পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


శ్రీలు -- গিয়াছিলেন। করিয়া নেীলক্ষ হার, “পঞ্চশব্দা" নামক । হস্তী, এবং সাওরান্ন ক্টোচক শাল ইত্যাদি লইয়া গেল । দস্সরাজকেও বন্দী করিয়া লইয়া গিয়া তাহাকে ঘানিগাছে ফেলিয়া ঠাহার তৈল বাহির করিল, এবং কঙ্কালটা নিজ দুর্গপ্রাকারে ঝুলাইয়। রাখিল । আলহ্ উদল বয়ঃপ্রাপ্ত হইয়া পিতৃহস্তার প্রতিশোধ লইয়াছিলেন । কিছুদিন পরে “হরিদ্ধায়ে” রাজা নিঞ্জ কল্লার স্বয়ম্বর উপলক্ষে লক্ষভেদ করিদ্বার ব্যবস্থা করিলেন, এবং ভারতের যাবতীয় নরপতিকে নিমন্ত্ৰণ করিলেন। অর্জুনের স্থায় ধাধু লক্ষ ভেদ করিলেন। ( অবশু রাজকন্তু “স্লমনা”র পঞ্চপতিলাভ হয় নাই । কিন্তু রাজকুমার দ্বাসীপুত্র বলিয়া ধাধুর সহিত বিবাহ করতে রাজী হইলেন না। কাজেই আলহার সহিত ঠাহার বিবাহ হয় । এই কারণে র্যাধুর সহিত আলহার মনোমালিন্সের স্বষ্টি হয়, এবং ধ ধুঝিঝামট দুর্গ পরিত্যাগ পূৰ্ব্বক দিল্লীপতি পৃথ্বীরাজের শরণাপন্ন হইলেন। কিছুদিন পরে মলখে পরিমালকে কহিলেন, “আমি এখন পৃথক থাকিতে ইচ্ছা করি। আপনি আমার পিতার সম্পত্তি আমাকে প্রদান করুন।” পরিমাল কহিলেন, “গড় সিরস ( ১ ) (সিরস আধুনিক পঞ্জাবে ) তোমার পিতার ছিল, কিন্তু এখন তাঁহা দিল্লীপতির অধীনে রহিয়াছে। তোমার ইচ্ছা হয় তাহার কাছ হইতে চাহিয়া লাও ” মলশ্বে পৃথ্বীরাজের নিকট স্বীয় পিতৃদ্বগ পাইবার জন্য আবেদন করিলেন ; কিন্তু পৃথ্বীরাজ বিনা যুদ্ধে স্বচ্যগ্র ভূমি দিতেও সম্মত হইলেন না। যুদ্ধে পুর্থীরাজের এক পুত্র পরাজিত হইলেন । মলখে যাত তিলকা ও ভ্রাতা পরসাকে লইয়া সিরস গিরা রছিলেন। গুজরাতের রাজকুমারীর জল্প (২) “টাকা” লইয়া (৩) “( নেগী )” ( s ) “বাওয়ন্‌ গড়” ঘুরিল। কিন্তু কোন রাজাই সম্বন্ধ স্বীকার করিলেন না। কারণ গুজরাতপতির অপরিমিত সৈন্তগণকে যে যুদ্ধে (১) কেহ কেহ বলেন ফিল্পোঞ্জাম্বাদ ও বটেশ্বরের মধ্যস্থিত কোন স্থানে ১৯৮৯ খৃঃ পরিমালের সহিত পৃথ্বীরাজের সিরসার যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে আলহী, উদল আদি উপস্থিত ছিলেন। যুদ্ধে জয়লাভ করিয়া পৃথ্বী রঙ্গ মহাৰা পৰ্যন্ত মৃণালির পশ্চাৎধাবিত হয়েন। এই যুদ্ধের পর চনেলাদের রাজ্যের সীম কেন নদীর পূর্ব পৰ্য্যস্ত রহিল । মহোদ্বার পশ্চিম প্রান্ত চোহানদিগের অধিকারভুক্ত হয় ; কিন্তু আলস্থ পাঠ স্থাত হওয়া যায় যে সিরসার যুদ্ধে পৃথ্বীরাঙ্গ পরাভূত হল। - প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । - --- পরাজিভ করিবে, সেই রাজকন্তু “গজমতি"র পাণিগ্রহণ করবে। মলগে “টাকা" লইলেন, কিন্তু আলহাপ্রমুখ ভ্রাতার কেহই সঙ্গে যাইতে রাজী হইলেন না। পরে আলহার পত্নী রাণী স্বমনার উত্তেজনাপূর্ণ ধিক্কারবাণীভে আলহাঁকে গুজরাতে যাইতে হইল। মলথের বিবাহের পর উদলের ধিবাহও “বাদো”র রাজকgার সাগুত সম্পন্ন श्, কিন্তু যুদ্ধ ব্যতাত সম্পন্ন হর নাই। ইতিমধ্যে কোন কারণে পরিমাল আলহার উপর অসন্তুষ্ট হুইয়া তাহাকে নিজ রাজ্য হইতে বহিষ্কৃত করিয়া ছিলেন । আলহী জ্যেষ্ঠমাতুল জগনিকের শরণাপন্ন হরেন, কিন্তু তিনিও ইহাদের প্রতি বিমুখ হইলেন। এক সপ্তাহ পূৰ্ব্বে আলহার একটা পুত্র ভূমিষ্ট হয় ( তাহার নাম ইন্দল। ) সেই নবঞ্জাভ শিশু এবং সপ্তপ্রস্থত বাণ সুমন ও অন্তান্ত পুরঞ্জন সমৰ্তিব্যাহারে, ইহার সিয়ুসায় উপস্থিত হইলেন। পথে সকলে অনশনে ছিলেন; কারণ পরিমাল নিজ রাঞ্জো আল্লঙ্গল গ্ৰহণ না করিতে দিব্য দিয়াছিলেন । মলখে নিজ রাজ্যে সকলকে সমাদর পূৰ্ব্বক থাকিবার জন্ত অনুরোধ করলেন, এবং বলিলেন, “বদি আপনি আঞ্জা করেন ত মহোব আক্রমণ করিয়া পরিমালকে সমরে হত করি।” আলহ। প্রতিপালক পরিমালের উপর হস্তক্ষেপ করিতে সম্মত হইলেন না। অতঃপর ইহার কান্তকুক্সের নিকটবৰ্ত্তী কোনও স্থানে শিবির স্থাপন করিলেন, এবং কোন কারণে জয়চন্দ্রের সঠিত ইহাদের বিবাদ হয় । পরে জয়চন্দ্র নিজ কনিষ্ঠ কন্যার সাহত উদলের বিবাহ দিলেন, এবং আল্‌ছ ইত্যাদিকে বাস করিবার জন্ত একটী রাজ্য প্রদান করিলেন। “যাঙ্গীলেকে” । বঙ্গদেশের } রাজার কস্তার বিবাহের টীকা লইয়া নেগী কলেজে (কান্তকুঞ্জে ) আসিল । যুবরাজ “লাখন বঙ্গদেশে বিবাহ করিতে ইচ্ছুক ইষ্টলেন কিন্তুপিত জয়চন্দ্র সম্মত হইলেন না, কিন্তু আলহ। অভয় প্রদান করিয়া বলিলেন, “টাকা” ত লইতেই হইবে, পরে বঙ্গাধিপযে কেমন (২) আমাদিগের দেশে যেরূপ পুত্র করা বা পাকা দেখা হয়. টকাট এই প্রদেশে সেইরূপ । এদেশে কহা বিশ্বাহের সময় নগদ অর্থ দিবার DDD DDS BBB BB BBBBBB BBB BBB BBB DDS DD কন্যা পক্ষ হইতেই শ্বরকে পাঠাইতে ছয় । (৩) নেগী আমাদের ঘটকের BBB BB BBB BB BBB B BBBBB BB DD S 0 BBBBBB অর্থাৎ ৫২ জন নরপতির রাজা । | ৬ষ্ঠ সংখ্যা । ] বীয় তাহার পরীক্ষা লইব । যাহা হউক, আলহ্বা, উদল, ইত্যাদির সাহায্যে লীগন বঙ্গাধিপের সৈন্তগণকে পরাজিত করিয়া, দাজকুমারীর পাণিগ্রহণ করিলেন । রাজকুমার ইন্দল প্রাপ্তবয়স্ক হইয়৷ একদা পিতৃব্য উদলের তত্ত্বাবধানে গঙ্গাস্নান করিতে গিয়াছিলেন। সে স্থানে "বলারুথারার" ( বোপারা ) রাজকন্যাও স্নান করিতে আসিয়াছিলেন । তিনি ইঞ্জঞ্জাল প্রভাবে নিদ্রিতাবস্থায় ইদলকে তোতাপাখি করিয়া নিজ আলয়ে লইয়া ধান। উদল ভ্রাতৃপূল্পের অনেক অহসন্ধান করাষ্টলেন, কিন্তু ইন্দলকে কোথাও পাইলেন না। ইতিমধ্যে গুণধর কনিষ্ঠ মাতুল মহিল আসিয়া আলহাকে বলিলেন, “উদল রাজালোভে তোমার পুত্রকে হত্যা করিয়া গঙ্গার জলে নিক্ষেপ করিয়াছে।” উদল ইন্দলের বিষয় কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পাবা, অলঙ্ক তাহার প্রাণদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। ঘাতকের অনুগ্রহে এক্ষেত্রে উদল প্রাণ দান পাইলেন, এবং মাদীর ছেলে মালেপের কাছে গিয়া সবিশেষ সমাচার কহিলেন। তিনি পরে সন্ন্যাসী সাজিয়া ইন্দলের সন্ধান ও উদ্ধার করেন। অনেক যুদ্ধ বিগ্রহের পর বোপারার রাজকুমারীর সহিত ইন্দলের প্রথম বিবাহ হয়। এক ব্যর বড় রাণী মেন শ্রাবণ মাসে, বাগানে ঝেলুয়া ফুলিতে ( দোলনায় দুলিতে ) গিয়াছিলেন। সে স্থানে কোন গতিকে পথরিয়া কোটের রাজা তাহাকে দেখিতে পায় এবং যাদুমন্ত্র প্রভাবে স্বমনাকে নিজালয়ে লইয়া যায়। রাজকন্যা পদ্মাবতীর সাহায্যে শিক্ষিভ পারাবত দ্বারা সুমনা, আলহাকে নিজাবস্থাঙ্ক্যাপক পত্র লিখিলেন, কিন্তু আলহা বলিলেন, “দূর হউক ছাই । আমি আর ও পোড়ারমুখীকে উদ্ধার করাইবার জন্য প্রঞ্জার রক্তপাত করাইব না।" অতঃশর রাণী দেবর মালথেকে সংবাদ দিলেন, ও তিনি আসিয়া রাণীকে উদ্ধার করিলেন। স্বমন পদ্মাবতীর সদৃব্যবহারে তুষ্ট হইয় তাহাকে নিজ পুত্রবধু করিলেন । ইহাই ইন্সলের দ্বিতীয় বিবাহ । সিংহলদ্বীপের রাজদুহিত পদ্মিনীর সহিত কোন গতিকে কুমার ইন্দলের সাক্ষাৎ হয় এবং গান্ধৰ্ব্ব বিবাহ হয়। এদিকে সিংহলেশ্বর গুজরাতের বাজপুঞ্জকে জামাতা করিবেন মনঃস্থ করিলেন। বথাসময়ে রাজকুমারীর বিবাহ উপস্থিত শুনিয়া । আল্‌হার গান। ආණ්ර් ইন্দল নল রাঙ্গর ছায় সন্ন্যাসী ৰেশে সি চলে ছুটলেন । সে স্থলে পিতৃবা মলথের ( মলথে খালকের বিবাহে বরযাত্র হইয় গিাছিলেন } সহিত সাক্ষাৎ হইল ও ইহাকে সম্পূর্ণ সংবাদ জানাইলেন। গুঞ্জয়াতের যুবরাজ শিশুপালের স্থায় স্বরাজ্যে প্রস্থান করিলেন, এবং পদ্মিনীর সহিত ইন্সলের ধিবাক্ষ হইল। ইহা ইন্দলের তৃতীয় বিবাহ । - অনেক দিন অলসভাবে বসিয়া থাকায় আলঙ্কার কনিষ্ঠ মাতুল মাহিলের দুষ্টবুদ্ধিরূপ তাঙ্ক অস্ত্রপানা ভোতা হইয় যাইতেছিল। সেই জন্য মহিল, পৃথ্বীরাঙ্গকে বলিল, “আগ্ৰহ, উদল ত কল্পোঙ্গে রহিয়াছে । এই সময় যদি আপনি গিরস, দুর্গ আক্রমণ করেন ত মলপে আপনার গতিরোধ করিতে পরিবে না।" পৃষ্ঠাত তাহাষ্ট চান, সুতরাং সিরসায় আবার ঘোর সংগ্রাম আরম্ভ হয়। এই যুদ্ধে মলপে হত হয়েন। মাছিল পিতৃবৈরী, জ্যেষ্ঠ ভগ্নীপতি পরিমালকে উৎসন্ন দিবার মানসে আর এক চাল চালিল পৃথ্বীকে বলিল, “এই ব্যরে আপনি মহোবা আক্রমণ করুন।” যেমন পরামর্শ তেমনই কার্যারম্ভ। বুদ্ধ পরিমাল এই বারে মিল্লাট দেখিলেন । নিজে ত শপথ পূর্বক অস্ত্রত্যাগ করিয়াছেন; আলহাউলের প্রতি যেরূপ ব্যবহার করিয়াছেন, তাহাতে ঠাহাদিগকে সাহায্যাথে আহান করিতে লজ্জা বোধ হইল। নিরুপায় হইয়া রাণী মলহনা নিজে গিয়া ভগ্নীপুরাদগকে নিজরাঙ্গে লইয়া আইসেন। ইতিমধ্যে আবার গঙ্গাস্নান উপলক্ষে “ঝুনা গড়ের” রাঙ্গায় সাহত একটী থও যুদ্ধ হইয়। যার। পৃথ্বীরাজের খুল্লতাত কষ্ট বেলার সহিত দেলারাজ পরিমালের পুত্র ব্ৰহ্মার বিবাত ধার্য হয়,কিন্তু মাতুল মাহিলের ইহা সহ্য হইল না। মাহিল দিল্লীপ,তকে বলিলেন, "যে তোমার চিরশত্র, তাহার সহিত ভগ্নীর বিবাহ ধিবে ? ছিঃ ! ছিঃ!” বাহা হউক বিবাহ হইবেই ইহা স্থিরনিশ্চয় হইল। যখন ব্ৰহ্মা সদলবলে দিল্লীতে উপস্থিত হইলেন, তখন উহঁাদের প্রাণনাশের জন্ত নানাবিধ ষড়যন্ত্ৰ হইল, কিন্তু ধাধু ( যিনি ইতিপূৰ্ব্বে ভ্রাতাদিগের সহিত পৃথক হইয়া পৃথ্বীরাজের শরণাপন্ন হয়েন ) প্রতিবারে ইহাদের সতর্ক করিয়া দেওয়ায় কোন অনিষ্ট ঘটিতে পারে নাই। মাহিলের ইচ্ছা পূর্ণ হইল ল, বিবাহ সুসম্পন্ন হইয় গেল। “গেীশ” (দ্বিবাগমন )-র সময় মছিল ভগ্নীকে কছিলেন, “অধিক আড়ম্বরের অবিশ্বক