ত আছেই, সে জন্ত আমাদিগকে অধিক ভাবতে কষ্টবে না। ইংরাজ গবর্ণমেণ্ট এখনও এ দেশে বহুকাল থাকিবে, এবং তাহাঁদের রাজনীতি যে কোনও কালে আমাদের জাতীয় উন্নতির সম্পূর্ণ অমুকুল হইবে তাই বলা যায় না; সুতরা এই বিদেশীয় সংশ্ৰব-জনিত সংঘর্য ও তাঁহার পরোক্ষ ফল যে এদেশবাসীধিগের মধ্যে একতা প্রবৃত্তি বন্ধিত করিতেছে, তাহ থাকিবেই। তৎপরে ইংরাজী শিক্ষা, সংবাদপত্র, রেলওয়ে, পোষ্টআপীস, আইন আদালত প্রভৃতি একতা বদ্ধনের যে কিছু উপায় উল্লিখিত হইয়াছে, তাহ থাকিবেই। আমাদিগকে এখন ভাবিতে হইবে এতদতিবিক্র আমাদের কিছু করিবার আছে কি না ? আমাদেরও কিছু করিবার আছে । জাপানবাসিগণ কিরূপে আপনাদের মধ্যে অদ্ভূত একতা স্থাপনে সমর্থ হইয়াছে তাহ একবার চিস্তু করিয়া দেখা যাউক । জাপালের উন্নতির সংক্ষেপ্ত বিবরণ এই । ১৮৬৮ সালে তাহাধের পূর্বপ্রচলিত ধোগুন গবর্ণমেণ্ট রহিত হইয় মিকাডোল সৰ্ব্বময় কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়। তৎপুর্কে জাপানবাসিগণ বিদেশীয় সংশকের ভয়ামক বিরোধী ছিলেন। --- --- - - [ ৫ম ভাগ । 4- - এমন কি প্রধান যন্ত্রী মার্ক ইস ইতো একস্থানে বলিয়াছেন


i যে ১৮৬৩ সালেও রাজবিধি বিদেশগমনের বিরোধী ছিল, এবং তাহাকে লুকাইয়া বিদেশে যাইতে হইয়াছিল। ১৮৬৮ সাল হটতে বিদেশর সংশ্রবেত্ব বিরোধী রাজবিধি নিরাকৃষ্ণ । হইয়। উদীয় রাজনীতি অবলম্বিত হইল। স্তম্বৰf লান বিবয় অধ্যয়ন করিবার জষ্ঠ সন্ধান্তবংশীয় বহুসংখ্যক যুবককে প্রতিবর্ষে ইংলণ্ড, আমেরিক, ফ্রান্স, জাৰ্ম্মানি প্রভৃতি দেশে প্রেরণের রীতি প্ৰবৰ্ত্তিত হইল। জাপানের প্রধান পুরুষগণ বিদেশীয় সভা জাতি সকলের রাজনীতি সমাজনীতি, সামরিক নীতি, শিল্প, বাণিজ্য, কলা সাহিত্য প্রভৃতি অনুশীলন ও প্রয়োজনমত অবলম্বন করা আবশ্বক বোধ কলিতে লাগিলেন । সালে দেশের প্রধান পুরুষদিগের পরামর্শে মিকাডো, লর্ড ষ্টবাকুর নামক একজন প্রধান রাজপুরুষকে দূত স্বরূপ নিয়োগ করিয়া, কিড়ে, ওকুবো, ইতো, যমগুটি প্রভৃতি সন্ধান্তবংশীস্থ কতিপয় মুম্বক্ষ ব্যক্তিকে তাহার সহকারীরূপে দিয়া, তাহাদিগকে পাশ্চাত্য BBBS BB BBBB BBB BBBBBBB BDSDD বাজনীতি প্রভৃতি অধ্যয়নের উদ্দেশে প্রেরণ করিলেন। ইছারা প্রথমে আমেরিকা গমন করেন। সেপানে বহুদিন বাস করিয়া তাঙ্গদের রাজনীতি প্রভৃতি অনুশীলন করিয়া ইউরোপে আগমন করেন , এবং ইংলণ্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ম, হলও, প্রসিয়া, রসিয়া, ডেনমার্ক, সুইডেন, জাৰ্ম্মানি, ইটালি, অষ্টিয়া, হঙ্গেবি, শুইজারল্যাণ্ড প্রভৃতি সমুদয় দেশ পরিদর্শন করেন । সকল দেশে স্থার প্ল্যঞ্জনীতিজ্ঞ প্রধান পুরুষদিগের সঙ্গিত মিশিয়া বাজনীতি সামাঞ্জিক নীতি, সামরিক নীতি, শিল্প বাণিজ্যাদি বিষয়ে সমুদয় জ্ঞাতব্য বিষয় সংগ্রহ করেন ; বিস্থাগার, শিল্পীগার, যুদ্ধাগার, বাণিজ্ঞাগার প্রভূতি সমুদয় তত্ত্ব তা করিয়া পরিদর্শন করেন। একজন জাপানবাসী লেখক বলেন, তাহার দুই বৎসর কলি এই সকল কার্যে এত ব্যস্ত ছিলেন যে দিলাভাগে তাহাঙ্গের বিশামের সময় থাকিত না । ১৮৭৩ সালে বিয়েম নগরে যে মহাপ্রদর্শনী হর, তাহাতে উপস্থিত থাকিয় তাহার ইউরোপীয় শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশের সাক্ষাৎ প্রমাণ প্রাপ্ত হন । তৎপরে তাছার স্বদেশে প্রতিনিবৃত্ত হইয়া পাঁচ বালাম বৃহৎ বৃহৎ গ্রন্থে আপনাদের পরীক্ষত বিবল্প সঞ্চল ンbr" 。 - - ৫ম সংখ্যা । ] শিকাডোর ও স্বদেশবাসিগণের গোচর করেন। এই অদ্ভুত পাঁচ বালাম গ্রন্থ নব্য জাপানের পণপ্রদর্শক রূপে বিদ্যমান রহিয়াছে । বলা বাহুল্য, যে নব্য জাপানের অনেক উন্নত রাজনীতি ও কার্য্যনীতি ইহা হইতে প্রাপ্ত। ইহাম পরে মাকু ষ্টল ষ্টতে প্রজাতন্ত্র শাসনপ্রণালী অত্বশীলন কবিবার জল্প আবার ইউরোপ ও আমেরিকাতে গিয়াছিলেন । তাছার ফলস্বরূপ ১৮৮৯ সালে লব জাপানের এক শাসনপ্রণালী রচনা করিয়া ইনি মিকাডোর হস্তে অৰ্পণ করেন । ১৮৯৯ সাল হইতে তাঙ্গাস্ট প্রবঞ্চিত হইয়াছে। ইচ্ছ। অনেক পরিমাণে ষ্টগণ্ডেব পালেমেণ্টী প্রণালীর অন্তরূপ । ইহাতে হাউস অব পীযাস, হাউস অব রেপ্রেজেন্টেটিভস আছে ; এব" প্রজাদিগকে সম্পূর্ণ স্বায়ত্ত্ব-শাসনের অধিকার প্রদত্ত হইয়াছে। এড়ছিল সামরিক নীতি শিল্প বাণিজ্য প্রভৃতি অনুশীলনেল জল্প আরও অনেক লোক পাশ্চাত্য জগতে প্রেরিত হইয়াছেন । সঙ্গংশজাত, শুশিক্ষিত ও প্রতিভাশালী ব্যক্তিগণই এইরূপ কাবোধ জন্য প্রেবিন্ত হইতেন । ইষ্টার ফল এই হইল, যে কয়েক বৎসরের মধ্যেই বিদেশ-প্রত্যাগত শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গে রাজকায্যের সকল বিভাগ পূর্ণ হইয়া গেল । ইংল্পী সকল বিভাগের নেতাস্বরূপ হইলেন। ইঙ্গাদের ংশবে ইহাদের উচ্চ ৫ উদার ভাব সকল সকল শ্রেণীর মধ্যে ব্যাপ্ত হইতে লাগিল । ইতালা নব-জাপানের এক প্রবল দল হইয়া উঠিলেন। ইহারা মিকাণ্ডোকে পরামর্শ দিয়া আর এক মহা কাৰ্য্যে প্রবৃত্ত করিলেন । তাই সকল শ্রেণীর মধ্যে শিক্ষা বিস্তীর । এই শিক্ষা এতদূর বিস্তুত হইয়াছে যে শিক্ষাবিভাগের একজন উচ্চ কৰ্ম্মচারীর প্রদর্শিত তালিকাতে দেখা যাইতেছে যে এখন যাপকবালিকাদিগের মধ্যে শতকরা ৯০ জন শিক্ষা পাইতেছে। ইহার ফল কি দাড়াইয়াছে তাহা সকলেষ্ট অনুমান করিতে পারেন। পূৰ্ব্বোক্ত বিদেশ-প্রত্যাগত আঁর দলের ভাব সকল শিক্ষার সাহায্যে চুয়াইয়া সমাজের নিম্নতম স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করিয়াছে। বৎসর বৎসর লক্ষ লক্ষ ময়নারী স্বদেশহিতৈষণা মৰ্ম্মে দীক্ষিত হইয়া সংসারধৰ্ম্মে প্রবেশ করিতেছে। জাতীয় একতা । - - - --- - ૨80 দল মিকাডোকে আপনাদের ভাবাপন্ন করিতে সমর্থ হষ্টলেন। নিকভে ইহঁদের পরামশে আত্মসমর্পণ করিলেন। ১৮৬৮ সালে উহাদের পরামর্শে তিনি যে পাট প্রতিজ্ঞাবদ্ধ eষ্টয়াছিলেন, তাহা ইতিহাসের স্মরণীয় অদ্ভুত ঘটনা বলিয়৷ উল্লিপিত হুইবার যোগ্য । এই পাঁচটা প্রতিজ্ঞার মধ্যে একট৷ এষ্ট ছিল, যে দেশের রাজকাৰ্যা প্রজাসাধারণের পলামশ ও সম্মতি অনুসাবে চলিবে। ইহাপ্ত ফল এই হইল, যে তদবধি ৫াপানবাসী প্রজ্যগণ দেশকে আপনাদের দেশ এবং রঞ্জকার্যাকে আপনাদের কার্য্য বলিয়া অনুভব করিতে লাগিল । তস্থারা তাঙ্গদের স্বদেশহিতৈর্ষিতা ও একতা-প্রবৃত্ত্বি অগ্নির স্থায় প্রলিয়া উঠিল। তাহার ফল আমবা এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ করিতেছি। রুধিয়া কেন জাপানের সন্ধুপে ধাড়াইতে পারিল না ? কিরূপে দাড়াইবে ? জাপান হষ্টতে যে সৈন্যদল গেল তাঙ্গার প্রত্যেক ছোট বড় সৈনিক পুরুষ, এক একট অগ্নিশ লিঙ্গের ছায়, স্বদেশের নিমিত্ত প্রাণ দিবার জন্ত বাগ্ৰ ; ওদিকে রুধিয়া হইতে যে সকল রিজাভিষ্ট আনা হষ্টল, তাহদের প্রত্যেককে গল টিপিয়া অনিচ্ছার উপরে মানিতে হইল। ইহার ফল যাহা হয়, তাঁহাই পটিয়াছে ৷ ম্বে দেশে - রাজকাৰ্য্যে প্রজাদের হাত নাই, একমাত্র নিরঙ্কুশ স্বেচ্ছাচারী রাজার অধীন, সে দেশে প্রজাগণ এই বিশ্বাসে বন্ধিত হয়, ষে দেশরক্ষা, দেশশাসন, রাজারই কাজ তাহাদের কাজ নহে। তৎপরে দেশরক্ষার জন্ত যখন তাহীদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তপন তাহারা সহজে সে কাৰ্য্যে অগ্রসর হইতে চায় না। ইহার একট অত্যুজ্জল দৃষ্টান্ত ব্ৰহ্মদেশে পাওয়া গিয়াছে। লর্ড ভঙ্করিন যখন ব্ৰহ্মদেশের রাজাকে পদচ্যুত করিবার আশার সৈন্ত প্রেরণ করলেন, তখন বিনা যুদ্ধে, বিনা রক্তপাতে সে কার্য সাধিত হইল! ভূগতের লোক দেখিয় আশ্চৰ্য্যাম্বিত হইল, যে একটা দেশ জয় হইয়া গেল , তাহার রাজাকে বন্দীকৃত করা হইল ; অথচ প্রজার রাজার সাহায্যের জন্য একট অঙ্গুলিও তুলিল না। এ কেমন? ভিতরকার কথা এষ্ট, ইংরাজ সৈন্ত যখন গেল, তখন প্রজারা ভাবিয়ছিল যে দেশরক্ষা প্ত রাজার কাজ, রাজা নিশায় তাহার কোনও উপায় বিধান করিবেন ; কিন্তু যথন দেথিল যে দেশ পরহস্তে গেল, রাজা বন্দী হইয়া গেলেন ; তখন তাঙ্গার স্বদেশ BBBB BBBB BBBB BBB gS gg BBBB BBBB DD BBBS BB BBB BBB BBB BBS BBBBBB